ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন শিক্ষার্থী-সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভবনা নাকচ করল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বৃহস্পতিবার, (২৮ আগস্ট ২০২৫) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত বিবিধ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে,যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এ সকল নির্বাচন সমূহের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হবার সুযোগ নেই।
আগে সেনা মোতায়েনের কথা বললেও আইএসপিআরের এই বক্তব্যের পর ব্রিফিং করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিবাচনের প্রধান রিটানিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মারুফুল হক, আচরণবিধি-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান অধ্যাপক গোলাম রব্বানীও ব্রিফিংয়ে কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং কার্যালয়ের সামনে ব্রিফিংয়ে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হবে। গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছিল, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রথম স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা থাকবেন। দ্বিতীয় স্তরে থাকবে পুলিশ। আর তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান নেবে সেনাবাহিনী।
ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে। ভোট শেষে ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র সেনাসদস্যরা ঘিরে রাখবেন। ভোট গণনার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।
এদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে স্টাইকিং ফোর্স হিসাবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব একেএম রাশিদুল আলম সম্প্রতি সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের জন্য চার প্লাটুন সেনাবাহিনী চাওয়ার কথা বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন শিক্ষার্থী-সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভবনা নাকচ করল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বৃহস্পতিবার, (২৮ আগস্ট ২০২৫) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত বিবিধ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে,যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এ সকল নির্বাচন সমূহের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হবার সুযোগ নেই।
আগে সেনা মোতায়েনের কথা বললেও আইএসপিআরের এই বক্তব্যের পর ব্রিফিং করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিবাচনের প্রধান রিটানিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মারুফুল হক, আচরণবিধি-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান অধ্যাপক গোলাম রব্বানীও ব্রিফিংয়ে কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং কার্যালয়ের সামনে ব্রিফিংয়ে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হবে। গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছিল, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রথম স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা থাকবেন। দ্বিতীয় স্তরে থাকবে পুলিশ। আর তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান নেবে সেনাবাহিনী।
ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে। ভোট শেষে ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র সেনাসদস্যরা ঘিরে রাখবেন। ভোট গণনার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।
এদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে স্টাইকিং ফোর্স হিসাবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব একেএম রাশিদুল আলম সম্প্রতি সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানান। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের জন্য চার প্লাটুন সেনাবাহিনী চাওয়ার কথা বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর।