alt

শিক্ষা

জবিতে শ্রেনীকক্ষ সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

জবি প্রতিনিধি: : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শ্রেণীকক্ষ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। এক বিভাগের শিক্ষার্থীরা অন্য বিভাগের শ্রেণিকক্ষ ধার করে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোয় সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভোগ। আবার কয়েক বিভাগের শিক্ষকরা একই সাথে একই রুম শেয়ার করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর এ সংকট আরও প্রকট হবে বলে মনে করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৬ টি অনুষদের অধীন ৩৬ টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউিট থাকলেও সে তুলনায় ক্লাসরুম নেই। বিভাগগুলোর নিজস্ব ক্লাসরুম থাকলেও সেগুলো প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। প্রত্যেকটি বিভাগে কমপক্ষে ৫ টি করে ব্যাচ অধ্যয়নরত থাকলেও ক্লাসরুম রয়েছে সর্বোচ্চ ২-৩টি। যার ফলে এক সেমিস্টারের ক্লাস শেষ হতে না হতেই অন্য সেমিস্টার এর শিক্ষার্থীরা ওই ক্লাসরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে ক্লাস রুমে অবস্থানরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনোসংযোগে যেমন ব্যাঘাত ঘটে তেমনি দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরাও অস্বস্তিবোধ করেন। এদিকে ১৩ তলাবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবনের কাজ শেষ হলেও ভবনটির ১০ম থেকে ১৩ তম পর্যন্ত ৪ টি তলা ফাঁকা পড়ে থাকলেও সেখানে নতুন কোনো বিভাগকে স্থানান্তর করা হয়নি।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচতলায় করোনাকালীন বন্ধের আগে ছয়টি ক্লাসরুম ছিল। সেখানে পরিসংখ্যান বিভাগের দুটি কক্ষ, গণিত বিভাগের একটি, রসায়ন বিভাগের একটি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি সেমিনার কক্ষ ছিল। পরে রফিক ভবনের নিচতলায় সংস্কার করে একপাশে আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার, কাউন্সিলিং সেন্টার ও অন্যপাশে রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস করা হয়। যার ফলে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে একটি মাত্র ক্লাসরুম।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রফিক ভবনের নিচতলায় দুইটা ক্লাসরুমে রেজিষ্টার দপ্তরের অফিস হওয়ার পর অবশিষ্ট ক্লাসরুমের সংখ্যা মাত্র একটি। এতে করে বিভাগের ৫ টি ব্যাচের ক্লাস করার জন্য ক্লাসরুম মাত্র একটি। এই একটি ক্লাসরুমে তাদের ৫ টি ব্যাচের ক্লাস-পরীক্ষা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। নিয়মিত ক্লাস এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়াও পরিসংখ্যান বিভাগের প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য একটি মাত্র টয়লেট বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়া নাম মাত্র একটি ল্যাব রয়েছে যেখানে বিশ জনের বেশি ক্লাস করা যায় না। যেখানে বেশিরভাগ কম্পিউটারই নষ্ট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউটিলিটি ভবনে রয়েছে তিনটি বিভাগ- সংগীত, নাট্যকলা ও চারুকলা। তিনটি বিভাগেই রয়েছে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সঙ্কট। এই তিন বিভাগের ব্যবহারিক ক্লাসের সময় তীব্র সমস্যায় পড়তে হয় বলে জানান শিক্ষার্থীরা। নাট্যকলায় বর্তমান মাস্টার্স ও নতুন ব্যাচসহ একইসাথে ৮ টি ব্যাচ অধ্যয়নরত থাকলেও বিভাগের ক্লাসরুম মাত্র ৪ টি। এক ব্যাচের ব্যবহারিক থাকলে আরেক ব্যাচ ক্লাস করতে পারে না। ক্লাস শিডিউল থাকলেও বাতিল হয়।

লোকপ্রশাসন বিভাগের শ্রেণীকক্ষ সংকটের পাশাপাশি বর্ষাকালে কক্ষে পানি ঢুকে যায়, উপর থেকে পলেস্তারা খসে নিচে পড়ে। বিভাগটিতে শিক্ষকদের বসার জন্যেও পর্যাপ্ত কক্ষ নেই। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকদের একাধিক কক্ষ থাকলেও শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষ মাত্র একটি। বাকি দুটি রুম উন্মুক্ত লাইব্রেরির জন্য ব্যবহার করে। জরুরি প্রয়োজনে শ্রেণীকক্ষ ধার করে ক্লাস করতে হয় শিক্ষার্থীদের।

নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শামস্ শাহরিয়ার কবি বলেন, আমাদের শ্রেণীকক্ষ সংকট চরম পর্যায়ে। খুব কষ্ট করে আমাদের ক্লাস নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সুবিধা দিতে পারি না, কষ্ট লাগে। আমাদের বিভাগের কয়েকটি রুম স্টোরের কথা বলে তালা মেরে রাখা হয়েছে। অসংখ্যবার আমরা রুমের জন্য আবেদন করেছি, সাড়া পাইনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্ষ বরাদ্দ কমিটির আহ্বায়ক ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্ষ বরাদ্দ হবে। আমরা চেষ্টা করছি এটা সমাধান করার। এই সংকট সমাধান করা রাতারাতির কোনো বিষয় নয়। গত ৫ জানুয়ারি ডিন ও চেয়ারম্যানদের নিয়ে আমাদের মিটিং হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শ্রেণীকক্ষ কোনো বিভাগের একার না। দুপুরের পর আমাদের অনেক বিভাগের ক্লাস থাকে না। সে সময় ওই শ্রেণীকক্ষগুলোতে অন্য বিভাগের ক্লাস দেয়া যায় কিনা সেটা ভাবছি। উপাচার্য মহোদয় এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন।

৩০ জানুয়ারি থেকে ফাজিল পরীক্ষা হচ্ছে না

ছবি

শাবির দুই সাবেক শিক্ষার্থীকে আটকের অভিযোগ

ছবি

‘বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে, অভিযোগ শাবি শিক্ষার্থীদের

ছবি

সনদ বিক্রি করছে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ছবি

শাবিপ্রবিতে অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

ছবি

শাবিপ্রবির আন্দোলনের সমর্থনে ঢাবিতে প্রতীকী অনশন করবে শিক্ষক নেটওয়ার্ক

ছবি

হাইস্কুলের মেয়েদের নিয়ে সপ্তাহব্যাপী প্রোগ্রামিং কোর্স অনুষ্ঠিত

ছবি

গভীর রাতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, সমাধান না আসায় অনশন চলবে

ছবি

চলমান পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ছবি

অনশন ভেঙে আলোচনায় বসার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

ছবি

অনলাইনে ক্লাস নেওয়াসহ মাউশির ১১ দফা নির্দেশনা

ছবি

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শাবির পাঁচ শিক্ষক

ছবি

মেধাবীদের পথচলায় সহযোগী হল ঢাবির কলা অনুষদ

ছবি

শাবিপ্রবিতে চতুর্থ দিনের অনশন : ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি

ছবি

হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

ছবি

বাধ্য হয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

৩৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ

ছবি

সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ঢাবির অফিস

ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

ছবি

এসএসসির পুনর্নিরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ

ছবি

ঢাবির ২২ শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত, স্বাস্থ‌্যবিধি জোরদার

ছবি

৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

ছবি

৪৩তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণ ১৫২২৯ জন

ছবি

আজ প্রকাশ হতে পারে ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল

ছবি

শীতের সারা রাত ছিলেন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে, হাসপাতালে দুজন

ছবি

এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

আবার রাস্তায় শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান

ছবি

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১ এপ্রিল

পরীক্ষায় ফেল করায় রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র

ছবি

আন্দোলন অব্যাহত শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের, এবার উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ছবি

ইরাবের সভাপতি অভিজিৎ, সম্পাদক আকতারুজ্জামান

এডুকেশন রিপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অভিজিৎ সম্পাদক আকতারুজ্জামান

ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তথ্য গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ছবি

একাদশে ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

ছবি

স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রো-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক নওজিয়া

ছবি

ঢাবির ডিন নির্বাচনে জয় পেল আ.লীগপন্থীরা

tab

শিক্ষা

জবিতে শ্রেনীকক্ষ সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

জবি প্রতিনিধি:

ফাইল ছবি

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শ্রেণীকক্ষ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। এক বিভাগের শিক্ষার্থীরা অন্য বিভাগের শ্রেণিকক্ষ ধার করে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোয় সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভোগ। আবার কয়েক বিভাগের শিক্ষকরা একই সাথে একই রুম শেয়ার করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর এ সংকট আরও প্রকট হবে বলে মনে করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৬ টি অনুষদের অধীন ৩৬ টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউিট থাকলেও সে তুলনায় ক্লাসরুম নেই। বিভাগগুলোর নিজস্ব ক্লাসরুম থাকলেও সেগুলো প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। প্রত্যেকটি বিভাগে কমপক্ষে ৫ টি করে ব্যাচ অধ্যয়নরত থাকলেও ক্লাসরুম রয়েছে সর্বোচ্চ ২-৩টি। যার ফলে এক সেমিস্টারের ক্লাস শেষ হতে না হতেই অন্য সেমিস্টার এর শিক্ষার্থীরা ওই ক্লাসরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে ক্লাস রুমে অবস্থানরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনোসংযোগে যেমন ব্যাঘাত ঘটে তেমনি দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরাও অস্বস্তিবোধ করেন। এদিকে ১৩ তলাবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবনের কাজ শেষ হলেও ভবনটির ১০ম থেকে ১৩ তম পর্যন্ত ৪ টি তলা ফাঁকা পড়ে থাকলেও সেখানে নতুন কোনো বিভাগকে স্থানান্তর করা হয়নি।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচতলায় করোনাকালীন বন্ধের আগে ছয়টি ক্লাসরুম ছিল। সেখানে পরিসংখ্যান বিভাগের দুটি কক্ষ, গণিত বিভাগের একটি, রসায়ন বিভাগের একটি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি সেমিনার কক্ষ ছিল। পরে রফিক ভবনের নিচতলায় সংস্কার করে একপাশে আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টার, কাউন্সিলিং সেন্টার ও অন্যপাশে রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস করা হয়। যার ফলে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে একটি মাত্র ক্লাসরুম।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রফিক ভবনের নিচতলায় দুইটা ক্লাসরুমে রেজিষ্টার দপ্তরের অফিস হওয়ার পর অবশিষ্ট ক্লাসরুমের সংখ্যা মাত্র একটি। এতে করে বিভাগের ৫ টি ব্যাচের ক্লাস করার জন্য ক্লাসরুম মাত্র একটি। এই একটি ক্লাসরুমে তাদের ৫ টি ব্যাচের ক্লাস-পরীক্ষা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। নিয়মিত ক্লাস এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়াও পরিসংখ্যান বিভাগের প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য একটি মাত্র টয়লেট বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়া নাম মাত্র একটি ল্যাব রয়েছে যেখানে বিশ জনের বেশি ক্লাস করা যায় না। যেখানে বেশিরভাগ কম্পিউটারই নষ্ট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউটিলিটি ভবনে রয়েছে তিনটি বিভাগ- সংগীত, নাট্যকলা ও চারুকলা। তিনটি বিভাগেই রয়েছে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সঙ্কট। এই তিন বিভাগের ব্যবহারিক ক্লাসের সময় তীব্র সমস্যায় পড়তে হয় বলে জানান শিক্ষার্থীরা। নাট্যকলায় বর্তমান মাস্টার্স ও নতুন ব্যাচসহ একইসাথে ৮ টি ব্যাচ অধ্যয়নরত থাকলেও বিভাগের ক্লাসরুম মাত্র ৪ টি। এক ব্যাচের ব্যবহারিক থাকলে আরেক ব্যাচ ক্লাস করতে পারে না। ক্লাস শিডিউল থাকলেও বাতিল হয়।

লোকপ্রশাসন বিভাগের শ্রেণীকক্ষ সংকটের পাশাপাশি বর্ষাকালে কক্ষে পানি ঢুকে যায়, উপর থেকে পলেস্তারা খসে নিচে পড়ে। বিভাগটিতে শিক্ষকদের বসার জন্যেও পর্যাপ্ত কক্ষ নেই। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকদের একাধিক কক্ষ থাকলেও শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষ মাত্র একটি। বাকি দুটি রুম উন্মুক্ত লাইব্রেরির জন্য ব্যবহার করে। জরুরি প্রয়োজনে শ্রেণীকক্ষ ধার করে ক্লাস করতে হয় শিক্ষার্থীদের।

নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শামস্ শাহরিয়ার কবি বলেন, আমাদের শ্রেণীকক্ষ সংকট চরম পর্যায়ে। খুব কষ্ট করে আমাদের ক্লাস নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সুবিধা দিতে পারি না, কষ্ট লাগে। আমাদের বিভাগের কয়েকটি রুম স্টোরের কথা বলে তালা মেরে রাখা হয়েছে। অসংখ্যবার আমরা রুমের জন্য আবেদন করেছি, সাড়া পাইনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্ষ বরাদ্দ কমিটির আহ্বায়ক ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্ষ বরাদ্দ হবে। আমরা চেষ্টা করছি এটা সমাধান করার। এই সংকট সমাধান করা রাতারাতির কোনো বিষয় নয়। গত ৫ জানুয়ারি ডিন ও চেয়ারম্যানদের নিয়ে আমাদের মিটিং হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শ্রেণীকক্ষ কোনো বিভাগের একার না। দুপুরের পর আমাদের অনেক বিভাগের ক্লাস থাকে না। সে সময় ওই শ্রেণীকক্ষগুলোতে অন্য বিভাগের ক্লাস দেয়া যায় কিনা সেটা ভাবছি। উপাচার্য মহোদয় এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন।

back to top