alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

২০ বছর পর হত্যা মামলার রায়, ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধি, মাদারীপুর: : সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২

ছবি: সংগৃহীত

অপহরণ শেষে হত্যা মামলায় ২০ বছর পর মাদারীপুরে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লা তুল ফেরদৌস এই রায় দেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার দাবি করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার আমগ্রামের এলাকার তরণী বৈদ্য (৫০), অশোক বৈদ্য (৪৮), নরেন বৈরাগী (৪৭), কালু বিশ্বাস (৪৫) ও বিজয় বেপারী (৪৫)। এছাড়া মামলার ২ নম্বর আসামি গৌরাঙ্গ বৈদ্য মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যান।

এর মধ্যে বিজয় বেপারী পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০২ সালের ১৪ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রামের গুরুপদ বৈদ্যের স্ত্রী রাধা রানী বৈদ্য ও তার দুই সন্তান। এরা আমগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় এলে জমিজমা বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে রাধা রানী বৈদ্যকে ধরে নিয়ে যায় এবং দুই সন্তানকে বেদম মারপিট করে।

মারপিটের পরের দিন ১৫ অক্টোবর রাজৈর থানায় রাধা রানী বৈদ্যের ছেলে বিষ্ণুপদ বৈদ্য বাদী হয়ে তরুণী বৈদ্য, অশোক বৈদ্যসহ ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করে। মামলার আসামি অশোক বৈদ্যকে গ্রেপ্তার করলে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে অপহরণের ১১ দিন পরে রাধা রাণী বৈদ্যের লাশ পাখুল্লার একটি বিল থেকে উদ্ধার করে। পরে মামলাটি অপহরণ শেষে হত্যার দিকে মোড় নেয়।

মাদারীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মামলাটি দীর্ঘ দিন হলেও আদালত ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ের সময়ে আদালতে চার আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং একজন পলাতক রয়েছেন। রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করছি।

২০০৩ সালে ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

মামলার বাদী বিষ্ণুপদ বৈদ্য বলেন, আমার মাকে নির্মমভাবে সামান্য ১০ শতাংশ জমির জন্য খুন করে। তখন আমি অল্প বয়সী ছিলাম। দীর্ঘ দিন পর হলেও মামলার রায় পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। আরও বেশি খুশি হবো যদি আসামিদের ফাঁসিতে ঝুঁলানো হয়। তাহলে আমার মায়ের আত্মা শান্তি পাবে। এদের কোনোভাবেই যেন ফাঁসি থেকে রক্ষা না হয়।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী জাফর আলী মিয়া বলেন, রায়ে আমার মক্কেলদের উপর ন্যায় বিচার করা হয়নি। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা রাখি, সেখানে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

১২ কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১১৭ মামলা

ছবি

ই-কমার্স কেলেঙ্কারি: জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ

ছবি

মাস্ক কেনায় কেলেংকারি: ডেল্টার সাবেক প্রশাসক কারাগারে

ছবি

পি কে হালদারকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ছবি

নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ছবি

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে প্রদীপের স্ত্রী চুমকি

সখীপুরে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় অধ্যক্ষ কারাগারে

ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা

খুলনায় ২ জঙ্গির ২০ বছর কারাদন্ড

নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

চৌমুহনীতে ব্যবসায়ী হত্যাঃ ৩ কিশোরের স্বীকারোক্তি, লাশ দাফন

ছবি

জামিন নয়, নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে পুলিশে দিলো হাইকোর্ট

ইয়াবা নিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা

বরিশালে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় গ্রেপ্তার তিন

ছবি

শরীয়তপুরে একসাথে ৪টি বাড়ীতে দুর্বিত্তদের আগুন, বৃদ্ধা নিহত

ছবি

হাজি সেলিমের আত্মসমর্পণ, যেতে হল কারাগারে

ছবি

বদির আবেদন খারিজ, এক বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ

ছবি

জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড

থানায় অভিযোগ করায় জেল থেকে বেরিয়ে তরুণকে খুন

ছবি

হাজী সেলিম আজ আদালতে আত্মসমপর্ণ করবেন

ছবি

টেন্ডার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঠিকাদারদের

ছবি

পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে দুদককে সহযোগিতার প্রস্তাব এফবিআইয়ের

জসিম হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

ছবি

বৈধ ভেন্ডরের সুযোগে অবৈধ জাল স্ট্যাম্পের কারবার

নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে তরুণী হেনস্তা, একজন গ্রেপ্তার

ব্যাংক এশিয়ার একটি শাখায় পাওয়া গেছে ঘুষের ২২৭ কোটি টাকার হিসাব

পিকে হালদারের সব শেয়ার জব্দের নির্দেশ

লালমনিরহাটে নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ছবি

ভূমি দখল, মাদক কারবারসহ নানা অপকর্মে জড়িত কবির : র‍্যাব

ছবি

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের আরেক মামলা

ছবি

শিক্ষক , খুনি, সমাজসেবী : প্রশ্নফাঁসে আটকদের পরিচয় জানালো র‍্যাব

ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগের সহসভাপতি আটক

ছবি

চাকরিতে ফেরাতে শরীফের আবেদন নাকচ করল দুদক

ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৪

ফরিদপুরে চেয়ারম্যানের শিশুপুত্র হত্যা ঘাতকের আত্মহত্যা,আটক এক

অজ্ঞান পার্টি হাতিয়ে নিল এক লাখ টাকা

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

২০ বছর পর হত্যা মামলার রায়, ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধি, মাদারীপুর:

ছবি: সংগৃহীত

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২

অপহরণ শেষে হত্যা মামলায় ২০ বছর পর মাদারীপুরে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লা তুল ফেরদৌস এই রায় দেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার দাবি করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার আমগ্রামের এলাকার তরণী বৈদ্য (৫০), অশোক বৈদ্য (৪৮), নরেন বৈরাগী (৪৭), কালু বিশ্বাস (৪৫) ও বিজয় বেপারী (৪৫)। এছাড়া মামলার ২ নম্বর আসামি গৌরাঙ্গ বৈদ্য মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যান।

এর মধ্যে বিজয় বেপারী পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০২ সালের ১৪ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রামের গুরুপদ বৈদ্যের স্ত্রী রাধা রানী বৈদ্য ও তার দুই সন্তান। এরা আমগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় এলে জমিজমা বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে রাধা রানী বৈদ্যকে ধরে নিয়ে যায় এবং দুই সন্তানকে বেদম মারপিট করে।

মারপিটের পরের দিন ১৫ অক্টোবর রাজৈর থানায় রাধা রানী বৈদ্যের ছেলে বিষ্ণুপদ বৈদ্য বাদী হয়ে তরুণী বৈদ্য, অশোক বৈদ্যসহ ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করে। মামলার আসামি অশোক বৈদ্যকে গ্রেপ্তার করলে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে অপহরণের ১১ দিন পরে রাধা রাণী বৈদ্যের লাশ পাখুল্লার একটি বিল থেকে উদ্ধার করে। পরে মামলাটি অপহরণ শেষে হত্যার দিকে মোড় নেয়।

মাদারীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মামলাটি দীর্ঘ দিন হলেও আদালত ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ের সময়ে আদালতে চার আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং একজন পলাতক রয়েছেন। রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করছি।

২০০৩ সালে ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

মামলার বাদী বিষ্ণুপদ বৈদ্য বলেন, আমার মাকে নির্মমভাবে সামান্য ১০ শতাংশ জমির জন্য খুন করে। তখন আমি অল্প বয়সী ছিলাম। দীর্ঘ দিন পর হলেও মামলার রায় পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। আরও বেশি খুশি হবো যদি আসামিদের ফাঁসিতে ঝুঁলানো হয়। তাহলে আমার মায়ের আত্মা শান্তি পাবে। এদের কোনোভাবেই যেন ফাঁসি থেকে রক্ষা না হয়।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী জাফর আলী মিয়া বলেন, রায়ে আমার মক্কেলদের উপর ন্যায় বিচার করা হয়নি। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা রাখি, সেখানে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

back to top