বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআইএ) নেতৃবৃন্দ গত ২৬ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। বিএসআই এসভাপতি এম এ জব্বারের নেতৃত্বে বিএসআইএ প্রতিনিধি দলে অন্যান্যেও মধ্যে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এম ই চৌধুরী শামিম, পরিচালক কামরুল আহসান দেওয়ানজী, মুনির আহমেদ ও আশিকুর রহমান তানিম এবং বিএসআইএ-র জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এনায়েতুর রহমান।
বিএসআইএ সভাপতি সম্ভাবনাময় সেমিকন্ডাক্টর খাতে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের অবস্থা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবেলায় সম্ভাব্য করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন। কেবল রপ্তানি বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক কারণে নয়, বরং প্রতি বছর কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং ইলেকট্রিকাল এবং ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশ^বিদ্যালয়গুলো থেকে যারা গ্রাজুয়েট হয়ে বের হচ্ছে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য জায়গা হতে যাচ্ছে দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাত।
এখানে উল্লেখ্য যে, সেমিকন্ডাক্টর খাত ২০৩০ সাল নাগাদ ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রিতে উন্নীত হবে এবং একই সময়ে বিশ^ব্যাপী ১০ লক্ষ পেশাদার কর্মীর ঘাটতি হবে। বাণিজ্য উপদেষ্টা এ খাতের দৃশ্যমান উন্নয়নে ও তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান। একই সাথে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব রকম নীতিগত সহায়তা প্রদানের আশ^াস প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআইএ) নেতৃবৃন্দ গত ২৬ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। বিএসআই এসভাপতি এম এ জব্বারের নেতৃত্বে বিএসআইএ প্রতিনিধি দলে অন্যান্যেও মধ্যে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এম ই চৌধুরী শামিম, পরিচালক কামরুল আহসান দেওয়ানজী, মুনির আহমেদ ও আশিকুর রহমান তানিম এবং বিএসআইএ-র জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এনায়েতুর রহমান।
বিএসআইএ সভাপতি সম্ভাবনাময় সেমিকন্ডাক্টর খাতে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের অবস্থা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবেলায় সম্ভাব্য করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন। কেবল রপ্তানি বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক কারণে নয়, বরং প্রতি বছর কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং ইলেকট্রিকাল এবং ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশ^বিদ্যালয়গুলো থেকে যারা গ্রাজুয়েট হয়ে বের হচ্ছে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য জায়গা হতে যাচ্ছে দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাত।
এখানে উল্লেখ্য যে, সেমিকন্ডাক্টর খাত ২০৩০ সাল নাগাদ ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রিতে উন্নীত হবে এবং একই সময়ে বিশ^ব্যাপী ১০ লক্ষ পেশাদার কর্মীর ঘাটতি হবে। বাণিজ্য উপদেষ্টা এ খাতের দৃশ্যমান উন্নয়নে ও তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান। একই সাথে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব রকম নীতিগত সহায়তা প্রদানের আশ^াস প্রদান করেন।