পদত্যাগ পত্র দিয়ে ২৪ দিন ধরে হলে আসছেন না প্রভোস্ট
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার এলাহি হলের ডাইনিংয়ের খাবারে বড় আকৃতির পোকা পেয়েছে এক আবাসিক শিক্ষার্থী।
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) দুপুরের খাবারে এ পোকা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী দুপুরের খাওয়া বয়কট করেছে।
খাবারে পোকা পাওয়া আবাসিক শিক্ষার্থী রাশেদ হোসেন জানান, আমি খাবার নিয়ে যখন খেতে বসি তখনই দেখতে পাই বড় একটা পোকা। দেখতে কেঁচোর মতো। এরপর আর আমি খাই নাই। এসব দেখার পর আর খেতে মন চায় বলেন?
তিনি আরও বলেন, এগুলো দেখার পর খাওয়ার রুচি বন্ধ হয়ে গেছে। সব খাবার ফেলে দিয়ে আমার রুমমেটের কাছ থেকে খাবার নিয়ে খেলাম। এদিকে খাবারের মধ্যে বড় ধরনের পোকা পাওয়ার খবরে হলসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন এমনিতেই শহীদ মুখতার এলাহী হলের খাবারের মান নিম্নমানের তার ওপর রান্না করা খাবারের মধ্যে বড় ধরনের পোকা পাওয়া যাওয়ায় অনেকেই রোববার দুপুরের খাবার খাননি। তারা বলেছেন, এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পক্ষে হলের রান্না করা খাবার খাওয়া বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে হলে উন্নত খাবার পরিবেশনের নামে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ উঠলে শহীদ মুখতার এলাহি হলের প্রভোস্ট গত ৭ আগস্ট প্রভোস্টের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদান করার পর থেকে আর হলে আসছেন না। তার পদত্যাগ পত্র কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি বলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দাবি করলেও প্রভোস্ট আর হলেও আসেননি দায়িত্ব পালন করছেন না। ফলে প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে হলটি।
অন্যদিকে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত প্রায় ২৪ দিন থেকে হলে প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে শহীদ মুখতার এলাহি হল। অভিভাবকহীন হওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় চরম নৈরাজ্য চলছে হলে। কোনো কিছু দেখাশোনার কেউ নাই। চরম
অব্যবস্থাপনা চলছে সেখানে।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোকছেদুল মমিন বলেন, আজ দেখলাম হলের খাবারে ২-৩ ইঞ্চির মতো একটি কেঁচো, তাছাড়া প্রায়ই শিক্ষার্থীরা ডাইনিংয়ের খাবারের ব্যাপারে অভিযোগ করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এছাড়াও একটা লাইভ স্ট্রিমিং কিংবা ফোন কলে কথা বলতেও মিনিটে মিনিটে নেট বাফারিং। ওয়াইফাই সমস্যা আর কাটছেই না। হলের ছোট্ট একটা গেস্ট রুম সেটা ঠিকঠাক করার দিকে কোনো নজর নাই। শিক্ষার্থীদের রিডিং রুমে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হলেও এসব নিয়ে প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নাই। বড় কথা হলের প্রভোস্ট নাই- আমরা আর কতদিন এভাবে চলবো নানান সমস্যার মধ্য দিয়ে। এদিকে হলের ডাইনিং পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কাউসার আহমেদ বলেন, শাকে এত বড় পোকা পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। শাক ধোয়া হয় তারপর হাত দিয়ে ভাগ করা হয়। এইটা তো হাতেও লাগার কথা। এইটি পরিকল্পিত কিনা তাও দেখার বিষয় বলে দাবি তার।
সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে শহীদ মুখতার এলাহি হলের প্রভোস্ট ড. কামরুজ্জামানের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পদত্যাগ পত্র দিয়ে ২৪ দিন ধরে হলে আসছেন না প্রভোস্ট
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার এলাহি হলের ডাইনিংয়ের খাবারে বড় আকৃতির পোকা পেয়েছে এক আবাসিক শিক্ষার্থী।
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) দুপুরের খাবারে এ পোকা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী দুপুরের খাওয়া বয়কট করেছে।
খাবারে পোকা পাওয়া আবাসিক শিক্ষার্থী রাশেদ হোসেন জানান, আমি খাবার নিয়ে যখন খেতে বসি তখনই দেখতে পাই বড় একটা পোকা। দেখতে কেঁচোর মতো। এরপর আর আমি খাই নাই। এসব দেখার পর আর খেতে মন চায় বলেন?
তিনি আরও বলেন, এগুলো দেখার পর খাওয়ার রুচি বন্ধ হয়ে গেছে। সব খাবার ফেলে দিয়ে আমার রুমমেটের কাছ থেকে খাবার নিয়ে খেলাম। এদিকে খাবারের মধ্যে বড় ধরনের পোকা পাওয়ার খবরে হলসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন এমনিতেই শহীদ মুখতার এলাহী হলের খাবারের মান নিম্নমানের তার ওপর রান্না করা খাবারের মধ্যে বড় ধরনের পোকা পাওয়া যাওয়ায় অনেকেই রোববার দুপুরের খাবার খাননি। তারা বলেছেন, এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পক্ষে হলের রান্না করা খাবার খাওয়া বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে হলে উন্নত খাবার পরিবেশনের নামে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ উঠলে শহীদ মুখতার এলাহি হলের প্রভোস্ট গত ৭ আগস্ট প্রভোস্টের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদান করার পর থেকে আর হলে আসছেন না। তার পদত্যাগ পত্র কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি বলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দাবি করলেও প্রভোস্ট আর হলেও আসেননি দায়িত্ব পালন করছেন না। ফলে প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে হলটি।
অন্যদিকে, আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত প্রায় ২৪ দিন থেকে হলে প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে শহীদ মুখতার এলাহি হল। অভিভাবকহীন হওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় চরম নৈরাজ্য চলছে হলে। কোনো কিছু দেখাশোনার কেউ নাই। চরম
অব্যবস্থাপনা চলছে সেখানে।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোকছেদুল মমিন বলেন, আজ দেখলাম হলের খাবারে ২-৩ ইঞ্চির মতো একটি কেঁচো, তাছাড়া প্রায়ই শিক্ষার্থীরা ডাইনিংয়ের খাবারের ব্যাপারে অভিযোগ করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এছাড়াও একটা লাইভ স্ট্রিমিং কিংবা ফোন কলে কথা বলতেও মিনিটে মিনিটে নেট বাফারিং। ওয়াইফাই সমস্যা আর কাটছেই না। হলের ছোট্ট একটা গেস্ট রুম সেটা ঠিকঠাক করার দিকে কোনো নজর নাই। শিক্ষার্থীদের রিডিং রুমে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হলেও এসব নিয়ে প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নাই। বড় কথা হলের প্রভোস্ট নাই- আমরা আর কতদিন এভাবে চলবো নানান সমস্যার মধ্য দিয়ে। এদিকে হলের ডাইনিং পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কাউসার আহমেদ বলেন, শাকে এত বড় পোকা পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। শাক ধোয়া হয় তারপর হাত দিয়ে ভাগ করা হয়। এইটা তো হাতেও লাগার কথা। এইটি পরিকল্পিত কিনা তাও দেখার বিষয় বলে দাবি তার।
সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে শহীদ মুখতার এলাহি হলের প্রভোস্ট ড. কামরুজ্জামানের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।