ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি দুটি ব্রোকারেজ হাউজ- মোনার্ক হোল্ডিংস এবং কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ- এর মূলধন ঘাটতি চিহ্নিত করেছে। তদন্তে এ বিষয়টি উদঘাটনের পর বিএসইসি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে মোনার্ক হোল্ডিংসের ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তবে মূলধন ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ এখনো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে আটটি ব্রোকারেজ হাউজের আর্থিক অবস্থার ওপর তদন্ত শুরু হয়। এদের মধ্যে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজ ইতোমধ্যেই মূলধন ঘাটতি পূরণ করেছে। কিন্তু মোনার্ক ও কলম্বিয়া এখনো সংকটে রয়ে গেছে।
আইন অনুযায়ী, প্রতিটি ব্রোকারেজ বা স্টক ডিলারকে তাদের পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ৭৫ শতাংশের সমপরিমাণ নিট মূলধন ধরে রাখতে হয়। এ নিয়ম মানতে ব্যর্থ হলে তাদের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হতে পারে। মূলধন ঘাটতি আর্থিক দুর্বলতার প্রতীক, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
নিয়মে আরও বলা হয়েছে, নতুন ব্রোকারেজ হাউজের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে ৫০ মিলিয়ন টাকা, যৌথ উদ্যোগের জন্য ৮০ মিলিয়ন এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ মিলিয়ন টাকা।
উল্লেখ্য, মোনার্ক হোল্ডিংস প্রতিষ্ঠা করেন আবুল খায়ের হিরু। এ প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানও একজন পরিচালক। তিনি ব্রোকারেজ হাউজটির চেয়ারম্যান। আর হিরুর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক শেয়ার কারসাজির অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের ওপর ইতোমধ্যেই বিপুল অঙ্কের জরিমানা আরোপ করেছে বিএসইসি।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি দুটি ব্রোকারেজ হাউজ- মোনার্ক হোল্ডিংস এবং কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ- এর মূলধন ঘাটতি চিহ্নিত করেছে। তদন্তে এ বিষয়টি উদঘাটনের পর বিএসইসি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে মোনার্ক হোল্ডিংসের ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তবে মূলধন ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ এখনো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে আটটি ব্রোকারেজ হাউজের আর্থিক অবস্থার ওপর তদন্ত শুরু হয়। এদের মধ্যে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজ ইতোমধ্যেই মূলধন ঘাটতি পূরণ করেছে। কিন্তু মোনার্ক ও কলম্বিয়া এখনো সংকটে রয়ে গেছে।
আইন অনুযায়ী, প্রতিটি ব্রোকারেজ বা স্টক ডিলারকে তাদের পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ৭৫ শতাংশের সমপরিমাণ নিট মূলধন ধরে রাখতে হয়। এ নিয়ম মানতে ব্যর্থ হলে তাদের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হতে পারে। মূলধন ঘাটতি আর্থিক দুর্বলতার প্রতীক, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
নিয়মে আরও বলা হয়েছে, নতুন ব্রোকারেজ হাউজের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে ৫০ মিলিয়ন টাকা, যৌথ উদ্যোগের জন্য ৮০ মিলিয়ন এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ মিলিয়ন টাকা।
উল্লেখ্য, মোনার্ক হোল্ডিংস প্রতিষ্ঠা করেন আবুল খায়ের হিরু। এ প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানও একজন পরিচালক। তিনি ব্রোকারেজ হাউজটির চেয়ারম্যান। আর হিরুর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক শেয়ার কারসাজির অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের ওপর ইতোমধ্যেই বিপুল অঙ্কের জরিমানা আরোপ করেছে বিএসইসি।