জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যমুনায় বৈঠক শেষে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এই দাবির কথা জানান। তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সহযোগী ছিল। যেভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তেমনিভাবে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।”
শুক্রবার রাতে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের সময় যৌথবাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠায় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ দেখা দিয়েছে।
নির্বাচন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস। প্রথমে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। অন্যান্য সদস্য ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কীভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি জানান, আগে একদল বাসস্ট্যান্ড দখলে নিত, এখন অন্য গ্রুপ নিয়েছে। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখতে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, তবে কার্যকারিতার বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। দেশের মানুষ প্রশ্ন করছে, এটি কি সত্যিই নীলনকশার নির্বাচন হবে কি না। জুলাই ঘোষণাপত্রের দিনে (৫ আগস্ট) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি চাপের মধ্যে করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নুরুল হকের ওপর হামলার ষড়যন্ত্র অনেক গভীরে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে বলেছে জামায়াত। আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টি কাজ করেছে এবং আওয়ামী লীগের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যমুনায় বৈঠক শেষে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এই দাবির কথা জানান। তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সহযোগী ছিল। যেভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তেমনিভাবে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।”
শুক্রবার রাতে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের সময় যৌথবাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠায় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ দেখা দিয়েছে।
নির্বাচন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস। প্রথমে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। অন্যান্য সদস্য ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কীভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি জানান, আগে একদল বাসস্ট্যান্ড দখলে নিত, এখন অন্য গ্রুপ নিয়েছে। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখতে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন, তবে কার্যকারিতার বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। দেশের মানুষ প্রশ্ন করছে, এটি কি সত্যিই নীলনকশার নির্বাচন হবে কি না। জুলাই ঘোষণাপত্রের দিনে (৫ আগস্ট) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি চাপের মধ্যে করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নুরুল হকের ওপর হামলার ষড়যন্ত্র অনেক গভীরে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে বলেছে জামায়াত। আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টি কাজ করেছে এবং আওয়ামী লীগের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।