ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হক ও তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেলের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক জানিয়েছে, তথ্যানুসন্ধানে তাদের ‘অবৈধ’ সম্পদের প্রমাণ মেলায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজী মো মোজাম্মেল হক, তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেল এবং মেয়ে গাজী বুশরা তাবাসসুমের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ করা হয়। দুদক বলছে, গাজী মো. মোজাম্মেল হক ১৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি এন্টি টেররিজম ইউনিটে কর্মরত আছেন।
অনুসন্ধানের বরাতে দুদক বলছে, এ পুলিশ কর্মকর্তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৪৯ লাখ ১২ হাজার ৩৮২ টাকা। বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৮০ লাখ ১৮ হাজার ৩১৩ টাকার। সে হিসাবে তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার ৬৯ টাকা।
দুদক আরও জানায়, ফারজানা মোজাম্মেলের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৮৮ টাকা। বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৯০৩ টাকা। সে হিসাবে ফারজানা মোজাম্মেল অবৈধভাবে অর্জন করেছেন ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৫ টাকার সম্পদ।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হক ও তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেলের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক জানিয়েছে, তথ্যানুসন্ধানে তাদের ‘অবৈধ’ সম্পদের প্রমাণ মেলায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজী মো মোজাম্মেল হক, তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেল এবং মেয়ে গাজী বুশরা তাবাসসুমের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ করা হয়। দুদক বলছে, গাজী মো. মোজাম্মেল হক ১৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি এন্টি টেররিজম ইউনিটে কর্মরত আছেন।
অনুসন্ধানের বরাতে দুদক বলছে, এ পুলিশ কর্মকর্তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৪৯ লাখ ১২ হাজার ৩৮২ টাকা। বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৮০ লাখ ১৮ হাজার ৩১৩ টাকার। সে হিসাবে তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার ৬৯ টাকা।
দুদক আরও জানায়, ফারজানা মোজাম্মেলের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৮৮ টাকা। বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৯০৩ টাকা। সে হিসাবে ফারজানা মোজাম্মেল অবৈধভাবে অর্জন করেছেন ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৫ টাকার সম্পদ।