ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংসদ প্যানেল। রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দাড়ি-টুপি, বোরকা-হিজাবসহ পোশাক ও আঞ্চলিকতাকেন্দ্রিক মোরাল পুলিশিংয়ের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত এ প্যানেল।
শনিবার মধুর ক্যান্টিনের পাশে ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের ও জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ইশতেহার ঘোষণা করেন। ভোটে জিতলে পুরো ক্যাম্পাসকে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।
ইশতেহারে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক, ছাত্রকল্যাণ, ক্যারিয়ার ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, নারী, শিক্ষার্থীদের মর্যাদা এবং ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি— এ আটটি বিষয়ে নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
আব্দুল কাদের বলেন, গত ৩৪ বছরে বিশেষ করে গত ১৭ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেউ বানিয়েছে ক্যান্টনমেন্ট, কেউ বানিয়েছে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, জুলুম-নির্যাতনের ঘাঁটি বানানো হয়েছে বাংলাদেশের আপামর জনগণের এ বিশ্ববিদ্যালয়কে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এমন ডাকসু চাই, যারা ক্ষমতাসীনদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবে, স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করবে, বৈষম্য-স্বৈরতন্ত্র বরদাশত করবে না। একাডেমিক মান উন্নয়ন করে বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”
যা আছে ইশতেহারে
একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করা, অস্ত্র ও ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির অবসান ঘটানো এবং হল ও একাডেমিক অঙ্গনে দলীয় রাজনীতি বন্ধ করা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সংগ্রামী ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখা।
৭৩ এর অধ্যাদেশের সায়ত্তশাসন অর্থবহ করতে গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং প্রশাসনিক পদে নিয়োগে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন।
ওয়ান স্টপ সলিউশন অ্যাপ চালু করে ভর্তি, রেজাল্ট, প্রবেশপত্র, বেতন পরিশোধসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম পেপারলেস করা।
রাষ্ট্র কর্তৃক বেদখল হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ একর জমি আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা।
ওয়ান কার্ড অল সার্ভিসের মাধ্যমে লাইব্রেরি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন, ক্যান্টিন, হল প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান সিট নীতিমালা বাস্তবায়ন।
স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করা, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা ছাড়ে চিকিৎসা, প্রতিটি হলে মেডিকেল অফিসার, সিক রুম এবং ২৪ ঘণ্টার ফার্মেসি স্থাপন।
দাড়ি-টুপি, বোরকা-হিজাব ও আঞ্চলিকতা কেন্দ্রিক মোরাল পুলিশিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
স্টারলিংকের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা।
ভাড়ায় চালিত পরিবহন কমিয়ে নিজস্ব বাস চালু, চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা।
শতবর্ষ উপলক্ষে মিউজিয়াম ও কালচারাল সেন্টার তৈরি।
নারী শিক্ষার্থীদের সাইবার বুলিং রোধে বিশেষ সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন।
শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য লিগ্যাল সাপোর্ট সার্ভিস চালু।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংসদ প্যানেল। রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দাড়ি-টুপি, বোরকা-হিজাবসহ পোশাক ও আঞ্চলিকতাকেন্দ্রিক মোরাল পুলিশিংয়ের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত এ প্যানেল।
শনিবার মধুর ক্যান্টিনের পাশে ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের ও জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ইশতেহার ঘোষণা করেন। ভোটে জিতলে পুরো ক্যাম্পাসকে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।
ইশতেহারে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক, ছাত্রকল্যাণ, ক্যারিয়ার ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, নারী, শিক্ষার্থীদের মর্যাদা এবং ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি— এ আটটি বিষয়ে নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
আব্দুল কাদের বলেন, গত ৩৪ বছরে বিশেষ করে গত ১৭ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেউ বানিয়েছে ক্যান্টনমেন্ট, কেউ বানিয়েছে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, জুলুম-নির্যাতনের ঘাঁটি বানানো হয়েছে বাংলাদেশের আপামর জনগণের এ বিশ্ববিদ্যালয়কে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এমন ডাকসু চাই, যারা ক্ষমতাসীনদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবে, স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করবে, বৈষম্য-স্বৈরতন্ত্র বরদাশত করবে না। একাডেমিক মান উন্নয়ন করে বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”
যা আছে ইশতেহারে
একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করা, অস্ত্র ও ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির অবসান ঘটানো এবং হল ও একাডেমিক অঙ্গনে দলীয় রাজনীতি বন্ধ করা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সংগ্রামী ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখা।
৭৩ এর অধ্যাদেশের সায়ত্তশাসন অর্থবহ করতে গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং প্রশাসনিক পদে নিয়োগে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন।
ওয়ান স্টপ সলিউশন অ্যাপ চালু করে ভর্তি, রেজাল্ট, প্রবেশপত্র, বেতন পরিশোধসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম পেপারলেস করা।
রাষ্ট্র কর্তৃক বেদখল হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ একর জমি আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা।
ওয়ান কার্ড অল সার্ভিসের মাধ্যমে লাইব্রেরি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন, ক্যান্টিন, হল প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান সিট নীতিমালা বাস্তবায়ন।
স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করা, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা ছাড়ে চিকিৎসা, প্রতিটি হলে মেডিকেল অফিসার, সিক রুম এবং ২৪ ঘণ্টার ফার্মেসি স্থাপন।
দাড়ি-টুপি, বোরকা-হিজাব ও আঞ্চলিকতা কেন্দ্রিক মোরাল পুলিশিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
স্টারলিংকের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা।
ভাড়ায় চালিত পরিবহন কমিয়ে নিজস্ব বাস চালু, চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা।
শতবর্ষ উপলক্ষে মিউজিয়াম ও কালচারাল সেন্টার তৈরি।
নারী শিক্ষার্থীদের সাইবার বুলিং রোধে বিশেষ সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন।
শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য লিগ্যাল সাপোর্ট সার্ভিস চালু।