ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
ঢাকায় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার,(৩০ আগস্ট ২০২৫) সকাল থেকে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জাতীয় পার্টি অফিসের সামনে অবস্থান নিয়েছে দলের শত শত নেতাকর্মী।
রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও দলের কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার নেতৃত্বে তারা যে কোনো হামলা প্রতিরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে গণঅধিকার পরিষদ রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। জাতীয় পার্টি অফিসে হামলা করার গুজব ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলের নেতাকর্মীরা রংপুর জেলা মহানগর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় তারা।
শনিবার দুপুরে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক সিটি মেয়র ও দলের কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, আমরা কারও সঙ্গেই বিরোধ করতে চাই না। তবে কেউ যদি পায়ে পড়ে ঝগড়া সৃষ্টি করতে চায় তাহলে জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও প্রতিরোধ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা অন্যায় করি না এবং কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। যারা লাফালাফি করছে তারা তো পরগাছা, অন্যের সাহায্য নিয়ে চলে, একটি আসনেও জয়ী হবার মুরোদ নেই, তাদের আমরা হিসাব করি না। রংপুর হচ্ছে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি, এরশাদের ঘাঁটি, জিএম কাদেরের ঘাঁটি- এখানে কারো সহায়তার দরকার নেই, আমাদের দলের নেতাকর্মী এবং রংপুরের জনগণ যে কোনো পরিস্থিতি বলেন, হুমকি বলেন প্রতিরোধ করবে।
মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা আরও বলেন, আমরা রংপুরে জাতীয় পার্টি অফিসে হামলার কোনো আশঙ্কা করছি না। তার পরেও যদি কারো শক্তি সামর্থ্য থাকে মনে করে তাহলে তাদের হাত-পা গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, ওরা আসুক আরও তাদের সহযোগীদেরও ডেকে আনুক না দেখি ওদের শক্তি কতটুকু। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না দেইও না। রংপুর হচ্ছে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি, এরশাদের ঘাঁটি, জিএম কাদেরের ঘাঁটি। আমরা এক বিন্দু রক্ত থাকতে সব ধরনের প্রতিরোধ মোকাবিলা করার সর্ব শক্তি আমাদের আছে। অতীতে আমরা বহুবার প্রমাণ করেছি।
তিনি বলেন, বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল, তাদের সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান ছিল এখনও আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতসহ কিছু দল বিএনপির জনপ্রিয়তায় ধস নামানোর অপচেষ্টা করছে যাতে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে। তবে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এটা তারা মানতে পারছে না।
তিনি বিএনপিসহ স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্মিলিতভাবে অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সেই সঙ্গে আরও একটা রেভ্যুলেশন করার প্রস্তুতি নিতে হবে সেটা হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে, তাদের গলায় জুতার মালা পরানো এসব কোনোভাবেই গ্রহণ যোগ্য নয়।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
ঢাকায় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার,(৩০ আগস্ট ২০২৫) সকাল থেকে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জাতীয় পার্টি অফিসের সামনে অবস্থান নিয়েছে দলের শত শত নেতাকর্মী।
রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও দলের কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার নেতৃত্বে তারা যে কোনো হামলা প্রতিরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে গণঅধিকার পরিষদ রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। জাতীয় পার্টি অফিসে হামলা করার গুজব ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলের নেতাকর্মীরা রংপুর জেলা মহানগর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় তারা।
শনিবার দুপুরে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক সিটি মেয়র ও দলের কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, আমরা কারও সঙ্গেই বিরোধ করতে চাই না। তবে কেউ যদি পায়ে পড়ে ঝগড়া সৃষ্টি করতে চায় তাহলে জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও প্রতিরোধ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা অন্যায় করি না এবং কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। যারা লাফালাফি করছে তারা তো পরগাছা, অন্যের সাহায্য নিয়ে চলে, একটি আসনেও জয়ী হবার মুরোদ নেই, তাদের আমরা হিসাব করি না। রংপুর হচ্ছে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি, এরশাদের ঘাঁটি, জিএম কাদেরের ঘাঁটি- এখানে কারো সহায়তার দরকার নেই, আমাদের দলের নেতাকর্মী এবং রংপুরের জনগণ যে কোনো পরিস্থিতি বলেন, হুমকি বলেন প্রতিরোধ করবে।
মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা আরও বলেন, আমরা রংপুরে জাতীয় পার্টি অফিসে হামলার কোনো আশঙ্কা করছি না। তার পরেও যদি কারো শক্তি সামর্থ্য থাকে মনে করে তাহলে তাদের হাত-পা গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, ওরা আসুক আরও তাদের সহযোগীদেরও ডেকে আনুক না দেখি ওদের শক্তি কতটুকু। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না দেইও না। রংপুর হচ্ছে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি, এরশাদের ঘাঁটি, জিএম কাদেরের ঘাঁটি। আমরা এক বিন্দু রক্ত থাকতে সব ধরনের প্রতিরোধ মোকাবিলা করার সর্ব শক্তি আমাদের আছে। অতীতে আমরা বহুবার প্রমাণ করেছি।
তিনি বলেন, বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল, তাদের সব সময় স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান ছিল এখনও আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতসহ কিছু দল বিএনপির জনপ্রিয়তায় ধস নামানোর অপচেষ্টা করছে যাতে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে। তবে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এটা তারা মানতে পারছে না।
তিনি বিএনপিসহ স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্মিলিতভাবে অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সেই সঙ্গে আরও একটা রেভ্যুলেশন করার প্রস্তুতি নিতে হবে সেটা হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে, তাদের গলায় জুতার মালা পরানো এসব কোনোভাবেই গ্রহণ যোগ্য নয়।