alt

রাজনীতি

তিন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : রোববার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী (সংসদ সদস্য নন এমন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী একজন উপদেষ্টাও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

রোববার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং চারজন উপমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তাদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম সংসদ সদস্য না হওয়ায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

পদত্যাগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “কেবিনেট ডিভিশনে খোঁজ নেন, কেবিনেট ডিভিশন বলতে পারবে। কেবিনেট ডিভিশনের খবর আমাদের দেওয়ার কথা না।”

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে যারা সংসদ সদস্য নন, তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

মসিউর রহমান ছাড়াও ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা, ড. গওহর রিজভী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা, সজীব আহমেদ ওয়াজেদ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সালমান ফজলুর রহমান বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের মধ্যে সালমান ফজলুর রহমান ছাড়া অন্যরা সংসদ সদস্য নন।

মসিউর রহমান ছাড়া প্রধানমন্ত্রী অন্য কোনো উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না।

তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, “এখন নির্বাচনকালীন সরকার‌। তফসিল ঘোষণার পর টেকনোক্রাট মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- এসব পদ থাকে না, এটাই তো নিয়ম।”

সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে কিছু বলা নেই। ২০১৮ সালের নভেম্বরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিন টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলা হয় এবং তারা পদত্যাগপত্র জমাও দেন। বাকি মন্ত্রীরা সবাই রুটিন কাজ করে গেছেন।

সেসময় যেসব মন্ত্রী পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন, তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় এক মাস পর, অর্থাৎ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর ঠিক আগের দিন।

এর আগে ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুরোনো কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে নতুন করে ছয়জনকে যুক্ত করা হয়।

গত ৩১ অক্টোবরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালে যেভাবে নির্বাচনকালীন সরকার পরিচালনা করা হয়েছিল, এবারও একই রকম পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রচার চালানোর সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।

ছবি

জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাবে গণতন্ত্রী পার্টি: ডা. শাহাদাত

ছবি

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্রই বরদাশত করা হবে নাঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ছবি

শেখ হাসিনা চীন হতে শূন্য হাতে ফিরেছেন : রিজভী

ছবি

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী: ওবায়দুল কাদের

ছবি

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা

ছবি

স্বাধীনতাবিরোধীরা এ আন্দোলনের সঙ্গে মিশে গেছে বলে আমি আপনি সবাই বুঝে গেছি : আিইনমন্ত্রী

ছবি

কোটা সংস্কারের নামে বিএনপি জামায়াতের সন্তানেরা মাঠে নেমেছে - মাইনুল হোসেন নিখিল

ছবি

সরকার মেধাবী জাতি গঠনে অনাগ্রহী: আমির খসরু

ছয় বছর আগের মামলায় ছয় যুবদল নেতার কারাদণ্ড

ছবি

জবি : অভিযুক্তদের প্রটোকলেই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি

ছবি

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের

ছবি

জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীমের চাঁদাবাজির মামলা তদন্তে সিআইডি, প্রতিবেদন ২২ জুলাই

ছবি

কোটার সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, আদালতের: ওবায়দুল কাদের

ছবি

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১

ছবি

প্রশ্নফাঁস ও টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ : জবি শাখার বিরুদ্ধে কাল তদন্তে নামছে কেন্দ্রীয় তদন্ত কমিটি

ছবি

কোটা এবং পেনশনবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন আছে: ফখরুল

ছবি

এখন কারো গায়ে চুলকায়, কারো অন্তরে জ্বালা: কাদের

ছবি

দেশের পক্ষে কথা বলার কোনও সরকার এখানে নেই : গণতন্ত্র মঞ্চ

ছবি

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, জবি শাখার তদন্তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

ছবি

অচল হয়ে পড়েছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

ছবি

কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে জাবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

ছবি

যারা সহিংসতাকে উস্কে দেবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ: কাদের

ছবি

অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়ে শাহবাগ ছেড়েছে বিক্ষোভকারীরা

ছবি

"জাহাঙ্গীর আলমকে ছাড়া গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা"

ছবি

দশ দিন পর চিকিৎসা থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

ছবি

ছাত্রলীগ নেতা আকতারের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগটি তদন্ত করা হবে: জবি উপাচার্য

ছবি

সরকার জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে ছাগলকাণ্ড করেছে : ফারুক

শাহরিয়ারকে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ বলল রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ

ছবি

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার আহবান

ছবি

প্রশ্নফাঁসসহ নানা অপকর্মে জড়িত জবি ছাত্রলীগ নেতা আকতার

ছবি

মারা গেছেন বিএনপি নেতা নাদিম মোস্তফা

ছবি

দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদার মুক্তি দাবি ধৃষ্টতা ছাড়া কিছু নয়: কাদের

ছবি

নয়াপল্টনে চলছে বিএনপির সমাবেশ

ছবি

ঢাকায় আজ বিএনপির সমাবেশ, আ. লীগের আলোচনা সভা

রাজশাহী আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্য রুপ নিয়েছে

ছবি

রাজশাহীতে এমপি শাহরিয়ারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কুশপুত্তলিকা দাহ

tab

রাজনীতি

তিন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

রোববার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী (সংসদ সদস্য নন এমন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী একজন উপদেষ্টাও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

রোববার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের কাছে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং চারজন উপমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তাদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম সংসদ সদস্য না হওয়ায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

পদত্যাগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “কেবিনেট ডিভিশনে খোঁজ নেন, কেবিনেট ডিভিশন বলতে পারবে। কেবিনেট ডিভিশনের খবর আমাদের দেওয়ার কথা না।”

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে যারা সংসদ সদস্য নন, তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

মসিউর রহমান ছাড়াও ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা, ড. গওহর রিজভী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা, সজীব আহমেদ ওয়াজেদ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সালমান ফজলুর রহমান বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের মধ্যে সালমান ফজলুর রহমান ছাড়া অন্যরা সংসদ সদস্য নন।

মসিউর রহমান ছাড়া প্রধানমন্ত্রী অন্য কোনো উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না।

তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, “এখন নির্বাচনকালীন সরকার‌। তফসিল ঘোষণার পর টেকনোক্রাট মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা- এসব পদ থাকে না, এটাই তো নিয়ম।”

সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে কিছু বলা নেই। ২০১৮ সালের নভেম্বরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিন টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলা হয় এবং তারা পদত্যাগপত্র জমাও দেন। বাকি মন্ত্রীরা সবাই রুটিন কাজ করে গেছেন।

সেসময় যেসব মন্ত্রী পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন, তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় এক মাস পর, অর্থাৎ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর ঠিক আগের দিন।

এর আগে ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুরোনো কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে নতুন করে ছয়জনকে যুক্ত করা হয়।

গত ৩১ অক্টোবরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালে যেভাবে নির্বাচনকালীন সরকার পরিচালনা করা হয়েছিল, এবারও একই রকম পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রচার চালানোর সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।

back to top