alt

আন্তর্জাতিক

উইঘুর ইস্যুতে চীনের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

জিনজিয়াংয়ের মুসলিম উইঘুর জনগোষ্ঠীর জন্য আইনের শাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ৪৩টি দেশ।

জাতিসংঘে গতকাল বৃহস্পতিবার পঠিত এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয়ান ও এশিয়ান দেশ। তাদের অভিযোগ উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীন মানবাধিকার হরণ করেই যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্যাতন, জোর করে বন্ধ্যাকরণ এবং গুম।

যৌথ ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা চীনকে অবিলম্বে জিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার এবং তার কার্যালয়সহ স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের অর্থবহ এবং অবাধ প্রবেশাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

ফ্রান্সের পঠিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জিনজিয়াংয়ের উইঘুর সায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন।’ সেখানে রাজনৈতিক পুনঃশিক্ষণ শিবিরের বড় নেটওয়ার্ক থাকার ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রতিবেদন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে। এসব শিবিরে লাখ লাখ মানুষকে বিনা বিচারে আটক রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

চীনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে উইঘুর এবং অন্য মূলত মুসলিম তাজিকদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ উঠছে। আর তা ক্রমাগত অস্বীকার করে আসছে বেইজিং। বিশেষজ্ঞদের ধারণা সেখানে দশ লাখেরও বেশি মানুষকে বন্দি শিবিরে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৪৩ দেশের ওই যৌথ বিবৃতিকে ‘মিথ্যা এবং চীনকে আঘাতের ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বেইজিংয়ের দূত ঝ্যাং জান। তিনি বলেন, ‘জিনজিয়াংয়ের জনগণ উন্নয়ন উপভোগ করছে এবং সেখানকার মানুষ প্রতিদিন মুক্ত হয়ে উঠছে আর তৈরি করা অগ্রগতিতে তারা গর্বিত।’

এদিকে সাংবাদিকদের চীনা দূত বলেছেন, ওই অঞ্চলে বন্ধুত্বপূর্ণ সফর আয়োজনে বেইজিং সম্মত। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মাধ্যমে তদন্তে রাজি নন তিনি। ওয়াশিংটন, প্যারিস এবং লন্ডনের মানবাধিকার পরিস্থিতির রেকর্ড ভয়াহ বলে অভিযোগ করেন চীনা দূত।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্থানীয় আমেরিকানদের বিরুদ্ধে অমানবিক জাতিগত নির্মূলতা চালানোর অভিযোগ তুলে থাকে চীন। এছাড়া ফ্রান্সের বিরুদ্ধে উপনিবেশিক আমলের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ করে থাকে বেইজিং।

উল্লেখ্য, ২০১৯ ও ২০২০ সালেও একই ধরণের বিবৃতিতে দিয়ে চীনের নিন্দা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে বেইজিং গণহত্যা চালাচ্ছে। এসব ঘোষণায় সমর্থন না দিতে সদস্য দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করে চীন।

ছবি

‘ওমিক্রন’ এশিয়ায় বাড়ছে

ছবি

সাধারণ ঠাণ্ডার ভাইরাসের জিনগত বৈশিষ্ট্য মিলেছে ওমিক্রনে

ছবি

নারীর সম্মতি ছাড়া তাকে বিয়ে করা যাবে না, ডিক্রি আফগানিস্তানে

ছবি

প্রস্তুতি নিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান ডাব্লিউএইচওর

ছবি

টানা ৬ সপ্তাহে বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ৫ রাজ্যে ওমিক্রনের থাবা

ছবি

ওমিক্রন: ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নয়, টিকার পক্ষে ডব্লিউএইচও

ছবি

মালয়েশিয়ায় ওমিক্রন, নিষেধাজ্ঞা জারি ভ্রমণে

ছবি

রানওয়ে থেকে ঠেলে বিমান সরালেন যাত্রীরা

ছবি

অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকায় রক্ত জমাট বাঁধার কারণ জানা গেল

ছবি

গাদ্দাফিপুত্রের প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে আর বাধা নেই

ছবি

প্রতি বছরই করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে : ফাইজার প্রধান

ছবি

পাগড়ি-শেরোয়ানি পরে ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে গেলেন কনে

ছবি

বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্ত

ছবি

ওমিক্রন : কতটা মারাত্মক?

ছবি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের আহ্বান তালেবানের

ছবি

এবার ভারতে ২ জনের ওমিক্রন শনাক্ত

ছবি

ওমিক্রন সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পেতে আরও ‘দুই সপ্তাহ’ লাগতে পারে

ছবি

ফোর্বসের ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ -তে বাংলাদেশি তরুণী বাশিমা

ছবি

ওমিক্রন: কতটা মারাত্মক?

ছবি

সৌদি আরবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

ছবি

ওমিক্রন পৌঁছেছে ২০ দেশে, শনাক্তের আগেই ছিল ইউরোপে

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিক্ষার্থী

ছবি

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের এক-তৃতীয়াংশ কর্মী যৌন হয়রানির শিকার

ছবি

সু চির মামলার রায় হঠাৎ স্থগিত

ছবি

ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই : বাইডেন

ছবি

ওমিক্রন আক্রান্তদের উপসর্গ কতটা গুরুতর

ছবি

করোনায় আরো ৫ হাজারের বেশি মৃত্যু

ছবি

ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেবে না যুক্তরাজ্য-ইসরায়েল

ছবি

ফের মুখোমুখি হচ্ছে বাইডেন-পুতিন

ভারতের লোকসভায় কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাস

ছবি

হুয়াওয়ে’র ইনোভেশন সেন্টার উদ্বোধন করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ছবি

ওমিক্রন: ভারতের ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

ছবি

করোনাভাইরাস ‘ওমিক্রন’ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫ তথ্য

ছবি

আত্মহত্যা করতে চাইলে টিকা নিতে হবে

tab

আন্তর্জাতিক

উইঘুর ইস্যুতে চীনের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

জিনজিয়াংয়ের মুসলিম উইঘুর জনগোষ্ঠীর জন্য আইনের শাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ৪৩টি দেশ।

জাতিসংঘে গতকাল বৃহস্পতিবার পঠিত এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয়ান ও এশিয়ান দেশ। তাদের অভিযোগ উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীন মানবাধিকার হরণ করেই যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্যাতন, জোর করে বন্ধ্যাকরণ এবং গুম।

যৌথ ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা চীনকে অবিলম্বে জিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার এবং তার কার্যালয়সহ স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের অর্থবহ এবং অবাধ প্রবেশাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

ফ্রান্সের পঠিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জিনজিয়াংয়ের উইঘুর সায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন।’ সেখানে রাজনৈতিক পুনঃশিক্ষণ শিবিরের বড় নেটওয়ার্ক থাকার ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রতিবেদন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে। এসব শিবিরে লাখ লাখ মানুষকে বিনা বিচারে আটক রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

চীনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে উইঘুর এবং অন্য মূলত মুসলিম তাজিকদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ উঠছে। আর তা ক্রমাগত অস্বীকার করে আসছে বেইজিং। বিশেষজ্ঞদের ধারণা সেখানে দশ লাখেরও বেশি মানুষকে বন্দি শিবিরে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৪৩ দেশের ওই যৌথ বিবৃতিকে ‘মিথ্যা এবং চীনকে আঘাতের ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বেইজিংয়ের দূত ঝ্যাং জান। তিনি বলেন, ‘জিনজিয়াংয়ের জনগণ উন্নয়ন উপভোগ করছে এবং সেখানকার মানুষ প্রতিদিন মুক্ত হয়ে উঠছে আর তৈরি করা অগ্রগতিতে তারা গর্বিত।’

এদিকে সাংবাদিকদের চীনা দূত বলেছেন, ওই অঞ্চলে বন্ধুত্বপূর্ণ সফর আয়োজনে বেইজিং সম্মত। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মাধ্যমে তদন্তে রাজি নন তিনি। ওয়াশিংটন, প্যারিস এবং লন্ডনের মানবাধিকার পরিস্থিতির রেকর্ড ভয়াহ বলে অভিযোগ করেন চীনা দূত।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্থানীয় আমেরিকানদের বিরুদ্ধে অমানবিক জাতিগত নির্মূলতা চালানোর অভিযোগ তুলে থাকে চীন। এছাড়া ফ্রান্সের বিরুদ্ধে উপনিবেশিক আমলের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ করে থাকে বেইজিং।

উল্লেখ্য, ২০১৯ ও ২০২০ সালেও একই ধরণের বিবৃতিতে দিয়ে চীনের নিন্দা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ তোলে বেইজিং গণহত্যা চালাচ্ছে। এসব ঘোষণায় সমর্থন না দিতে সদস্য দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করে চীন।

back to top