বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি সবাইকে এ ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “রুমিন ফারহানাকে নিয়ে বিভিন্নভাবে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে একজন নারীকে নিয়ে কুৎসা রটানো, চরিত্রহনন করা—এসব থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, ভিন্নমত থাকবে, তবে সেগুলো হতে হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতরে। বিভেদ তৈরি হলে আওয়ামী লীগই লাভবান হবে। তাই ছোটখাটো পার্থক্য ভুলে গিয়ে আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।”
রুমিন ফারহানার একটি পোস্ট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কুৎসা, ভিন্নমত দমন, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন—এসব গণতন্ত্রের শত্রু। ৫ আগস্টের পূর্বে যে রাজনৈতিক ঐক্য তৈরি হয়েছিল, সেটি ধরে রাখাটা এখন সবচেয়ে জরুরি।”
গুম হওয়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত বলেন, “আমাদেরও এই শৃঙ্খলের শিকার হতে হয়েছে। ৫ আগস্টের পর আমরা হয়তো মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু যাঁরা এখনো স্বজনদের ফেরত পাননি, তাঁদের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সুস্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। তিনি কেবল নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন না, এই দায় ইতিহাস তাঁকে ভুলতে দেবে না।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সময়টা মুখ্য নয়। ফেব্রুয়ারি, ডিসেম্বর কিংবা আগামীকাল—যেকোনো সময় হতে পারে। কিন্তু আমাদের মূল চাওয়া হলো সংস্কার প্রস্তাবগুলোর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করা।”
বুধবার, ২৭ আগস্ট ২০২৫
বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি সবাইকে এ ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “রুমিন ফারহানাকে নিয়ে বিভিন্নভাবে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে একজন নারীকে নিয়ে কুৎসা রটানো, চরিত্রহনন করা—এসব থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, ভিন্নমত থাকবে, তবে সেগুলো হতে হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতরে। বিভেদ তৈরি হলে আওয়ামী লীগই লাভবান হবে। তাই ছোটখাটো পার্থক্য ভুলে গিয়ে আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।”
রুমিন ফারহানার একটি পোস্ট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কুৎসা, ভিন্নমত দমন, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন—এসব গণতন্ত্রের শত্রু। ৫ আগস্টের পূর্বে যে রাজনৈতিক ঐক্য তৈরি হয়েছিল, সেটি ধরে রাখাটা এখন সবচেয়ে জরুরি।”
গুম হওয়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত বলেন, “আমাদেরও এই শৃঙ্খলের শিকার হতে হয়েছে। ৫ আগস্টের পর আমরা হয়তো মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু যাঁরা এখনো স্বজনদের ফেরত পাননি, তাঁদের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সুস্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। তিনি কেবল নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন না, এই দায় ইতিহাস তাঁকে ভুলতে দেবে না।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সময়টা মুখ্য নয়। ফেব্রুয়ারি, ডিসেম্বর কিংবা আগামীকাল—যেকোনো সময় হতে পারে। কিন্তু আমাদের মূল চাওয়া হলো সংস্কার প্রস্তাবগুলোর আইনি কাঠামো নিশ্চিত করা।”