ভারতের অবস্থান অনড় থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রও তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো সরাসরি ভারতকে সমালোচনা করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কিনে ভারতীয় শোধনাগারগুলো তা প্রক্রিয়াজাত করে কালোবাজারে বিক্রি করছে এবং মুনাফা অর্জন করছে। এভাবে রাশিয়ার কাছে অর্থ পৌঁছাচ্ছে, যা ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নাভারো অভিযোগ করেন, ভারতের বড় তেল কোম্পানিগুলো দেশটিকে এক বিশাল পরিশোধন কেন্দ্রে পরিণত করেছে। প্রতিদিন তারা ১০ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত পেট্রোপণ্য রপ্তানি করছে। তিনি আরও বলেছেন, শান্তির পথ আংশিক হলেও দিল্লির ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু ভারতের ‘আচরণ’ যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করছে।
একই সুরে ট্রাম্পের আরেক উপদেষ্টা কেভিন হাসেট জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ছাড় দেবেন না। বাজার খোলা নিয়ে ভারত ‘একগুঁয়েমি’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ফলে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনার কোনো অগ্রগতি এখনই হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপান সফরে আছেন এবং পরে তিনি চীনের তিয়ানজিনে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের নজর আপাতত সেদিকেই।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
ভারতের অবস্থান অনড় থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রও তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো সরাসরি ভারতকে সমালোচনা করে বলেছেন, রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কিনে ভারতীয় শোধনাগারগুলো তা প্রক্রিয়াজাত করে কালোবাজারে বিক্রি করছে এবং মুনাফা অর্জন করছে। এভাবে রাশিয়ার কাছে অর্থ পৌঁছাচ্ছে, যা ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নাভারো অভিযোগ করেন, ভারতের বড় তেল কোম্পানিগুলো দেশটিকে এক বিশাল পরিশোধন কেন্দ্রে পরিণত করেছে। প্রতিদিন তারা ১০ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত পেট্রোপণ্য রপ্তানি করছে। তিনি আরও বলেছেন, শান্তির পথ আংশিক হলেও দিল্লির ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু ভারতের ‘আচরণ’ যুক্তরাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত করছে।
একই সুরে ট্রাম্পের আরেক উপদেষ্টা কেভিন হাসেট জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ছাড় দেবেন না। বাজার খোলা নিয়ে ভারত ‘একগুঁয়েমি’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ফলে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনার কোনো অগ্রগতি এখনই হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপান সফরে আছেন এবং পরে তিনি চীনের তিয়ানজিনে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের নজর আপাতত সেদিকেই।