alt

অর্থ-বাণিজ্য

শেয়ারবাজারে ১২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

আগের সপ্তাহের মতো গত সপ্তাহেও উত্থানে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহটিতে শেয়ারবাজারের সব সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও। সপ্তাহটিতে শেয়ারবাজারে ১২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আর বাজার মূলধন ৯৯০ কোটি টাকা বেড়েছে।

জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৪৭ কোটি ৪৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৩৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ৯৯০ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বাজার মূলধন ফিরেছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১২ হাজার ১৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪৫ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১০ হাজার ২৫৮ কোটি ৬৫ লাখ ৬৯ হাজার ৫০৯ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ১ হাজার ৯২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৬ টাকা বা ১৯ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩.২১ পয়েন্ট বা ০.২২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৬.৬৪ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৬.৩১ পয়েন্ট বা ০.৪৯ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১.৫১ পয়েন্ট বা ০.০৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২৯৯.৪৮ পয়েন্ট এবং ২ হাজার ২০৫.১০ পয়েন্টে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৭১টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১১টির বা ৫৬.৮৭ শতাংশের, কমেছে ১৪২টির বা ৩৮.২৮ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির বা ৪.৮৫ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৫২৭ কোটি ৪৫ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৩ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩৭৮ কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৭৩৫ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ১৪৯ কোটি ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৮ টাকা বা ৩৯.৪২ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১.৮৫ পয়েন্ট বা ০.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৫৮৫.৩৩ পয়েন্টে। সিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ২০.৩৬ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২৭.৭৬ পয়েন্ট বা ০.২১ শতাংশ এবং সিএসআই ২১.৫৩ পয়েন্ট বা ২.০৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০ হাজার ৫৯৪.৪২ পয়েন্ট, ১৩ হাজার ১১৮.৬৪ পয়েন্টে এবং সিএসআই ১ হাজর ৭৭.১৯ পয়েন্টে। তবে সিএসই-৫০ সূচক ১২.৩৪ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮৩.৪৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৯৩টির বা ৫৭.৭৮ শতাংশের দর বেড়েছে, ১২৩টির বা ৩৬.৮৩ শতাংশের কমেছে এবং ১৮টির বা ৫.৩৯ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২১১টির বা ৫৬.৮৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। সপ্তাহটিতে ফরচুন সুজের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ফরচুন সুজের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ২৬ টাকায়। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন শেষে এর শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩৯.৩০ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহটিতে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৩.৩০ টাকা বা ৫১.১৫ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে ফরচুন সুচ ডিএসইর সাপ্তাহিক টপটেন গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে আসে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর কপারটেকের ৪৫.৮৫ শতাংশ, রিং শাইনের ৩৯.৭৪ শতাংশ, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ২৯.০৫ শতাংশ, সাফকো স্পিনিংয়ের ২৮.১৩ শতাংশ, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ২৭.৬৬ শতাংশ, নুরানী ডাইংয়ের ২৭.১৪ শতাংশ, দেশ গার্মেন্টসের ২৬.১৮ শতাংশ, আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ২৫.৬৪ শতাংশ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৫.১৮ শতাংশ বেড়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) অপরিবর্তিত রয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৮.৪৮ পয়েন্টে যা সপ্তাহ শেষেও ১৮.৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭.৫৬ পয়েন্টে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২২.০১ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ৩৩.৯০ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৩২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৬.১২ পয়েন্টে, বীমা খাতের ২৬.৬৬ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৬০.২৩ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ১৯.৭৬ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১১.৭১ শতাংশ, চামড়া খাতের ৮৪.৯০ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ১৪.৪৮ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ৪২.৯৪ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৫১.৮০ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৯৭.১৬ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১১.৫১ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২০.৪৫ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২৮.৪৭ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই (-) ৩৮.৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ছবি

ঢাকা চেম্বার এর আয়োজনে ‘টেকসই নদী খনন: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

ছবি

লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশের পর গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্ত

ছবি

অপরিবর্তিত সবজির বাজার, মাছে দাম চড়া

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে নিম্নমুখী

ছবি

একবার প্রণোদনার ঋণ পাওয়া ব্যবসায়ীদের নতুন ঋণ নয়

ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান

ছবি

রবি’র সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ১৮ লাখ

ছবি

আরদাশির কবির এবং সুস্মিতা আনিস বিইএফ-এর প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিবেচনায় আগামী রোব ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ

ছবি

শেয়ার কিনছে বিনিয়োগকারীরা

ছবি

৫০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ছাড়ছে ‘নগদ’

ছবি

পুরোনো ক্রয়াদেশ শিপমেন্ট না হলে নতুনগুলো অন্য দেশে চলে যাবে

কারখানায় থাকা কর্মীদের হয়রানি না করার অনুরোধ বিকেএমইএর

সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে শেয়ারবাজারে

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে হিসাব পরিচালনার অনুমতি

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা

ছবি

ব্লু-চিপ শেয়ারের বিক্রয় চাপে পুঁজিবাজারে দরপতন

বঙ্গভ্যাক্সের ইথিক্যাল ক্লিয়ারেন্সের জন্য আইনি নোটিশ

ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য নির্মিত ‘কান্ডারি-১৫’ টাগবোট পানিতে ভাসানো হল

ছবি

সূচকের পতনেও লেনদেনে তেজিভাব

ছবি

দেশে কোটিপতি বৃদ্ধি আয়-বৈষম্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ

ছবি

ঈদের পর ইতিবাচক প্রবণতায় চলছে শেয়ারবাজারের লেনদেন

ছবি

‘সরকারের মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া কিনলে লস হবে না’

ছবি

করোনার এক বছরে কোটিপতি বেড়েছে ১১ হাজার ৬৪৭ জন

কারখানা খোলা রাখায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি

বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটছেই না

ঈদে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে প্রায় চার লাখ পশু

শেয়ারবাজারে মূলধন ফিরল ১০ হাজার কোটি টাকা

রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব

বিদেশফেরত কর্মীদের উদ্যোক্তা বানাতে কাজ করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ব্র্যাক

লকডাউনে কারখানা খোলায় জরিমানা

আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মুনাফা বেড়েছে ৫৫ শতাংশ

ব্যাংক-বীমা-শেয়ারবাজার চালু হচ্ছে

ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রপ্তানি শুরু

মোবাইল রিচার্জ সেবা দিচ্ছে ‘নগদ’

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা ৪১ শতাংশ বেড়েছে

tab

অর্থ-বাণিজ্য

শেয়ারবাজারে ১২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

আগের সপ্তাহের মতো গত সপ্তাহেও উত্থানে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহটিতে শেয়ারবাজারের সব সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও। সপ্তাহটিতে শেয়ারবাজারে ১২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আর বাজার মূলধন ৯৯০ কোটি টাকা বেড়েছে।

জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৪৭ কোটি ৪৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৩৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ৯৯০ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বাজার মূলধন ফিরেছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১২ হাজার ১৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪৫ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১০ হাজার ২৫৮ কোটি ৬৫ লাখ ৬৯ হাজার ৫০৯ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ১ হাজার ৯২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৬ টাকা বা ১৯ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩.২১ পয়েন্ট বা ০.২২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৬.৬৪ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৬.৩১ পয়েন্ট বা ০.৪৯ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১.৫১ পয়েন্ট বা ০.০৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২৯৯.৪৮ পয়েন্ট এবং ২ হাজার ২০৫.১০ পয়েন্টে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৭১টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১১টির বা ৫৬.৮৭ শতাংশের, কমেছে ১৪২টির বা ৩৮.২৮ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির বা ৪.৮৫ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৫২৭ কোটি ৪৫ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৩ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩৭৮ কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৭৩৫ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ১৪৯ কোটি ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৮ টাকা বা ৩৯.৪২ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১.৮৫ পয়েন্ট বা ০.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৫৮৫.৩৩ পয়েন্টে। সিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ২০.৩৬ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২৭.৭৬ পয়েন্ট বা ০.২১ শতাংশ এবং সিএসআই ২১.৫৩ পয়েন্ট বা ২.০৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০ হাজার ৫৯৪.৪২ পয়েন্ট, ১৩ হাজার ১১৮.৬৪ পয়েন্টে এবং সিএসআই ১ হাজর ৭৭.১৯ পয়েন্টে। তবে সিএসই-৫০ সূচক ১২.৩৪ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮৩.৪৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৯৩টির বা ৫৭.৭৮ শতাংশের দর বেড়েছে, ১২৩টির বা ৩৬.৮৩ শতাংশের কমেছে এবং ১৮টির বা ৫.৩৯ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২১১টির বা ৫৬.৮৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। সপ্তাহটিতে ফরচুন সুজের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ফরচুন সুজের শেয়ারের ক্লোজিং দর ছিল ২৬ টাকায়। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন শেষে এর শেয়ারের ক্লোজিং দর দাঁড়ায় ৩৯.৩০ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহটিতে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৩.৩০ টাকা বা ৫১.১৫ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে ফরচুন সুচ ডিএসইর সাপ্তাহিক টপটেন গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে আসে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর কপারটেকের ৪৫.৮৫ শতাংশ, রিং শাইনের ৩৯.৭৪ শতাংশ, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ২৯.০৫ শতাংশ, সাফকো স্পিনিংয়ের ২৮.১৩ শতাংশ, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ২৭.৬৬ শতাংশ, নুরানী ডাইংয়ের ২৭.১৪ শতাংশ, দেশ গার্মেন্টসের ২৬.১৮ শতাংশ, আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ২৫.৬৪ শতাংশ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৫.১৮ শতাংশ বেড়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) অপরিবর্তিত রয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৮.৪৮ পয়েন্টে যা সপ্তাহ শেষেও ১৮.৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭.৫৬ পয়েন্টে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২২.০১ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ৩৩.৯০ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৩২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৬.১২ পয়েন্টে, বীমা খাতের ২৬.৬৬ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৬০.২৩ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ১৯.৭৬ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১১.৭১ শতাংশ, চামড়া খাতের ৮৪.৯০ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ১৪.৪৮ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ৪২.৯৪ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৫১.৮০ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৯৭.১৬ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১১.৫১ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২০.৪৫ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২৮.৪৭ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই (-) ৩৮.৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

back to top