alt

অর্থ-বাণিজ্য

টানা পতনে ১৫ হাজার কোটি টাকা হারালো বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক : শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

আগের সপ্তাহে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ফিরলেও গত সপ্তাহে (২১ থেকে ২৫ নভেম্বর) প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসই পতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। এতে করে শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৬১ হাজার ৭৮ কোটি ৫৬ লাখ ১৭ হাজার ৫৬২ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৭৮ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ১৪ হাজার ৯৮১ কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৬৮৪ টাকা বা ২.৬৭ শতাংশ বাজার মূলধন হারিয়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ছয় হাজার ৩০৬ কোটি ২৫ লাখ ৫ হাজার ১৭ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ছয় হাজার ৯৯২ কোটি ৬১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮৮ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ৬৮৬ কোটি ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৭১ টাকা বা সাড়ে ১০ শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৩৯.৭৩ পয়েন্ট বা ৩.৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৮৫৩.০৯ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩৭.৯৫ পয়েন্ট বা ২.৫৬ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯২.০৮ পয়েন্ট বা ৩.৪২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৪২.৩৮ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৬০২.৮৭ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির বা ১২.৮৯ শতাংশের, কমেছে ৩১৩টির বা ৮২.৩৭ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির বা ৪.৭৪ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৬১ কোটি ৯২ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৫২ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ৩৭০ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ৯ কোটি ৮০ লাখ ৬৮ হাজার ৯০ টাকা বা ৪ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৬৫ পয়েন্ট বা ৩.২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫৮.১২ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ৩৯৯.৫৪ পয়েন্ট বা ৩.২০ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ৪৩২.৫১ পয়েন্ট বা ২.৯৭ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ৫০.৮৭ পয়েন্ট বা ৩.২৩ শতাংশ এবং সিএসআই ৩১.৮৫ পয়েন্ট বা ২.৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২ হাজার ৬০.২৬ পয়েন্টে, ১৪ হাজার ১১৩.৪৮ পয়েন্টে, এক হাজার ৫২৫.৭৮ পয়েন্টে এবং সিএসআই এক হাজার ২২৮.১৮ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৫৫টির বা ১৬.২২ শতাংশের দর বেড়েছে, ২৭০টির বা ৭৯.৬৫ শতাংশের কমেছে এবং ১৪টির বা ৪.১৩ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) তিন শতাংশ কমেছে। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৮.৭৪ পয়েন্টে। যা সপ্তাহ শেষে ১৮.১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.৫৭ পয়েন্ট বা ৩.০৪ শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ১১.৬৫ পয়েন্টে।

এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৬.৪৪ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ৩৩.৯৫ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৭.৩১ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৩.৪২ পয়েন্টে, বীমা খাতের ২১.৫৩ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ১৪.৫৫ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ৬৫.১৫ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৩.৩০ শতাংশ, চামড়া খাতের ৪১.৮৩ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৫৮.২৬ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ৯৭.৪৪ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের (-) ১৩০৬.০৭ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৫১.৬৮ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৩.১৩ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২২.২৯ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ৯৪.১৫ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই (-) ৩২.৩২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

কঠোর আইনের মাধ্যমে অর্থপাচার রোধ করেছে দ.কোরিয়া, বাংলাদেশেও দরকার

কিউকমে আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে শুরু করেছে গ্রাহকরা

ছবি

ব্যাংকারদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় মালিকপক্ষ

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ

বাস্তবায়ন হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংকের নতুন বেতন

পেপারবিহীন যুগে ডিএসই

পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে পতন

ছবি

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ

আদালত মনোনীত ফার্ম দিয়ে ইভ্যালির অডিট করানো যাবে

অদক্ষতার অজুহাতে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

ফ্রিজ, এসি আমদানিতে স্ট্যান্ডার্ড এনার্জি রেটিং আরোপের দাবি

ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন শুরু

বাণিজ্য মেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

ছবি

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংককর্মীকে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না

ছবি

করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

মূল্য সংশোধন শেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার

কিউকম গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেয়া শুরু

অর্ধেক জনবল নিয়ে চলবে ব্যাংক

ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ১৬ জেলায় ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার’

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চালু

ছবি

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ চায় সব রিক্রুটিং এজেন্সি

ছবি

কিউকমের ২০ গ্রাহক ফেরত পেলেন ৪০ লাখ টাকা

ছবি

অর্ধেক জনবল দিয়ে চলবে ব্যাংক

ছবি

ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

ছবি

আজ থেকে বিডি থাই ফুডের লেনদেন শুরু

ছবি

পুঁজিবাজারে নতুন দুই কোম্পানির দাপট

মিশ্র প্রবণতায় ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে কমেছে

ছবি

শর্ত পূরণ করতে পারলে সব ব্যবসায়ীই প্রণোদনা পাবেন : অর্থমন্ত্রী

ডেল্টা লাইফে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারবে প্রশাসক

ছয় কার্যদিবস পর শেয়ারবাজারে পতন, কমেছে সূচক, লেনদেন ও শেয়ারদর

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবে কমনওয়েলথ : সিডব্লিউইআইসি

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরামর্শ বিডব্লিউএবি’র

তরুণদের জন্য ই-কমার্স এবং এর পলিসি সহজীকরণের আহ্বান

ছবি

পাঁচ বছরে ৫০টি দেশে বাংলাদেশের ডিজিটাল যন্ত্র রপ্তানি হবে: মোস্তাফা জব্বার

tab

অর্থ-বাণিজ্য

টানা পতনে ১৫ হাজার কোটি টাকা হারালো বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

আগের সপ্তাহে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ফিরলেও গত সপ্তাহে (২১ থেকে ২৫ নভেম্বর) প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসই পতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। এতে করে শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৬১ হাজার ৭৮ কোটি ৫৬ লাখ ১৭ হাজার ৫৬২ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৭৮ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ১৪ হাজার ৯৮১ কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৬৮৪ টাকা বা ২.৬৭ শতাংশ বাজার মূলধন হারিয়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ছয় হাজার ৩০৬ কোটি ২৫ লাখ ৫ হাজার ১৭ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ছয় হাজার ৯৯২ কোটি ৬১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮৮ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ৬৮৬ কোটি ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৭১ টাকা বা সাড়ে ১০ শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৩৯.৭৩ পয়েন্ট বা ৩.৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৮৫৩.০৯ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩৭.৯৫ পয়েন্ট বা ২.৫৬ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯২.০৮ পয়েন্ট বা ৩.৪২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৪২.৩৮ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৬০২.৮৭ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির বা ১২.৮৯ শতাংশের, কমেছে ৩১৩টির বা ৮২.৩৭ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির বা ৪.৭৪ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৬১ কোটি ৯২ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৫২ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ৩৭০ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ৯ কোটি ৮০ লাখ ৬৮ হাজার ৯০ টাকা বা ৪ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৬৫ পয়েন্ট বা ৩.২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫৮.১২ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ৩৯৯.৫৪ পয়েন্ট বা ৩.২০ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ৪৩২.৫১ পয়েন্ট বা ২.৯৭ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ৫০.৮৭ পয়েন্ট বা ৩.২৩ শতাংশ এবং সিএসআই ৩১.৮৫ পয়েন্ট বা ২.৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২ হাজার ৬০.২৬ পয়েন্টে, ১৪ হাজার ১১৩.৪৮ পয়েন্টে, এক হাজার ৫২৫.৭৮ পয়েন্টে এবং সিএসআই এক হাজার ২২৮.১৮ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৫৫টির বা ১৬.২২ শতাংশের দর বেড়েছে, ২৭০টির বা ৭৯.৬৫ শতাংশের কমেছে এবং ১৪টির বা ৪.১৩ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) তিন শতাংশ কমেছে। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৮.৭৪ পয়েন্টে। যা সপ্তাহ শেষে ১৮.১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.৫৭ পয়েন্ট বা ৩.০৪ শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ১১.৬৫ পয়েন্টে।

এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৬.৪৪ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ৩৩.৯৫ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৭.৩১ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৩.৪২ পয়েন্টে, বীমা খাতের ২১.৫৩ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ১৪.৫৫ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ৬৫.১৫ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৩.৩০ শতাংশ, চামড়া খাতের ৪১.৮৩ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৫৮.২৬ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ৯৭.৪৪ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের (-) ১৩০৬.০৭ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৫১.৬৮ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৩.১৩ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২২.২৯ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ৯৪.১৫ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই (-) ৩২.৩২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

back to top