রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতা–কর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গণ অধিকার পরিষদের দাবি, তাদের মিছিলে পেছন থেকে হামলা করে জাপার নেতা–কর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের লোকজনও হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগ করেন সংগঠনটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ। তিনি জানান, প্রতিরোধ গড়ে তোলায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে জাপার দাবি, তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে আসা নেতা–কর্মীরা। জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী এক বার্তায় বলেন, তাদের কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রাত সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
সংঘর্ষে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, মশাল মিছিলের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিচার্জে নুর গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে মশাল মিছিলের ডাক দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রমনা থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ সেখানে যায়। রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, সংঘর্ষের সময় কয়েকজন আহত হন এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সংঘর্ষের সময় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর শিকদার লোটন ও সাইফুদ্দিন মিলনসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত ছিলেন। লোটন বলেন, নুরুল হক নুর ও রাশেদ খান ইচ্ছাকৃতভাবে লোকজনকে উসকে দিয়েছেন। তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে মত দেন এবং দোষারোপের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানান।
গণ অধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি ওমর ফারুক বলেন, “জাপা আওয়ামী লীগের দোসর, তাদের নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত এখান থেকে যাব না।”
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতা–কর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গণ অধিকার পরিষদের দাবি, তাদের মিছিলে পেছন থেকে হামলা করে জাপার নেতা–কর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের লোকজনও হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগ করেন সংগঠনটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ। তিনি জানান, প্রতিরোধ গড়ে তোলায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে জাপার দাবি, তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে আসা নেতা–কর্মীরা। জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী এক বার্তায় বলেন, তাদের কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রাত সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
সংঘর্ষে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, মশাল মিছিলের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিচার্জে নুর গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে মশাল মিছিলের ডাক দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রমনা থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ সেখানে যায়। রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, সংঘর্ষের সময় কয়েকজন আহত হন এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সংঘর্ষের সময় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর শিকদার লোটন ও সাইফুদ্দিন মিলনসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত ছিলেন। লোটন বলেন, নুরুল হক নুর ও রাশেদ খান ইচ্ছাকৃতভাবে লোকজনকে উসকে দিয়েছেন। তিনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে মত দেন এবং দোষারোপের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানান।
গণ অধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি ওমর ফারুক বলেন, “জাপা আওয়ামী লীগের দোসর, তাদের নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত এখান থেকে যাব না।”