ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ – ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বিএম ফাহমিদা আলম এ রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানি হবে মঙ্গলবার।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুন্ন হচ্ছেঃ ছাত্রদল
নির্বাচনের আগে
৪ দিনের ছুটি নিয়ে
আপত্তি অনেকের
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সকাল সোয়া ১১টার দিকে আদালতে রিটটি শুনানি করতে দাঁড়ান আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তখন আদালত মঙ্গলবার শুনবে বলে জানায়। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করে বিকেলেই শুনানির আরজি জানালে আদালত মঙ্গলবার দুপুর ২টায় শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়। রিটে এস এম ফরহাদের পক্ষে শুনানি করবেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
কী বললেন ফরহাদ
সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ বলেন, ‘রিট আরও আগে না করে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে কেন করেছে সেটা নিয়ে আমরা শঙ্কা করছি। এটা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে এ দ্বিমতকে আমরা শ্রদ্ধা করি।’
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুন্ন হচ্ছেঃ ছাত্রদল
ডাকসু নির্বাচনে বারবার আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। এ নিয়ে তাদের প্রার্থীরা এবং ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের আইন ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা চিফ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
রোববার বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে চিফ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে অভিযোগ জানানোর পর সাড়ে চারটায় সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোট সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির পরিচালিত ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে ভর্তি হয়ে আসা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার নামে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীসহ অন্য সদস্যরা খাবার খাইয়ে ভোট চেয়েছেন।’
ঢাবির ফেইসবুক গ্রুপ নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ ১ ও শিক্ষার্থী সংসদ ২ গ্রুপকে কেন্দ্র করে আমরা বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছি। আজ আবারও জানালাম যে এই গ্রুপগুলো নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করছে। অথচ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।’
দিল্লির বয়ানের’ অভিযোগ শিবিরের
ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা দিল্লির বয়ান শোনাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা তাদের লালকার্ড দেখাবে। ৯ সেপ্টেম্বর ব্যালট বিপ্লব হবে, আমাদের প্যানেলের বিজয় হবে।’
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমাদের ছবি বিকৃতির জন্য
আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। কিন্তু ৩ দিন পার হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অথচ এর ছবি-ভিডিও সবই আছে। এমন চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আশঙ্কা থেকে যায়।’
ছুটি নিয়ে আপত্তি
ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা চার দিন বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তকে দুরভিসন্ধিমূলক আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা।
তারা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চারদিনের ছুটি এবং তার আগে শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনের সরকারী ছুটি মিলে সর্বমোট ছয়দিনের ছুটি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে ভোট দিতে ‘নিরুৎসাহিত’ করার সামিল।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ – ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বিএম ফাহমিদা আলম এ রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানি হবে মঙ্গলবার।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুন্ন হচ্ছেঃ ছাত্রদল
নির্বাচনের আগে
৪ দিনের ছুটি নিয়ে
আপত্তি অনেকের
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সকাল সোয়া ১১টার দিকে আদালতে রিটটি শুনানি করতে দাঁড়ান আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তখন আদালত মঙ্গলবার শুনবে বলে জানায়। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করে বিকেলেই শুনানির আরজি জানালে আদালত মঙ্গলবার দুপুর ২টায় শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়। রিটে এস এম ফরহাদের পক্ষে শুনানি করবেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
কী বললেন ফরহাদ
সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ বলেন, ‘রিট আরও আগে না করে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে কেন করেছে সেটা নিয়ে আমরা শঙ্কা করছি। এটা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে এ দ্বিমতকে আমরা শ্রদ্ধা করি।’
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুন্ন হচ্ছেঃ ছাত্রদল
ডাকসু নির্বাচনে বারবার আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। এ নিয়ে তাদের প্রার্থীরা এবং ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের আইন ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা চিফ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
রোববার বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে চিফ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে অভিযোগ জানানোর পর সাড়ে চারটায় সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ জোট সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির পরিচালিত ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং থেকে ভর্তি হয়ে আসা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার নামে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীসহ অন্য সদস্যরা খাবার খাইয়ে ভোট চেয়েছেন।’
ঢাবির ফেইসবুক গ্রুপ নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ ১ ও শিক্ষার্থী সংসদ ২ গ্রুপকে কেন্দ্র করে আমরা বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছি। আজ আবারও জানালাম যে এই গ্রুপগুলো নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করছে। অথচ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।’
দিল্লির বয়ানের’ অভিযোগ শিবিরের
ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা দিল্লির বয়ান শোনাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা তাদের লালকার্ড দেখাবে। ৯ সেপ্টেম্বর ব্যালট বিপ্লব হবে, আমাদের প্যানেলের বিজয় হবে।’
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমাদের ছবি বিকৃতির জন্য
আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। কিন্তু ৩ দিন পার হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অথচ এর ছবি-ভিডিও সবই আছে। এমন চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আশঙ্কা থেকে যায়।’
ছুটি নিয়ে আপত্তি
ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা চার দিন বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তকে দুরভিসন্ধিমূলক আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা।
তারা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চারদিনের ছুটি এবং তার আগে শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনের সরকারী ছুটি মিলে সর্বমোট ছয়দিনের ছুটি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে ভোট দিতে ‘নিরুৎসাহিত’ করার সামিল।