যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। আদালত বলেছে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না; এটি কংগ্রেসের এখতিয়ার।
সাত-চার ভোটে দেওয়া এই রায়ে ট্রাম্পের আরোপিত বেশিরভাগ বৈশ্বিক শুল্কসহ কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিল করা হয়েছে। তবে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের শুল্ক বহাল থাকবে, কারণ সেগুলো ভিন্ন ক্ষমতাবলে আরোপিত হয়েছিল। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, কর ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতেই থাকবে।
১২৭ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করা হয়, আইইইপিএতে কোথাও ‘শুল্ক’ শব্দটি নেই, কিংবা প্রেসিডেন্টকে এমন ক্ষমতা দেওয়ার কোনো সুরক্ষাও রাখা হয়নি। কংগ্রেস যখন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিতে চায়, তখন আইন প্রণয়নে ‘ট্যারিফ’ বা ‘ডিউটি’র মতো শব্দ ব্যবহার করে স্পষ্ট করে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে করা মামলার প্রেক্ষিতে এ রায় দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প গত এপ্রিলে নির্বাহী আদেশ দিয়ে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের ওপর ১০ শতাংশ মূল শুল্ক আরোপ করেছিলেন এবং ডজনখানেক দেশের জন্য আলাদা "পারস্পরিক শুল্ক" ঘোষণা করেছিলেন।
ট্রাম্প আদালতের রায়কে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, “এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।” নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ তিনি আরও লিখেছেন, “আমাদের শুল্ক তুলে নিলে আমেরিকা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। এটি দেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় হবে।”
রায়টি ১৪ অক্টোবরের আগে কার্যকর হবে না, যাতে প্রশাসন চাইলে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারে। এখন নয়জন বিচারপতির সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা গড়ালে ট্রাম্পের শুল্ক কর্মসূচি বৈধ কিনা তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।
হোয়াইট হাউসের আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব শুল্ক বাতিল হলে তা জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি ও অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ হতে পারে। তবে আদালতের রায়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক কমানো নিয়ে যেসব দেশ চুক্তি করেছিল, সেগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। আদালত বলেছে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না; এটি কংগ্রেসের এখতিয়ার।
সাত-চার ভোটে দেওয়া এই রায়ে ট্রাম্পের আরোপিত বেশিরভাগ বৈশ্বিক শুল্কসহ কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিল করা হয়েছে। তবে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের শুল্ক বহাল থাকবে, কারণ সেগুলো ভিন্ন ক্ষমতাবলে আরোপিত হয়েছিল। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, কর ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতেই থাকবে।
১২৭ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করা হয়, আইইইপিএতে কোথাও ‘শুল্ক’ শব্দটি নেই, কিংবা প্রেসিডেন্টকে এমন ক্ষমতা দেওয়ার কোনো সুরক্ষাও রাখা হয়নি। কংগ্রেস যখন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিতে চায়, তখন আইন প্রণয়নে ‘ট্যারিফ’ বা ‘ডিউটি’র মতো শব্দ ব্যবহার করে স্পষ্ট করে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে করা মামলার প্রেক্ষিতে এ রায় দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প গত এপ্রিলে নির্বাহী আদেশ দিয়ে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের ওপর ১০ শতাংশ মূল শুল্ক আরোপ করেছিলেন এবং ডজনখানেক দেশের জন্য আলাদা "পারস্পরিক শুল্ক" ঘোষণা করেছিলেন।
ট্রাম্প আদালতের রায়কে তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, “এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।” নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ তিনি আরও লিখেছেন, “আমাদের শুল্ক তুলে নিলে আমেরিকা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। এটি দেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় হবে।”
রায়টি ১৪ অক্টোবরের আগে কার্যকর হবে না, যাতে প্রশাসন চাইলে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারে। এখন নয়জন বিচারপতির সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা গড়ালে ট্রাম্পের শুল্ক কর্মসূচি বৈধ কিনা তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।
হোয়াইট হাউসের আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব শুল্ক বাতিল হলে তা জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি ও অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ হতে পারে। তবে আদালতের রায়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক কমানো নিয়ে যেসব দেশ চুক্তি করেছিল, সেগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে।