জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী প্রার্থী হয়েছেন। নেপালের নাগরিক ও ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবিদ হুসাইন স্বতন্ত্রভাবে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বন্ধু ও প্রাক্তণরা বেশ উচ্ছ্বসিত।
আবিদ হুসাইন থাকেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে। তার বাড়ি নেপালের বারা জেলায়। নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। আইইএলটিএস, জিআরই-এর মতো দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্স জাকসুর আওতায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। প্রয়োজনে অর্থের অভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনাও তার রয়েছে।
নিজের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে আবিদ বলেন, শুধু ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়, দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হওয়া উচিত শিক্ষার্থীকে মানবসম্পদে পরিণত করা। এ ক্ষেত্রেই রয়েছে ঘাটতি। পাশাপাশি তিনি রক্তদাতাদের সংগঠনগুলোকে ‘ডিজিটালাইজড’ করার এবং ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়কে বন্ধের দিনে ‘ইকোপার্ক’ হতে দেওয়া যাবে না।
সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক পদে মোট আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আবিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশের) সাধারণ সম্পাদক আবরার হক বিন সাজেদ। তবে আবরার আবিদের প্রার্থিতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, আবিদের প্রার্থী হওয়া প্রমাণ করে জাহাঙ্গীরনগর সবার, এটি বৈশ্বিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক খো. লুৎফুল এলাহী বলেন, “আবিদকে আমরা বিদেশি হিসেবে দেখছি না। অন্যান্য ছাত্রদের মতো সেও আমাদের শিক্ষার্থী। যেমন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট দেয়।”
আবিদকে নিয়ে তার প্রাক্তণরাও গর্ব প্রকাশ করেছেন। নেপালের বারা জেলারই আরেক সাবেক শিক্ষার্থী সন্তোষ চৌধুরী বলেন, আবিদের সাহসী পদক্ষেপ অন্য নেপালি শিক্ষার্থীদের জন্য ভরসার জায়গা হবে। কাতারে কর্মরত ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তণ ইমতিয়াজ আনসারী বলেন, “আমরা তো জাকসু পাইনি। আবিদ শুধু নেপালি নয়, জাবির সব শিক্ষার্থীর জন্য কাজ করবে বলে বিশ্বাস করি।”
জাকসুর নির্বাচনি প্রচার চলবে ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে সিনেট হল থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী প্রার্থী হয়েছেন। নেপালের নাগরিক ও ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবিদ হুসাইন স্বতন্ত্রভাবে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বন্ধু ও প্রাক্তণরা বেশ উচ্ছ্বসিত।
আবিদ হুসাইন থাকেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে। তার বাড়ি নেপালের বারা জেলায়। নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। আইইএলটিএস, জিআরই-এর মতো দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্স জাকসুর আওতায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। প্রয়োজনে অর্থের অভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনাও তার রয়েছে।
নিজের প্রার্থিতা প্রসঙ্গে আবিদ বলেন, শুধু ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়, দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হওয়া উচিত শিক্ষার্থীকে মানবসম্পদে পরিণত করা। এ ক্ষেত্রেই রয়েছে ঘাটতি। পাশাপাশি তিনি রক্তদাতাদের সংগঠনগুলোকে ‘ডিজিটালাইজড’ করার এবং ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়কে বন্ধের দিনে ‘ইকোপার্ক’ হতে দেওয়া যাবে না।
সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক পদে মোট আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আবিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশের) সাধারণ সম্পাদক আবরার হক বিন সাজেদ। তবে আবরার আবিদের প্রার্থিতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, আবিদের প্রার্থী হওয়া প্রমাণ করে জাহাঙ্গীরনগর সবার, এটি বৈশ্বিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক খো. লুৎফুল এলাহী বলেন, “আবিদকে আমরা বিদেশি হিসেবে দেখছি না। অন্যান্য ছাত্রদের মতো সেও আমাদের শিক্ষার্থী। যেমন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট দেয়।”
আবিদকে নিয়ে তার প্রাক্তণরাও গর্ব প্রকাশ করেছেন। নেপালের বারা জেলারই আরেক সাবেক শিক্ষার্থী সন্তোষ চৌধুরী বলেন, আবিদের সাহসী পদক্ষেপ অন্য নেপালি শিক্ষার্থীদের জন্য ভরসার জায়গা হবে। কাতারে কর্মরত ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তণ ইমতিয়াজ আনসারী বলেন, “আমরা তো জাকসু পাইনি। আবিদ শুধু নেপালি নয়, জাবির সব শিক্ষার্থীর জন্য কাজ করবে বলে বিশ্বাস করি।”
জাকসুর নির্বাচনি প্রচার চলবে ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে সিনেট হল থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।