চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রোববার বিকালে দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বহিস্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দল জনগণের জন্য; বিশৃঙ্খলার জন্য না। উনি যেটা বলেছেন, সেটা নিজের বক্তব্য। এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিষেধ করার পরও উনি এ অবস্থান নিয়েছেন।” বহিস্কারাদেশে বলা হয়, বিশৃঙ্খলাসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় গঠনতন্ত্রের বিধান মতে উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীর বিতণ্ডার জেরে শনিবার মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। রবিবারও সংঘর্ষে উভয় পক্ষ জড়ায়। দুই দিনের সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
রোববার জোবরা গ্রাম এলাকায় স্থানীয়দের উদ্দেশে দেওয়া উদয় কুসুম বড়ুয়ার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের বিচার না হলে জোবরার সমস্ত জনগণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব। এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মানের চেয়ে জীবন বড় নয়।” বিচার না হওয়া পর্যন্ত গ্রামবাসীকে সড়ক অবরোধ রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি আলোচনার মধ্যে সমাধান হয় না। আমরা ভিসির সাথে আলোচনা করলেও এ সমস্যা সমাধান করতে পারবে না।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ ‘কুলাঙ্গার উচ্ছৃঙ্খল’ ছেলেগুলো ভিসিকেও মানে না। “কেউ কেউ দলের প্রশ্ন আনতে পারে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা জোবরার সন্তান। এখানে কোনো দল নেই। আমরা এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা এক ও অভিন্ন। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও পেশী শক্তির কাছে আমরা মাথানত করব না।”
বহিস্কারাদেশের বিষয়ে উদয় কুসুম বড়ুয়া তার ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন, “দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আমি অনুগত। তবুও এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, মানুষের জানমাল নিরাপদ থাকুক।”
হাটাহাজারির আরেক বাসিন্দা ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক। দুই পক্ষই অসহিষ্ণু ছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানতুল্য। তাদের মধ্যে মেধা থাকলেও বয়সের কারণে অনেক কিছু বিবেচনা করতে পারে না।
তিনি আরও জানান, “এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সমস্যা হলেও আমাদের শান্তির মধ্যে থাকতে হবে। কোনটিকে আমরা ফেলে দিতে পারি না। ছোট একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা পক্ষ সুযোগ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, তারা এলাকার চিহ্নিত দুর্বৃত্ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা তাদের পরিচয় দিয়েছি এবং ব্যবস্থা নিতে বলেছি।”
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রোববার বিকালে দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বহিস্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দল জনগণের জন্য; বিশৃঙ্খলার জন্য না। উনি যেটা বলেছেন, সেটা নিজের বক্তব্য। এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নিষেধ করার পরও উনি এ অবস্থান নিয়েছেন।” বহিস্কারাদেশে বলা হয়, বিশৃঙ্খলাসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় গঠনতন্ত্রের বিধান মতে উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীর বিতণ্ডার জেরে শনিবার মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। রবিবারও সংঘর্ষে উভয় পক্ষ জড়ায়। দুই দিনের সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
রোববার জোবরা গ্রাম এলাকায় স্থানীয়দের উদ্দেশে দেওয়া উদয় কুসুম বড়ুয়ার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের বিচার না হলে জোবরার সমস্ত জনগণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব। এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মানের চেয়ে জীবন বড় নয়।” বিচার না হওয়া পর্যন্ত গ্রামবাসীকে সড়ক অবরোধ রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি আলোচনার মধ্যে সমাধান হয় না। আমরা ভিসির সাথে আলোচনা করলেও এ সমস্যা সমাধান করতে পারবে না।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ ‘কুলাঙ্গার উচ্ছৃঙ্খল’ ছেলেগুলো ভিসিকেও মানে না। “কেউ কেউ দলের প্রশ্ন আনতে পারে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা জোবরার সন্তান। এখানে কোনো দল নেই। আমরা এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা এক ও অভিন্ন। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও পেশী শক্তির কাছে আমরা মাথানত করব না।”
বহিস্কারাদেশের বিষয়ে উদয় কুসুম বড়ুয়া তার ফেইসবুক পেইজে লিখেছেন, “দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আমি অনুগত। তবুও এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, মানুষের জানমাল নিরাপদ থাকুক।”
হাটাহাজারির আরেক বাসিন্দা ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক। দুই পক্ষই অসহিষ্ণু ছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানতুল্য। তাদের মধ্যে মেধা থাকলেও বয়সের কারণে অনেক কিছু বিবেচনা করতে পারে না।
তিনি আরও জানান, “এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সমস্যা হলেও আমাদের শান্তির মধ্যে থাকতে হবে। কোনটিকে আমরা ফেলে দিতে পারি না। ছোট একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা পক্ষ সুযোগ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, তারা এলাকার চিহ্নিত দুর্বৃত্ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা তাদের পরিচয় দিয়েছি এবং ব্যবস্থা নিতে বলেছি।”