জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম মেহেরা মাহবুব এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই জিন্নাত আলী।
আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক মাসুম সরদার ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানি করেন।
তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলন চলাকালে ১৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে গালি দেন। এতে আন্দোলনকারীরা ফুঁসে ওঠেন। ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন ইউনিট থেকে লোক এনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন। সবাই এসে রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালায়, এতে অনেকে আহত হন।”
সৈকতের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, “সৈকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় তার স্পষ্ট অভিযোগ নেই। অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তিন মাসের বেশি সময় তিনি রিমান্ডে ছিলেন। ঢাবি প্রশাসন অনেকের ছাত্রত্ব বাতিল করলেও তারটি বাতিল করেনি। তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন।”
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সৈকতের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলায় বলা হয়, গত বছরের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
শাহবাগ থানার মামলায় বাদী হন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী আবু সায়াদ বিন মাহিন সরকার। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৯১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত বছরের ১৪ অগাস্ট ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকা থেকে তানভীর হাসান সৈকতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম মেহেরা মাহবুব এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই জিন্নাত আলী।
আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক মাসুম সরদার ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানি করেন।
তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলন চলাকালে ১৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে গালি দেন। এতে আন্দোলনকারীরা ফুঁসে ওঠেন। ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন ইউনিট থেকে লোক এনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন। সবাই এসে রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালায়, এতে অনেকে আহত হন।”
সৈকতের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, “সৈকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় তার স্পষ্ট অভিযোগ নেই। অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তিন মাসের বেশি সময় তিনি রিমান্ডে ছিলেন। ঢাবি প্রশাসন অনেকের ছাত্রত্ব বাতিল করলেও তারটি বাতিল করেনি। তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন।”
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সৈকতের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলায় বলা হয়, গত বছরের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
শাহবাগ থানার মামলায় বাদী হন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী আবু সায়াদ বিন মাহিন সরকার। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৯১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত বছরের ১৪ অগাস্ট ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকা থেকে তানভীর হাসান সৈকতকে গ্রেপ্তার করা হয়।