alt

শিক্ষা

ছয় দফা দাবিতে মাউশিতে অবস্থান কর্মসূচি শিক্ষা ক্যাডারদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পদোন্নতি ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ ছয়দফা দাবিতে মাউশিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। তাদের দাবিগুলির মধ্যে ‘যোগ্য’ সব কর্মকর্তার পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন, আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসন, ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, শিক্ষা ক্যাডার বহিভূর্তদের প্রত্যাহার করা। এসব সমস্যা দ্রƒত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতারা।

আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূতিতে এ দাবি জানান। সকাল ১১টায় শুরু বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলে কর্মসূচি। এতে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘পদোন্নতির জন্য আমাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। পদসৃজন না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

শিক্ষা ক্যাডারের ১২ হাজার ৪৪৪টি ‘পদসৃজন’ ৯ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এখন আবার জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় বলছে আগের পদ্ধতিতে করা হবে। তাহলে এত দিন কেন ঝুঁলিয়ে রাখা হলো? আমরা ধারণা করছি, আবারও একটা দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদ করা হচ্ছে।’

ক্যাডার ‘কম্পোজিশন’ এখনো ‘অক্ষত’ আছে জানিয়ে শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘যদি সংস্কার করতে হয় তাহলে সেটা কারা করবে? অবশ্যই যারা শিক্ষা ক্যাডারে আছেন তাদের পরামর্শে হবে। কিন্তু তা করা হচ্ছে না।’

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ১৬ হাজার সদস্য রয়েছেন। তারা সারা দেশের সরকারি কলেজ, শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। তাদের অনেকে ১০-১২ বছর ধরে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। আবার কেউ কেউ ২৯ বছর চাকরি করেও সহযোগী অধ্যাপক থেকে অবসরে যাচ্ছে।

নেতাদের দাবি, বর্তমানে প্রায় সাত হাজার শিক্ষা ক্যাডার পদোন্নতিযোগ্য রয়েছেন। এর মধ্যে অধ্যাপক পদে এক হাজার ২০০ জন, সহযোগী অধ্যাপক পদে তিন হাজার জন ও সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য রয়েছেন প্রায় তিন হাজার জন। এসব কর্মকর্তা পদোন্নতিযোগ্য পদের বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমায় আছেন। অথাৎ তারা পদোন্নতি পেলেও বাড়তি কোনো আর্থিক সুবিধা পাবেন না। বিষয়টি সর্ম্পকে অবহিত থাকলেও সরকারি প্রশাসন তাদের পদোন্নতির উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে শিক্ষা সমিতির অভিযোগ।

শিক্ষক সঙ্কটে শিক্ষার মান ক্রমাগত ‘ব্যহত’ হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষা সমিতির। তারা বলেন, শিক্ষক সঙ্কট ‘ভয়াবহ আকার’ ধারণ করেছে। পদ সৃজন না হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষকরাই ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন মন্তব্য করে শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘কিন্তু তাদের প্রাপ্য সম্মান, অধিকার যদি না দেওয়া যায় তাহলে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না। পদসৃজন করেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেন।’

শিক্ষা ক্যাডার নেতাদের অভিযোগ, যথাযথ অধিকার ও মর্যাদা না পেয়ে অনেকেই শিক্ষকতা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা ক্যাডারে জুনিয়র সহকর্মীরা তাদের অধিকার না পেয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন। অনেকেই মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছেন। তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার আহবান জানিয়ে বিসিএস শিক্ষা সমিতির সভাপতি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান কমে গেছে। শিক্ষণ ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।’

ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে এটা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম, দায়িত্ব শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যক্তিদেরই দিতে হবে। আমাদের ঘর থেকে আমাদের সড়িয়ে দেওয়া যাবে না। আমাদের ঘরে আমরাই থাকবো। সারা পৃথিবীতে এমনটাই আছে।’

শিক্ষা সমিতির মহাসচিব শওকত হোসেন মোল্ল্যা বলেন, পদোন্নতির একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এরপরও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা হয়। পদোন্নতির সব যোগ্যতা অর্জনের পরও বছরের পর বছর শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগে তার।

কর্মসূচিতে সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক দবিউর রহমান, মামুন উল হক, আ জ ম রুহুল কাদীর, যুগ্ম মহাসচিব বিপুল চন্দ্র সরকার, প্রচার সচিব মোহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর, আইন সচিব দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

ছবি

এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা

ছবি

ডিজিটালাইজিং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড বিষয়ে আইসিসি’র কর্মশালা

ছবি

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি

শেষ ধাপেও কলেজ পায়নি ১২ হাজার শিক্ষার্থী, আবার থাকবে আবেদনের সুযোগ

ছবি

বেসিসে সেন্ট্রাল লজিস্টিকস ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম (সিএলটিপি) বাস্তবায়ন সম্পর্কিত কর্মশালা

ছবি

পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নেই

ছবি

নবম দিনের মতো সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে জবি শিক্ষকরা

ছবি

এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনে এইউএসটি’র শিক্ষার্থীরা

ছবি

গোপালগঞ্জে স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং ভাষার উপর ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করলেন ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার

ছবি

‘স্মার্ট শিক্ষা ও স্মার্ট গবেষণার মাধ্যমে স্মার্ট সিটিজেন গড়ে তুলতে হবে’

ছবি

প্রাথমিক বিদ্যালয় হবে শুদ্ধাচার চর্চার আঁতুড়ঘর : প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ছবি

নারী, প্রতিবন্ধী ও নৃগোষ্ঠীর জন্য কোটা চায় গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট

ছবি

সপ্তাহ পেরোলো জবি শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি 

ছবি

কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ, প্রাথমিকে সেরা সাহস স্কুল

ছবি

বারি ও ডিআইইউ এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি

ছবি

মোবাইল ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিং ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে বাংলাদেশে অষ্ট্রেলিয়ার ২২ শিক্ষার্থী

প্রত্যয় স্কিম নিয়ে পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যাখা শুভঙ্করের ফাঁকি : জবি শিক্ষক সমিতি

ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্বর্ণপদক পেলেন

ছবি

শাহরাস্তিতে মোবাইল ফোনে নকল করার দায়ে শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ছবি

এইচএসসি পরীক্ষার দিনে বৃষ্টি হলে সময় বাড়ানোর নির্দেশ

ছবি

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

ছবি

জামালপুরে একটি সংস্থার কার্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রদান

এইচ এসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

ছবি

পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে এবার কর্মবিরতিতে যাচ্ছে জবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

ছবি

ঢাবিতে দুদিনব্যাপী সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত

ছবি

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাজারমুখী দক্ষ জনশক্তি প্রস্তুত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

পেনশন নয়, এটা তো ইন্স্যুরেন্স!

ছবি

গবেষণায় বাজেট বরাদ্দে বৈষম্যের শিকার জবি

ছবি

২০ কোটি টাকা ঢাবির বাজেট গবেষণায় বরাদ্দ

ছবি

বৃষ্টি উপেক্ষা করে জবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি

ছবি

যবিপ্রবি ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৯ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার

ছবি

প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে জবি শিক্ষককদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি

প্রথম ধাপে কলেজ পায়নি ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী

ছবি

১০-১৯ বছর বয়সের ৬৫ লাখ ছাত্রীকে ‘আয়রন ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট’ খাওয়ানো হচ্ছে

ছবি

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদনে প্রথম ধাপে কলেজ পায়নি ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী

tab

শিক্ষা

ছয় দফা দাবিতে মাউশিতে অবস্থান কর্মসূচি শিক্ষা ক্যাডারদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পদোন্নতি ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ ছয়দফা দাবিতে মাউশিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। তাদের দাবিগুলির মধ্যে ‘যোগ্য’ সব কর্মকর্তার পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন, আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসন, ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, শিক্ষা ক্যাডার বহিভূর্তদের প্রত্যাহার করা। এসব সমস্যা দ্রƒত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতারা।

আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূতিতে এ দাবি জানান। সকাল ১১টায় শুরু বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলে কর্মসূচি। এতে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘পদোন্নতির জন্য আমাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। পদসৃজন না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

শিক্ষা ক্যাডারের ১২ হাজার ৪৪৪টি ‘পদসৃজন’ ৯ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এখন আবার জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় বলছে আগের পদ্ধতিতে করা হবে। তাহলে এত দিন কেন ঝুঁলিয়ে রাখা হলো? আমরা ধারণা করছি, আবারও একটা দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদ করা হচ্ছে।’

ক্যাডার ‘কম্পোজিশন’ এখনো ‘অক্ষত’ আছে জানিয়ে শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘যদি সংস্কার করতে হয় তাহলে সেটা কারা করবে? অবশ্যই যারা শিক্ষা ক্যাডারে আছেন তাদের পরামর্শে হবে। কিন্তু তা করা হচ্ছে না।’

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ১৬ হাজার সদস্য রয়েছেন। তারা সারা দেশের সরকারি কলেজ, শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। তাদের অনেকে ১০-১২ বছর ধরে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। আবার কেউ কেউ ২৯ বছর চাকরি করেও সহযোগী অধ্যাপক থেকে অবসরে যাচ্ছে।

নেতাদের দাবি, বর্তমানে প্রায় সাত হাজার শিক্ষা ক্যাডার পদোন্নতিযোগ্য রয়েছেন। এর মধ্যে অধ্যাপক পদে এক হাজার ২০০ জন, সহযোগী অধ্যাপক পদে তিন হাজার জন ও সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি যোগ্য রয়েছেন প্রায় তিন হাজার জন। এসব কর্মকর্তা পদোন্নতিযোগ্য পদের বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ সীমায় আছেন। অথাৎ তারা পদোন্নতি পেলেও বাড়তি কোনো আর্থিক সুবিধা পাবেন না। বিষয়টি সর্ম্পকে অবহিত থাকলেও সরকারি প্রশাসন তাদের পদোন্নতির উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে শিক্ষা সমিতির অভিযোগ।

শিক্ষক সঙ্কটে শিক্ষার মান ক্রমাগত ‘ব্যহত’ হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষা সমিতির। তারা বলেন, শিক্ষক সঙ্কট ‘ভয়াবহ আকার’ ধারণ করেছে। পদ সৃজন না হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষকরাই ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন মন্তব্য করে শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘কিন্তু তাদের প্রাপ্য সম্মান, অধিকার যদি না দেওয়া যায় তাহলে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না। পদসৃজন করেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেন।’

শিক্ষা ক্যাডার নেতাদের অভিযোগ, যথাযথ অধিকার ও মর্যাদা না পেয়ে অনেকেই শিক্ষকতা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা ক্যাডারে জুনিয়র সহকর্মীরা তাদের অধিকার না পেয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন। অনেকেই মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছেন। তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার আহবান জানিয়ে বিসিএস শিক্ষা সমিতির সভাপতি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান কমে গেছে। শিক্ষণ ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।’

ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে এটা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম, দায়িত্ব শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যক্তিদেরই দিতে হবে। আমাদের ঘর থেকে আমাদের সড়িয়ে দেওয়া যাবে না। আমাদের ঘরে আমরাই থাকবো। সারা পৃথিবীতে এমনটাই আছে।’

শিক্ষা সমিতির মহাসচিব শওকত হোসেন মোল্ল্যা বলেন, পদোন্নতির একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এরপরও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা হয়। পদোন্নতির সব যোগ্যতা অর্জনের পরও বছরের পর বছর শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগে তার।

কর্মসূচিতে সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক দবিউর রহমান, মামুন উল হক, আ জ ম রুহুল কাদীর, যুগ্ম মহাসচিব বিপুল চন্দ্র সরকার, প্রচার সচিব মোহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর, আইন সচিব দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

back to top