ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, কোনো অপরাধ করলে তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের প্রার্থীদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবিদুল বলেন, “যে ঘটনাই ঘটুক না কেন, শিক্ষার্থীরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমরা কোনো অপরাধ করলে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত, কিন্তু মিথ্যা ঘটনা চাপিয়ে দেবেন না।”
এই সময় ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থী আরিফুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক প্রার্থী মেহেদী হাসানসহ অন্যরা বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচার চালান। এছাড়া জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম শহীদুল্লাহ হল এবং এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ অমর একুশে হলে প্রচার চালান।
আবিদুল ইসলাম খান জানান, “আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থীদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করার অপচেষ্টা হয়েছে। নির্বাচনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি গোষ্ঠী অনলাইনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো অভিযোগে না গিয়ে সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই যেন সহযোগিতামূলক আচরণ করে এবং অনলাইনে অপপ্রচার চলতে থাকলে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে।”
অভিযোগের পাশাপাশি আবিদুল জানালেন, “কয়েক দিন ধরে আমরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল, একাডেমিক ভবন ও ইনস্টিটিউট ঘুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। কিছু সমস্যা নিয়ে আমরা প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। অনুরোধ করব, অনলাইনে বিভিন্ন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, কোনো অপরাধ করলে তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত আছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের প্রার্থীদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবিদুল বলেন, “যে ঘটনাই ঘটুক না কেন, শিক্ষার্থীরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমরা কোনো অপরাধ করলে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত, কিন্তু মিথ্যা ঘটনা চাপিয়ে দেবেন না।”
এই সময় ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থী আরিফুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক প্রার্থী মেহেদী হাসানসহ অন্যরা বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচার চালান। এছাড়া জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম শহীদুল্লাহ হল এবং এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ অমর একুশে হলে প্রচার চালান।
আবিদুল ইসলাম খান জানান, “আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থীদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করার অপচেষ্টা হয়েছে। নির্বাচনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি গোষ্ঠী অনলাইনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো অভিযোগে না গিয়ে সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই যেন সহযোগিতামূলক আচরণ করে এবং অনলাইনে অপপ্রচার চলতে থাকলে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে।”
অভিযোগের পাশাপাশি আবিদুল জানালেন, “কয়েক দিন ধরে আমরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল, একাডেমিক ভবন ও ইনস্টিটিউট ঘুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। কিছু সমস্যা নিয়ে আমরা প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। অনুরোধ করব, অনলাইনে বিভিন্ন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”