alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

ডেসটিনির রফিকুল, সাবেক সেনা প্রধান হারুনসহ ৪৬ জনের সাজা

আদালত বার্তা পরিবেশক : বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এক মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর এবং কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম আজ বৃহস্পতিবার মামলার এই রায় ঘোষণা করেন।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের এ মামলায় ৪৬ জন আসামির বাকীদেরও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

যে ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড।

আসামিদের মধ্যে জামিনে ছিলেন লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল।

কারাগারে ছিলেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

এ মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২০২ জনের সাক্ষ্য শুনেছে আদালত। এছাড়া আসামিদের মধ্যে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা এখন সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নাম সর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।

গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ, হুমিক দিয়ে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি নেতা আবদুল হাই গ্রেপ্তার

ছবি

ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্রকৌশলীর মৃত্যু ঘটনায় ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি

জঙ্গি নেতা আব্দুল হাই: জিজ্ঞাসাবাদে প্রশিক্ষণসহ বোমা হামলার নানা তথ্য স্বীকার করেছে

নোয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি

রমনা বটমূলসহ ২ মামলার ফাঁসির আসামি হুজির সাবেক আমির গ্রেপ্তার

ছবি

সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের কারাদণ্ড

ছবি

দুদকের মামলায় সিনহার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ছবি

মিটফোর্ডে নকল ওষুধ মজুদ ও বিক্রি, ভান্ডারি মার্কেটের নাজিমুল গ্রেফতার

ছবি

হাতিরঝিলে বাণিজ্যিক স্থাপনা-ওয়াটার ট্যাক্সি নয়: হাইকোর্ট

ছবি

সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ছবি

আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন সম্রাট

ছবি

কুমিল্লার নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন

ছবি

খালাস চেয়ে হাজী সেলিমের আপিল, জামিন আবেদন

১২ কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১১৭ মামলা

ছবি

ই-কমার্স কেলেঙ্কারি: জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ

ছবি

মাস্ক কেনায় কেলেংকারি: ডেল্টার সাবেক প্রশাসক কারাগারে

ছবি

পি কে হালদারকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ছবি

নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ছবি

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে প্রদীপের স্ত্রী চুমকি

সখীপুরে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় অধ্যক্ষ কারাগারে

ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা

খুলনায় ২ জঙ্গির ২০ বছর কারাদন্ড

নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

চৌমুহনীতে ব্যবসায়ী হত্যাঃ ৩ কিশোরের স্বীকারোক্তি, লাশ দাফন

ছবি

জামিন নয়, নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে পুলিশে দিলো হাইকোর্ট

ইয়াবা নিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা

বরিশালে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় গ্রেপ্তার তিন

ছবি

শরীয়তপুরে একসাথে ৪টি বাড়ীতে দুর্বিত্তদের আগুন, বৃদ্ধা নিহত

ছবি

হাজি সেলিমের আত্মসমর্পণ, যেতে হল কারাগারে

ছবি

বদির আবেদন খারিজ, এক বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ

ছবি

জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর কারাদণ্ড

থানায় অভিযোগ করায় জেল থেকে বেরিয়ে তরুণকে খুন

ছবি

হাজী সেলিম আজ আদালতে আত্মসমপর্ণ করবেন

ছবি

টেন্ডার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঠিকাদারদের

ছবি

পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে দুদককে সহযোগিতার প্রস্তাব এফবিআইয়ের

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

ডেসটিনির রফিকুল, সাবেক সেনা প্রধান হারুনসহ ৪৬ জনের সাজা

আদালত বার্তা পরিবেশক

বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের এক মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর এবং কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম আজ বৃহস্পতিবার মামলার এই রায় ঘোষণা করেন।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের এ মামলায় ৪৬ জন আসামির বাকীদেরও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

যে ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড।

আসামিদের মধ্যে জামিনে ছিলেন লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল।

কারাগারে ছিলেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

এ মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২০২ জনের সাক্ষ্য শুনেছে আদালত। এছাড়া আসামিদের মধ্যে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা এখন সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নাম সর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।

back to top