চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা এবং প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষার্থীরা দুই দফায় মানববন্ধন করেছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রথম দফায় মানববন্ধন করেন।
পরে বিকেল ৫টায় জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল ঘোষিত প্যানেলের প্রার্থীরা দ্বিতীয় দফায় মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হামলাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
জাবি শিবির সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের’ জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এবং ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার রাতে শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা এখনও চলছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয়েছেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব রয়েছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা সেই প্রজন্ম, যারা স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়েছে। শিক্ষার্থীদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপোস নেই, হবেও না। যদি আপনারা আপোস করেন, তাহলে আপনাদের অবস্থা স্বৈরাচারের মতো হবে। দ্রুত হামলার বিচার করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ জাকসু নির্বাচনে বাগছাস সমর্থিত ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এবং মার্কেটিং বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জল বলেন, ‘রোববার রাত থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, যে শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আপনারা দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এবং ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংস হামলা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তি না দেয়া হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে চট্টগ্রামে লং মার্চ করবে।’
অন্যদিকে, বিকেলের মানববন্ধনে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ভাইদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা বাংলাদেশকে পিছিয়ে নেয়ার এবং গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা।
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা এবং প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষার্থীরা দুই দফায় মানববন্ধন করেছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রথম দফায় মানববন্ধন করেন।
পরে বিকেল ৫টায় জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল ঘোষিত প্যানেলের প্রার্থীরা দ্বিতীয় দফায় মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হামলাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
জাবি শিবির সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের’ জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এবং ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার রাতে শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা এখনও চলছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয়েছেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব রয়েছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা সেই প্রজন্ম, যারা স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়েছে। শিক্ষার্থীদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপোস নেই, হবেও না। যদি আপনারা আপোস করেন, তাহলে আপনাদের অবস্থা স্বৈরাচারের মতো হবে। দ্রুত হামলার বিচার করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ জাকসু নির্বাচনে বাগছাস সমর্থিত ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এবং মার্কেটিং বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জল বলেন, ‘রোববার রাত থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, যে শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আপনারা দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এবং ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংস হামলা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তি না দেয়া হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে চট্টগ্রামে লং মার্চ করবে।’
অন্যদিকে, বিকেলের মানববন্ধনে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ভাইদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা বাংলাদেশকে পিছিয়ে নেয়ার এবং গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা।