alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

সাড়ে চার বছরে বখাটের যন্ত্রণায় কিশোরীসহ ষাটের অধিক নারীর আত্মহত্যা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

বিগত সাড়ে চার বছরে বখাটের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ৬২ কিশোরী ও নারী আত্মহত্যা করেছেন। এ সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয় অন্তত ৮২১ জন। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে এসব তথ্যগুলো শুধু উদাহরণ মাত্র। প্রকৃত সংখ্যা আরও ভয়াবহ। যেগুলো গণমাধ্যমে বা বিভিন্ন সংস্থার জরীপে বা হিসাবে আসছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বখাটের উত্ত্যক্তের কারণে দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। অনেক কিশোরী মেয়ে যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে বখাটের হাতে হয়রানির শিকার হয়ে ১৮ নারী, ২০২০ সালে ১৪ এবং ২০২১ সালে ১২ জন আত্মহত্যা করেন। এ সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৬৬৪ জন। আর চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বখাটের হয়রানির শিকার হয়ে ৪ জন আত্মহত্যা করেছেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা ১৭ এবং উত্ত্যক্ত হয়েছেন ৮৭ জন। আর ২০০৮ সালে উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা ১৪ ও উত্ত্যক্ত হয়েছেন ১৫৭। মহিলা পরিষদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এসব তথ্য পেয়েছে।

এদিকে বেসরকারি সংগঠন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এক জরিপ বলছে, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ নারী কখনো না কখনো উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন। অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, করোনার প্রথম বছর আত্মহত্যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। মোট আত্মহত্যার ঘটনা ১৪ হাজার ৪৩৬টি। এর মধ্যে নারীর আত্মহত্যার ঘটনা ৮ হাজার ২২৮টি।

মানবাধিকারকর্মী ও মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীদের যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্ত করা বন্ধ করতে হবে। ছেলেদের সুমানসিকতা গড়ায় মা-বাবাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। আর আইনগতভাবে শাস্তির বিষয়টিও কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

আসকের পরিচালক ও মানবাধিকার আইনজীবী নীনা গোস্বামী বলেন, ঘরে-বাইরে সব জায়গায় নারীরা উত্ত্যক্তের শিকার হন। এগুলো খুব কমই সামনে আসে। আর মামলার বেশিরভাগেরই রায় আসে না। কারণ এগুলোর সাক্ষী পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, নারী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে অবশ্যই সচেতনতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। বখাটেরা শাস্তির আওতায় এলে উত্ত্যক্তকরণের সংখ্যা কিছুটা কমবে।

ছবি

পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলা নিয়ে যা বলল সিআইডি

ছবি

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার: হাইকোর্ট

সোনাইমুড়ীতে আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৯

অর্থ আত্মসাৎ : গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু

ছবি

ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি পিন্টু

ছবি

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবের শিকার রেনুর পরিবার কেমন আছে

ছবি

মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বেশি দামে বিক্রি করত তারা

হাতিয়ার মেঘনাপাড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

১৮ বছর পর গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার রায় : ২ জনের যাবজ্জীবন

ছবি

মুক্তিযোদ্ধা হোসেন হত্যা: ৬ জেএমবির ফাঁসির রায়

ছবি

অর্থ আত্মসাৎ: ওয়াসার এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

র‌্যাবকে ঘুষ দিতে গিয়ে মামলার আসামি

মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে সোয়াবিন ভর্তি ট্রাক ছিনতাই

ছবি

১৫ পর কৃষক হত্যার রায়, ৮ জনের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহের ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে বড় ভাই নিহত

ছবি

‘এমন আচরণ রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক’

সিরাজগঞ্জে হেরোইন বহনের দায়ে দু’জনের যাবজ্জীবন

ছবি

সাতক্ষীরায় আ. লীগ নেতা মোশাররফ হোসেন গুলিবিদ্ঘধ, হাসপাতালে ভর্তি

পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতি!

ছবি

নন্দীগ্রামের জীবন কুমারের আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ছবি

হানিফের হেলপার নিহতের ঘটনায় শতাব্দীর বাসচালক গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে অটোরিকশা চোর চক্রের ৯সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশ পরিচয়ে বিদেশ ফেরত যাত্রীর গাড়িতে ডাকাতি সর্বস্ব লুট

ছবি

ড. কামালের কর ফাঁকি নিয়ে রিটের আদেশ ২১ জুন

ছবি

উত্তরা থেকে ‘ধর্ষক’ গ্রেপ্তার

সাইবার অপরাধ বাড়ছে, ৬ মাসে ৪ হাজার অভিযোগ

যুক্তরাস্ট্টে দোকানের সামনেই গুলি করে নোয়াখালীর মাহফুজ হত্যা

ছবি

ঋন নিয়ে আত্মসাত: পিকে সহ ২৩ জনের নামে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

ছবি

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: প্রধান আসামি রিপন গ্রেপ্তার

ছবি

দুই মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

মহেশখালীতে হিন্দু পাড়ায় পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর হামলায় আহত - ৭

ছবি

জাজিরায় ভোটে পরাজিত প্রার্থীর হামলা; পুলিশের গুলিতে শিশু সহ আহত ৩

ছবি

দুদকের মামলায় ময়মনসিংহের সাবেক ওসি কারাগারে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে স্ত্রী ও সম্বন্ধীর প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের আত্মহত্যা

ছবি

ভবন হস্তান্তর : তুরিন আফরোজকে শোকজ

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

সাড়ে চার বছরে বখাটের যন্ত্রণায় কিশোরীসহ ষাটের অধিক নারীর আত্মহত্যা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

বিগত সাড়ে চার বছরে বখাটের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ৬২ কিশোরী ও নারী আত্মহত্যা করেছেন। এ সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয় অন্তত ৮২১ জন। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে এসব তথ্যগুলো শুধু উদাহরণ মাত্র। প্রকৃত সংখ্যা আরও ভয়াবহ। যেগুলো গণমাধ্যমে বা বিভিন্ন সংস্থার জরীপে বা হিসাবে আসছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বখাটের উত্ত্যক্তের কারণে দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। অনেক কিশোরী মেয়ে যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে বখাটের হাতে হয়রানির শিকার হয়ে ১৮ নারী, ২০২০ সালে ১৪ এবং ২০২১ সালে ১২ জন আত্মহত্যা করেন। এ সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৬৬৪ জন। আর চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বখাটের হয়রানির শিকার হয়ে ৪ জন আত্মহত্যা করেছেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা ১৭ এবং উত্ত্যক্ত হয়েছেন ৮৭ জন। আর ২০০৮ সালে উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা ১৪ ও উত্ত্যক্ত হয়েছেন ১৫৭। মহিলা পরিষদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এসব তথ্য পেয়েছে।

এদিকে বেসরকারি সংগঠন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এক জরিপ বলছে, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ নারী কখনো না কখনো উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন। অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, করোনার প্রথম বছর আত্মহত্যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। মোট আত্মহত্যার ঘটনা ১৪ হাজার ৪৩৬টি। এর মধ্যে নারীর আত্মহত্যার ঘটনা ৮ হাজার ২২৮টি।

মানবাধিকারকর্মী ও মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীদের যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্ত করা বন্ধ করতে হবে। ছেলেদের সুমানসিকতা গড়ায় মা-বাবাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। আর আইনগতভাবে শাস্তির বিষয়টিও কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

আসকের পরিচালক ও মানবাধিকার আইনজীবী নীনা গোস্বামী বলেন, ঘরে-বাইরে সব জায়গায় নারীরা উত্ত্যক্তের শিকার হন। এগুলো খুব কমই সামনে আসে। আর মামলার বেশিরভাগেরই রায় আসে না। কারণ এগুলোর সাক্ষী পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, নারী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে অবশ্যই সচেতনতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। বখাটেরা শাস্তির আওতায় এলে উত্ত্যক্তকরণের সংখ্যা কিছুটা কমবে।

back to top