alt

শিক্ষা

ঢাবির ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, তিন বছরেও হয়নি পরীক্ষার নম্বরে অসঙ্গতির তদন্ত রিপোর্ট

খালেদ মাহমুদ. ঢাবি প্রতিনিধি : সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছিল ২০১৭ সালে। এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। অভিযুক্ত দুই অধ্যাপক হচ্ছেন বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন ও বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান।

বিভাগ ও সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে প্রত্যাশিত নম্বর না পাওয়ায় পুন:নিরীক্ষণের আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তাতেও পরিবর্তন না আসায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর ফের আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। এতে ১১ শিক্ষার্থীর ৩২ স্থানে নম্বর কম-বেশি করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়ম করার অভিযোগ ওঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে কলা অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন-আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন ও সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা। কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় তিন বছর অতিবাহিত হতে চলছে। এখনো দেয়া হয়নি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠলে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হয়। বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট দিতে পরিকল্পিপতভাবে সময় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, অধিকতর তদন্তের জন্য আমাদেরকে ঘটনাটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। এটা অনেক বড় কাজ ছিলো। আমরা তখন ফলাফলগুলো বের করেছিলাম। অনেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। কিন্তু করোনার কারণে তখন তদন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের খুব শীঘ্রই ডাকবো। আশা করছি, আগামী মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।

তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, কোভিডের কারণে আমরা তদন্তের কাজটি এগিয়ে নিতে পারিনি। তদন্ত কাজ অনেক এগিয়েছে। কিন্তু এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্ত কমিটির প্রধান হয়তো শীগ্রই সভা ডাকবেন। যা যা করার দরকার আমরা করবো।

অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান বলেন, ফলাফল নিরীক্ষণে সমস্যা হয়েছে বলেই আমি নিজে থেকেই চিঠি দিয়ে সেটা সংশোধন করে দিয়েছিলাম। দেশেতো আরো অনেক সমস্যা আছে।এখন আবার নতুন করে এটা মাথা ব্যাথার কারণ হলো কেন?

ছবি

এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

আবার রাস্তায় শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান

ছবি

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১ এপ্রিল

পরীক্ষায় ফেল করায় রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র

ছবি

আন্দোলন অব্যাহত শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের, এবার উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ছবি

ইরাবের সভাপতি অভিজিৎ, সম্পাদক আকতারুজ্জামান

এডুকেশন রিপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অভিজিৎ সম্পাদক আকতারুজ্জামান

ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তথ্য গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ছবি

একাদশে ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

ছবি

স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রো-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক নওজিয়া

ছবি

ঢাবির ডিন নির্বাচনে জয় পেল আ.লীগপন্থীরা

ছবি

জবিতে শ্রেনীকক্ষ সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

ছবি

এনার্জেটিক ফিউচার লিডারশিপ প্রোগ্রামের (ইএফএলপি) ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ছবি

টিকা ছাড়া স্কুল-কলেজে যেতে পারবে না শিক্ষার্থীরা

ছবি

শুধু শিক্ষা নয়, সুশিক্ষার পাশাপাশি মানুষ হতে হবে: নাহিদ

ছবি

সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

করোনা : ফের সশরীরে ক্লাস বন্ধ জাহাঙ্গীরনগরে

ছবি

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকেরা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা

ছবি

ঢাবির আসনসংখ্যা ১ হাজার কমিয়ে আনার উদ্যোগ

ছবি

ঢাবির ভর্তির আসন সংখ্যা পুনঃনির্ধারণের সুপারিশ

ছবি

রাবিতে ‘দ্বিতীয়বার’ ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রাখার দাবি

ছবি

করোনা বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফের বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পাচ্ছেন ইবির ১৬ শিক্ষার্থী

ছবি

উই এর নারী উদ্যোক্তাদের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর লাইব্রেরী উপহার ভারতীয় হাইকমিশনারের

ছবি

উৎসব ছাড়াই শিশুদের হাতে নতুন বই

ছবি

২০২২ শিক্ষাবর্ষের ক্লাসের সূচি প্রকাশ

ছবি

ইংরেজি ও গণিতের কারণে বেড়েছে পাসের হার

ছবি

পাসের হার ও জিপিএ-৫, এগিয়ে মেয়েরা

ছবি

সারাদেশে ১৮ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি

ছবি

এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে

ছবি

দেশসেরা ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ছবি

ঢাকা বোর্ডে পাস ৯৩.১৩ শতাংশ

ছবি

পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

ছবি

এসএসসি ও সমমানের ফল জানবেন যেভাবে

ছবি

কাল এসএসসির ফল, জানা যাবে যেভাবে

ছবি

রাজনীতি সচেতন হতে হবে শিক্ষার্থীদের: দীপু মনি

tab

শিক্ষা

ঢাবির ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, তিন বছরেও হয়নি পরীক্ষার নম্বরে অসঙ্গতির তদন্ত রিপোর্ট

খালেদ মাহমুদ. ঢাবি প্রতিনিধি

সোমবার, ২২ নভেম্বর ২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছিল ২০১৭ সালে। এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। অভিযুক্ত দুই অধ্যাপক হচ্ছেন বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন ও বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান।

বিভাগ ও সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে প্রত্যাশিত নম্বর না পাওয়ায় পুন:নিরীক্ষণের আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তাতেও পরিবর্তন না আসায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর ফের আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। এতে ১১ শিক্ষার্থীর ৩২ স্থানে নম্বর কম-বেশি করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়ম করার অভিযোগ ওঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে কলা অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন-আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন ও সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা। কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় তিন বছর অতিবাহিত হতে চলছে। এখনো দেয়া হয়নি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠলে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হয়। বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট দিতে পরিকল্পিপতভাবে সময় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, অধিকতর তদন্তের জন্য আমাদেরকে ঘটনাটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। এটা অনেক বড় কাজ ছিলো। আমরা তখন ফলাফলগুলো বের করেছিলাম। অনেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। কিন্তু করোনার কারণে তখন তদন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের খুব শীঘ্রই ডাকবো। আশা করছি, আগামী মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।

তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, কোভিডের কারণে আমরা তদন্তের কাজটি এগিয়ে নিতে পারিনি। তদন্ত কাজ অনেক এগিয়েছে। কিন্তু এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্ত কমিটির প্রধান হয়তো শীগ্রই সভা ডাকবেন। যা যা করার দরকার আমরা করবো।

অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান বলেন, ফলাফল নিরীক্ষণে সমস্যা হয়েছে বলেই আমি নিজে থেকেই চিঠি দিয়ে সেটা সংশোধন করে দিয়েছিলাম। দেশেতো আরো অনেক সমস্যা আছে।এখন আবার নতুন করে এটা মাথা ব্যাথার কারণ হলো কেন?

back to top