জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিনটি দাবি জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। অন্য দাবি দুটি হলো, আজ শনিবারের মধ্যে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা এবং গতকালের হামলার ঘটনার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবিগুলো তুলে ধরেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান, জনতার অধিকার পার্টির সভাপতি তরিকুল ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন এবং পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। এর আগপর্যন্ত রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনাকে পরিকল্পিত আখ্যা দেওয়া হয়।
সমাবেশে দেওয়া স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল—‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘নুরের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘জাতীয় পার্টির ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, জাতীয় পার্টি নো মোর’, ‘জাতীয় পার্টির আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’।
এ সময় রাস্তায় টায়ার পোড়ানো হয়। পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি পুরানা পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মোড়, বিজয়নগর মোড় প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিনটি দাবি জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। অন্য দাবি দুটি হলো, আজ শনিবারের মধ্যে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা এবং গতকালের হামলার ঘটনার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবিগুলো তুলে ধরেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান, জনতার অধিকার পার্টির সভাপতি তরিকুল ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন এবং পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। এর আগপর্যন্ত রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনাকে পরিকল্পিত আখ্যা দেওয়া হয়।
সমাবেশে দেওয়া স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল—‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘নুরের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘জাতীয় পার্টির ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, জাতীয় পার্টি নো মোর’, ‘জাতীয় পার্টির আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’।
এ সময় রাস্তায় টায়ার পোড়ানো হয়। পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি পুরানা পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মোড়, বিজয়নগর মোড় প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।