যৌথবাহিনীর লাঠিপেটায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বর্তমানে স্থিতিশীল আছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তবে তাঁর শরীরে কিছু ফ্র্যাকচার ও ইনজুরির কারণে ব্যথা রয়েছে।
রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এখন উনি ভালো আছেন। তবে ফ্র্যাকচার হওয়ায় কিছুটা ব্যথার অভিযোগ করেছেন।”
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় নুর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন সেনা ও পুলিশ সদস্যরা নুর ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর লাঠিপেটা চালায়। এতে নুরসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে গণঅধিকার পরিষদের দাবি। পরে নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে রাতেই ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।
ঢামেকের পরিচালক জানান, নুরকে রাতেই আইসিইউতে ভর্তি করে একটি ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ, নিউরো সার্জন ও আইসিইউ প্রধানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা ছিলেন। চিকিৎসকরা নুরের সিটি স্ক্যান করে দেখেছেন, তাঁর নাকে হাড় ভেঙেছে, মুখের ম্যাক্সিলা হাড়ে ক্র্যাক রয়েছে, ডান চোখে সাবকনজাংটিভাল হেমারেজ দেখা গেছে। এছাড়া সামান্য ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হেমারেজও ধরা পড়েছিল, যা পরে সেরে এসেছে।
নুর বর্তমানে কথা বলতে পারছেন, তরল খাবার খেতে পারছেন বলে জানান ঢামেক পরিচালক। তবে তিনি ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন।
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
যৌথবাহিনীর লাঠিপেটায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বর্তমানে স্থিতিশীল আছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তবে তাঁর শরীরে কিছু ফ্র্যাকচার ও ইনজুরির কারণে ব্যথা রয়েছে।
রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এখন উনি ভালো আছেন। তবে ফ্র্যাকচার হওয়ায় কিছুটা ব্যথার অভিযোগ করেছেন।”
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় নুর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন সেনা ও পুলিশ সদস্যরা নুর ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর লাঠিপেটা চালায়। এতে নুরসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে গণঅধিকার পরিষদের দাবি। পরে নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে রাতেই ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।
ঢামেকের পরিচালক জানান, নুরকে রাতেই আইসিইউতে ভর্তি করে একটি ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ, নিউরো সার্জন ও আইসিইউ প্রধানসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা ছিলেন। চিকিৎসকরা নুরের সিটি স্ক্যান করে দেখেছেন, তাঁর নাকে হাড় ভেঙেছে, মুখের ম্যাক্সিলা হাড়ে ক্র্যাক রয়েছে, ডান চোখে সাবকনজাংটিভাল হেমারেজ দেখা গেছে। এছাড়া সামান্য ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হেমারেজও ধরা পড়েছিল, যা পরে সেরে এসেছে।
নুর বর্তমানে কথা বলতে পারছেন, তরল খাবার খেতে পারছেন বলে জানান ঢামেক পরিচালক। তবে তিনি ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন।