alt

মিডিয়া

ভিসা নীতিঃ সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ব্যাখ্যা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপরও ভিসা নীতি প্রয়োগ হতে পারে - ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সাম্প্রতিক এই মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাকে চিঠি দিয়েছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ। জবাবে পিটার হাস সংবাদপত্রের ‘স্বাধীনতা’, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার’ অধিকার প্রয়োগের বিষয়ে তার সরকারের ‘প্রতিশ্রুতি’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমকে কেউ মতামত প্রকাশ করা থেকে ‘বিরত রাখার পদক্ষেপ’ নিলে ‘তার ক্ষেত্রেও ভিসা নীতি প্রযোজ্য‘ হবে। আর তিনি বলেছেন বাংলাদেশের ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে প্রতীয়মান’ হয়, এমন যেকোনো বাংলাদেশির জন্য ভিসানীতি প্রযোজ্য।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্‌ফুজ আনাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের পাঠানো এক বিবৃতিতে শনিবার এ কথা জানানো হয়।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্ফুজ আনামের চিঠির জবাবে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, গণমাধ্যমের মতপ্রকাশের ’স্বাধীনতার অধিকারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো সরকারের সমালোচনামূলক মতামতও অন্তর্ভুক্ত’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমাদের নীতির যেকোনো বিষয়ে জনমতের প্রতিফলনকে আমরা স্বাগত জানাই।’

সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমও মার্কিন ভিসা নীতির আওতায় আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন পিটার হাস।

২৪ সেপ্টেম্বর প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে পিটার হাস বলেছিলেন, তারা ভিসা নীতি ‘ভারসাম্যপূর্ণ উপায়ে’ যে কারও বিরুদ্ধে প্রয়োগ করছেন।এর আওতায় যারা পড়বেন তারা সরকার সমর্থক, বিরোধী দল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ এবং মিডিয়াও হতে পারে বলে জানান তিনি।

এ বছরের ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য ভিসা নীতি ঘোষণা করে। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশে ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়ায়’ বাধাদানকারী ব্যক্তিদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্ফুজ আনাম ২৭ সেপ্টেম্বর পিটার হাসকে চিঠি দেন। ই–মেইলে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের ওপর ভিসা নীতি প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে সম্পাদক পরিষদের সদস্যদের মনে ‘কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে’। ‘সত্যি বলতে (পিটার হাসের) ওই মন্তব্য তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।’ তাই এ বিষয়ে ব্যাখ্যার অনুরোধ জানান তিনি। চিঠিতে তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে সব সময় মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পক্ষে অটল। সেখানে এই মন্তব্য তাদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।’

মাহ্ফুজ আনাম লেখেন, ‘গণমাধ্যমের কাজ হলো লেখা কিংবা সম্প্রচার করা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একজন সাংবাদিক যা লেখেন বা সম্প্রচার করেন, তার ওপর ভিত্তি করে ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে কি না? যদি তাই হয়, তাহলে এটি কি বাক্‌স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার আওতায় আসে না? গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে এটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে? এখানে কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে?’

মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী সব সময়ই ব্যক্তিগতভাবে তার এবং বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে। সে ক্ষেত্রে ভিসা নীতি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে এই নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রথম সংশোধনীর মূল্যবোধ এখানে কীভাবে প্রতিফলিত হবে?’

এর জবাবে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং যারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করতে চায়, তাদের জন্য মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগ করবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে উদ্ধৃত করে পিটার হাস বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম— সবার। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটিকে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালনের সুযোগ দিতে হবে।’

পিটার হাস বলেন, ‘অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের ওই বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে ভিসা নীতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়, এমন যেকোনো বাংলাদেশির জন্য প্রযোজ্য। গণমাধ্যমকে কেউ মতামত প্রচার করা থেকে বিরত রাখার পদক্ষেপ নিলে তার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হবে।’

ছবি

মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কমান্ডের নির্বাচন

ছবি

নোয়াবের নতুন কমিটি, আবারও সভাপতি এ.কে.আজাদ

‘সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে ৭০ অনুচ্ছেদ বাধা হবে না’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের এক যুগপূর্তি

মানিক সাহাসহ সাংবাদিক হত্যাকা-ে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি

ছবি

উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ক্র্যাবের ভোটগ্রহণ

ছবি

চারণসাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী কাল

ছবি

নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের নেতৃত্বে মতিন-ফয়সাল

ছবি

অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে নোয়াবের মতবিনিময় সভা

ছবি

শিশুবিষয়ক খবরে গণমাধ্যমকে বেশী গুরুত্ব দেয়ার আহবান

ছবি

নরসিংদী প্রেস ক্লাবের নব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের শপথ গ্রহণ

ছবি

আহমদুল কবির কখনো প্রাসঙ্গিকতা হারাবেন না

চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে সভা

ছবি

গুজব রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি

সাংবাদিকরা ভুল করলে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হবে - প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

ছবি

ক্ষমা না চাইলে বিএনপির সংবাদ পরিহারের ডাক ডিইউজের

মাহেলা বেগম

ছবি

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

ছবি

সাগর-রুনি হত্যা : ১০২ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

ছবি

কপিরাইট বিল পাস

ছবি

ওয়ার্ল্ড ভিশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সংবাদ প্রতিবেদকসহ ৬ সাংবাদিক

ছবি

ওয়ার্ল্ড ভিশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সংবাদ প্রতিবেদকসহ ৬ সাংবাদিক

ছবি

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন করভি রাখসান্দ

ছবি

সাংবাদিক হাববিুর রহমান খান মারা গেছেন

ছবি

কক্সবাজার কণ্ঠ হোক গণমানুষের কন্ঠ: মতবিনিময় সভায় বক্তারা

ছবি

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছানোর সেঞ্চুরি

ছবি

জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. শাহজাহান মিয়া আর নেই

ছবি

কার্টুনিস্ট এমএ কুদ্দুস আর নেই

ছবি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পেশাগত দায়িত্ব পালনে হুমকি তৈরি করছে

ছবি

পি কে হালদারের বান্ধবী নাহিদা রুনাইয়ের জামিন স্থগিত

ছবি

৯৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

ছবি

ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাদী, সাধারণ সম্পাদক মাহী

ছবি

কলকাতার ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাবে বাংলাদেশের আম উৎসব

ছবি

সাংবাদিক নাদিম হত্যা: জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সম্পাদক পরিষদের

tab

মিডিয়া

ভিসা নীতিঃ সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ব্যাখ্যা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপরও ভিসা নীতি প্রয়োগ হতে পারে - ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সাম্প্রতিক এই মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাকে চিঠি দিয়েছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ। জবাবে পিটার হাস সংবাদপত্রের ‘স্বাধীনতা’, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার’ অধিকার প্রয়োগের বিষয়ে তার সরকারের ‘প্রতিশ্রুতি’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমকে কেউ মতামত প্রকাশ করা থেকে ‘বিরত রাখার পদক্ষেপ’ নিলে ‘তার ক্ষেত্রেও ভিসা নীতি প্রযোজ্য‘ হবে। আর তিনি বলেছেন বাংলাদেশের ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে প্রতীয়মান’ হয়, এমন যেকোনো বাংলাদেশির জন্য ভিসানীতি প্রযোজ্য।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্‌ফুজ আনাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের পাঠানো এক বিবৃতিতে শনিবার এ কথা জানানো হয়।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্ফুজ আনামের চিঠির জবাবে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, গণমাধ্যমের মতপ্রকাশের ’স্বাধীনতার অধিকারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো সরকারের সমালোচনামূলক মতামতও অন্তর্ভুক্ত’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমাদের নীতির যেকোনো বিষয়ে জনমতের প্রতিফলনকে আমরা স্বাগত জানাই।’

সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমও মার্কিন ভিসা নীতির আওতায় আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন পিটার হাস।

২৪ সেপ্টেম্বর প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে পিটার হাস বলেছিলেন, তারা ভিসা নীতি ‘ভারসাম্যপূর্ণ উপায়ে’ যে কারও বিরুদ্ধে প্রয়োগ করছেন।এর আওতায় যারা পড়বেন তারা সরকার সমর্থক, বিরোধী দল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ এবং মিডিয়াও হতে পারে বলে জানান তিনি।

এ বছরের ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য ভিসা নীতি ঘোষণা করে। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশে ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়ায়’ বাধাদানকারী ব্যক্তিদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।

সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সভাপতি মাহ্ফুজ আনাম ২৭ সেপ্টেম্বর পিটার হাসকে চিঠি দেন। ই–মেইলে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের ওপর ভিসা নীতি প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে সম্পাদক পরিষদের সদস্যদের মনে ‘কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে’। ‘সত্যি বলতে (পিটার হাসের) ওই মন্তব্য তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।’ তাই এ বিষয়ে ব্যাখ্যার অনুরোধ জানান তিনি। চিঠিতে তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে সব সময় মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পক্ষে অটল। সেখানে এই মন্তব্য তাদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।’

মাহ্ফুজ আনাম লেখেন, ‘গণমাধ্যমের কাজ হলো লেখা কিংবা সম্প্রচার করা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একজন সাংবাদিক যা লেখেন বা সম্প্রচার করেন, তার ওপর ভিত্তি করে ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে কি না? যদি তাই হয়, তাহলে এটি কি বাক্‌স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার আওতায় আসে না? গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে এটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে? এখানে কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে?’

মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী সব সময়ই ব্যক্তিগতভাবে তার এবং বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে। সে ক্ষেত্রে ভিসা নীতি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে এই নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রথম সংশোধনীর মূল্যবোধ এখানে কীভাবে প্রতিফলিত হবে?’

এর জবাবে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং যারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করতে চায়, তাদের জন্য মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগ করবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে উদ্ধৃত করে পিটার হাস বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম— সবার। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিটিকে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালনের সুযোগ দিতে হবে।’

পিটার হাস বলেন, ‘অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের ওই বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে ভিসা নীতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়, এমন যেকোনো বাংলাদেশির জন্য প্রযোজ্য। গণমাধ্যমকে কেউ মতামত প্রচার করা থেকে বিরত রাখার পদক্ষেপ নিলে তার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হবে।’

back to top