alt

news » campus

জাকসু কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নারী হলে ১৫০ পদের মধ্যে ৫৮ ফাঁকা 

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-জাকসু নির্বাচনে ১০টি নারী হলের ১৫০ পদের মধ্যে মাত্র ৩৪টিতে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়বে।

৫৮টি পদের বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থিরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে চলেছেন। আর ৫৮টি পদে কোনো প্রার্থী নেই, সেগুলো ফাঁকা রয়েছে।

১০টি হলের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রার্থী হয়েছে ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে। সেখানে ১৫টি পদের মধ্যে বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মাত্র তিনজন। বাকি ১২টি পদই শূন্য রয়েছে।

অপরদিকে ছেলেদের ১১টি হলে ১৬৫টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৩১৬ জন। এর মধ্যে ৬১টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, ফলে তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আর বিভিন্ন হলে সাতটি পদের কেউ প্রার্থী হননি। ফলে সেগুলো ফাঁকা রয়ে গেছে। এতে ছেলেদের হলের ৯৭ পদে ভোট হবে।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই এই চিত্র উঠে এসেছে।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, জাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১৭৯ জন। এর মধ্যে ৪৬ জন নারী সদস্য বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন, যা মোট সদস্যের ২৫.৭ শতাংশ। এর ৩১ জনই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়েছেন, যা মোট নারী প্রতিনিধিত্বের প্রায় ৬৭.৪%।

গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে জাকসুতে সহসভাপতি (ভিপি) পদে নেই কোনো নারী প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন দুজন নারী।

নারী হলে প্রার্থিতার পরিস্থিতি

বেগম সুফিয়া কামাল হল: ১৫টি পদের মধ্যে নয়টিতে একাধিক প্রার্থী নেই; ছয়টি পদ শূন্য।

বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল: চারটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই; সাতটি পদ শূন্য।

রোকেয়া হল: চারটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, ছয়টি পদ শূন্য।

প্রীতিলতা হল: ১১টি পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হতে যাচ্ছেন, দুটি পদ শূন্য।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল: ছয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, নয়টি পদ শূন্য।

ফজিলতুন্নেছা হল: নয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, তিনটি পদ শূন্য।

১৩ নম্বর ছাত্রী হল: ১২টি পদ শূন্য, একটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

বেগম খালেদা জিয়া হল: সাতটি পদ শূন্য, ছয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

১৫ নম্বর হল: চারটি পদ শূন্য, আটটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

ছাত্র হলে প্রার্থিতার পরিস্থিতি

১০ নম্বর ছাত্র হল (সাবেক বঙ্গবন্ধু হল): ছয়জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

২১ নম্বর ছাত্র হল: পাঁচজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, একটি পদ ফাঁকা।

আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল: সাতজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে চলেছেন।

আল বেরুনী হল: চারটি পদে কোনো প্রার্থী পাওয়া যায়নি; পাঁচজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল: বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে যাচ্ছেন ১০ জন, একটি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল: একটি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পাওয়া যায়নি।

মওলানা ভাসানী হল: ছয়টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

মীর মশাররফ হোসেন হল: পাঁচটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

শহীদ রফিক-জব্বার হল: ছয়টি পদে প্রতিনিধি নির্ধারিত হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

শহীদ সালাম বরকত হল: দুটি পদে কোনো প্রার্থী পাওয়া যায়নি, নয়টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল: একটি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য

সর্বশেষ জাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯২ সালে। গত বছরের ৫ অগাস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে প্রায় ৩৩ বছর পরে জাকসু নির্বাচন আয়োজনে রোডম্যাপ ঘোষণার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্তত দুইবার পিছিয়ে আসে। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর রোডম্যাপ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১০ জানুয়ারি একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেও নানা ঘটনার পর ৩০ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩১ জুলাই। পরে কয়েক দফা পেছানোর পর নির্বাচনের তারিখ ঠিক করা হয় আগামী ১১ সেপ্টেম্বর।

সেই তফসিল অনুযায়ী, ১৮, ১৯ ও ২১ অগাস্ট প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয় ২১ থেকে ২৪ আগস্ট এবং খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৫ অগাস্ট।

এ ছাড়া, মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিষয়ে এবং বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ করা হয় ২৬ অগাস্ট (মঙ্গলবার)। আপিলের শুনানি হয় ২৭ অগাস্ট (বুধবার)।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ২৮ অগাস্ট। আর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৯ অগাস্ট। ৩০ অগাস্ট সকাল থেকে প্রার্থিরা প্রচার শুরু করেন।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। একইদিনে সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

ছবি

বুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, পালন হয় দেয়াললিখন কর্মসূচি

ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ শতাংশ বৈষম্যের শিকার

ছবি

জাকসু নির্বাচনে ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথপ্যানেল ঘোষণা

ছবি

ডাকসু নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংসদের ইশতেহার ঘোষণা

ছবি

জাকসু নির্বাচন: বৈচিত্র্য, বিতর্ক ও আশার আলো

ছবি

জাকসু নির্বাচনে প্রথম বিদেশি প্রার্থী নেপালের আবিদ হুসাইন

ছবি

জাকসু নির্বাচন: হলগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অবস্থান, প্রশাসনের নির্র্দেশনা জারি

ছবি

৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ

ছবি

মাটিতে ফেলে আমাকে বুট দিয়ে লাথি মেরেছে: রাফিদ

ছবি

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১০ জন

ছবি

ছাত্রদল–সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী: অপরাধ করলে শিক্ষার্থীরা আমাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে দেখবে

ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চাকসু নির্বাচনের আচরণবিধি প্রকাশ

ছবি

চাকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক

ছবি

জাকসু: ভোটের দিন পরীক্ষা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ, ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা

ছবি

ডাকসু: প্রচারণায় সরগরম ক্যাম্পাস

ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সুযোগ নেই: আইএসপিআর

ছবি

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

ছবি

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত নয়: প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা

ছবি

চলনবিলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে পরিবেশগত ঝুঁকি

ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ বছর পর চাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

ছবি

বুয়েটে পরীক্ষা বয়কট, ‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

ছবি

শিক্ষক বরখাস্ত: শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে উত্তাল ভিকারুননিসার বসুন্ধরা শাখা

ছবি

রাকসু: ক্ষোভের মুখে ৯ ঘণ্টার মধ্যে ভোটের তারিখ আবার পরিবর্তন

ছবি

জাকসু: নারী হলে পদের চেয়ে প্রার্থী কম, বামপন্থিদের বিভাজন

ছবি

রাকসু নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন

ছবি

ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদকে রুমমেটকে হত্যাচেষ্টার মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ

ছবি

ডাকসু নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন, সরানো হল প্রার্থীদের ব্যানার

ছবি

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের অভিযোগ: আচরণবিধি লঙ্ঘন ও ভোটকেন্দ্রের সমস্যা

ছবি

ঢাবির হল সংসদ নির্বাচনে লড়বেন ১ হাজার ৩৫ প্রার্থী

ছবি

রাকসু: পিছিয়ে গেলো ভোট

ছবি

জাকসু ভোটে সেনা মোতায়েন নিয়ে বিতর্ক: নিরাপত্তা ঘাটতি আসলে কতটা?

ছবি

ডাকসুর ভিপি প্রার্থী জালালকে পুলিশের হাতে সোপর্দ

ছবি

রুমমেটকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী জালাল হল থেকে বহিষ্কৃত

ছবি

জাকসু: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পরিচিত মুখের ‘অভাবে’ ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণায় বিলম্ব

ছবি

রাকসু নির্বাচন: শেষদিনেও মনোনয়ন নিলো না ছাত্রদল-শিবির, ফরম বিতরণ ৮২

ছবি

৩ দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

tab

news » campus

জাকসু কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নারী হলে ১৫০ পদের মধ্যে ৫৮ ফাঁকা 

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-জাকসু নির্বাচনে ১০টি নারী হলের ১৫০ পদের মধ্যে মাত্র ৩৪টিতে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়বে।

৫৮টি পদের বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থিরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে চলেছেন। আর ৫৮টি পদে কোনো প্রার্থী নেই, সেগুলো ফাঁকা রয়েছে।

১০টি হলের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রার্থী হয়েছে ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে। সেখানে ১৫টি পদের মধ্যে বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মাত্র তিনজন। বাকি ১২টি পদই শূন্য রয়েছে।

অপরদিকে ছেলেদের ১১টি হলে ১৬৫টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৩১৬ জন। এর মধ্যে ৬১টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, ফলে তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আর বিভিন্ন হলে সাতটি পদের কেউ প্রার্থী হননি। ফলে সেগুলো ফাঁকা রয়ে গেছে। এতে ছেলেদের হলের ৯৭ পদে ভোট হবে।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই এই চিত্র উঠে এসেছে।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, জাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১৭৯ জন। এর মধ্যে ৪৬ জন নারী সদস্য বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন, যা মোট সদস্যের ২৫.৭ শতাংশ। এর ৩১ জনই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়েছেন, যা মোট নারী প্রতিনিধিত্বের প্রায় ৬৭.৪%।

গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে জাকসুতে সহসভাপতি (ভিপি) পদে নেই কোনো নারী প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন দুজন নারী।

নারী হলে প্রার্থিতার পরিস্থিতি

বেগম সুফিয়া কামাল হল: ১৫টি পদের মধ্যে নয়টিতে একাধিক প্রার্থী নেই; ছয়টি পদ শূন্য।

বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল: চারটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই; সাতটি পদ শূন্য।

রোকেয়া হল: চারটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, ছয়টি পদ শূন্য।

প্রীতিলতা হল: ১১টি পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হতে যাচ্ছেন, দুটি পদ শূন্য।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল: ছয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, নয়টি পদ শূন্য।

ফজিলতুন্নেছা হল: নয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই, তিনটি পদ শূন্য।

১৩ নম্বর ছাত্রী হল: ১২টি পদ শূন্য, একটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

বেগম খালেদা জিয়া হল: সাতটি পদ শূন্য, ছয়টি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

১৫ নম্বর হল: চারটি পদ শূন্য, আটটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

ছাত্র হলে প্রার্থিতার পরিস্থিতি

১০ নম্বর ছাত্র হল (সাবেক বঙ্গবন্ধু হল): ছয়জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

২১ নম্বর ছাত্র হল: পাঁচজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, একটি পদ ফাঁকা।

আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল: সাতজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে চলেছেন।

আল বেরুনী হল: চারটি পদে কোনো প্রার্থী পাওয়া যায়নি; পাঁচজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল: বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে যাচ্ছেন ১০ জন, একটি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল: একটি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পাওয়া যায়নি।

মওলানা ভাসানী হল: ছয়টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

মীর মশাররফ হোসেন হল: পাঁচটি পদে একাধিক প্রার্থী নেই।

শহীদ রফিক-জব্বার হল: ছয়টি পদে প্রতিনিধি নির্ধারিত হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

শহীদ সালাম বরকত হল: দুটি পদে কোনো প্রার্থী পাওয়া যায়নি, নয়টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল: একটি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য

সর্বশেষ জাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯২ সালে। গত বছরের ৫ অগাস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে প্রায় ৩৩ বছর পরে জাকসু নির্বাচন আয়োজনে রোডম্যাপ ঘোষণার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্তত দুইবার পিছিয়ে আসে। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর রোডম্যাপ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১০ জানুয়ারি একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেও নানা ঘটনার পর ৩০ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩১ জুলাই। পরে কয়েক দফা পেছানোর পর নির্বাচনের তারিখ ঠিক করা হয় আগামী ১১ সেপ্টেম্বর।

সেই তফসিল অনুযায়ী, ১৮, ১৯ ও ২১ অগাস্ট প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয় ২১ থেকে ২৪ আগস্ট এবং খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৫ অগাস্ট।

এ ছাড়া, মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিষয়ে এবং বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ করা হয় ২৬ অগাস্ট (মঙ্গলবার)। আপিলের শুনানি হয় ২৭ অগাস্ট (বুধবার)।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ২৮ অগাস্ট। আর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৯ অগাস্ট। ৩০ অগাস্ট সকাল থেকে প্রার্থিরা প্রচার শুরু করেন।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। একইদিনে সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

back to top