রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্য দিয়ে যাওয়া গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের পরিমাণ প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ- ইআরডি তাদের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ছাড় হয়েছে ২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছাড় হয় ৩৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাসে বিদেশি অর্থ ছাড় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমে যায় প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ; চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে এসে তা আরও কমে গেল। সাধারণত অর্থ ছাড়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধের পরিমাণ কম থাকে। ২০২৩-২৪ ও তার আগের অর্থবছরগুলোতে সেই চিত্রই দেখা গেছে। কিন্তু গত অর্থবছরের প্রথম মাস থেকে বিপরীতে প্রবণতা দেখা দেয় যা অব্যাহত ছিল গত মাসেও।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণ পরিশোধে গেছে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের বেশি। এর মধ্যে ঋণের আসল ৩২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল প্রায় ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত অর্থবছর একই সময়ে বিদেশি ঋণের সুদাসল বাবদ সরকারকে ৩৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছিল। সে হিসাবে, ব্যয় বেড়েছে ১৬ শতাংশের মতো।
জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের; যা গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাইয়ে প্রতিশ্রুত অর্থ থেকে ৪০ কোটি ৫৭ লাখ ডলার ছাড় করে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী এবং ঋণদাতা সংস্থা ও দেশ।
তার আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই মাসে ছাড় হয় ৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। গত অর্থবছর বিদেশি ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ৮৫৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১ হাজার ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
অর্থছাড় কমলেও ঋণ পরিশোধ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৮ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। পরিশোধিত অর্থের মধ্যে আসলের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্য দিয়ে যাওয়া গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের পরিমাণ প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে গেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ- ইআরডি তাদের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ছাড় হয়েছে ২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছাড় হয় ৩৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাসে বিদেশি অর্থ ছাড় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমে যায় প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ; চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে এসে তা আরও কমে গেল। সাধারণত অর্থ ছাড়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধের পরিমাণ কম থাকে। ২০২৩-২৪ ও তার আগের অর্থবছরগুলোতে সেই চিত্রই দেখা গেছে। কিন্তু গত অর্থবছরের প্রথম মাস থেকে বিপরীতে প্রবণতা দেখা দেয় যা অব্যাহত ছিল গত মাসেও।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণ পরিশোধে গেছে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের বেশি। এর মধ্যে ঋণের আসল ৩২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল প্রায় ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত অর্থবছর একই সময়ে বিদেশি ঋণের সুদাসল বাবদ সরকারকে ৩৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছিল। সে হিসাবে, ব্যয় বেড়েছে ১৬ শতাংশের মতো।
জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের; যা গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাইয়ে প্রতিশ্রুত অর্থ থেকে ৪০ কোটি ৫৭ লাখ ডলার ছাড় করে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী এবং ঋণদাতা সংস্থা ও দেশ।
তার আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই মাসে ছাড় হয় ৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। গত অর্থবছর বিদেশি ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ৮৫৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১ হাজার ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
অর্থছাড় কমলেও ঋণ পরিশোধ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৮ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। পরিশোধিত অর্থের মধ্যে আসলের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার।