alt

রাজনীতি

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে দলের আরেক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে দলের আরেক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়ন সভাপতি মোহরাব আলীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত বুধবার রাতে পারিলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। প্রহৃত বাবা-ছেলেকে রক্ষায় এগিয়ে এসে ছাত্রলীগের এক নেতাও হামলার শিকার হন। ওই হামলায় আহত তিনজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ গালিব, তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিন এবং পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জহুরুল ইসলাম। হেলাল উদ্দিন আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ নেতা। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে তিনি পারিলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বপালন করেন। টানা ১৩ বছর সভাপতি ছিলেন তিনি।

হামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন বলেন, তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, ঘটনার মাত্র তিন দিন আগেই সোহরাব আলী মণ্ডল পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। আগের মেয়াদেও তিনি সভাপতি ছিলেন। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থনকারী এ নেতা যাতে পুনরায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি না হতে পারেন, সে জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। পত্রপত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদও প্রকাশিত হয়। এই ক্ষোভে বুধবার রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ গালিব ও তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিনের ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালান তিনি।

সম্মেলনের আগে ৯৫ নেতা-কর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগে সোহরাব আলীসহ ২৪ জন নেতার নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনে তাঁরা নৌকার বিরোধিতা করেছেন।

হামলার শিকার আসাদুল্লাহ গালিব বলেন, সোহরাবের বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। বুধবার রাতে তিনি পারিলা বাজারে ছিলেন। তখন সোহরাবের ভাই আসাদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম ও ছেলে মাহাতি মাহাফুজ তাঁকে জোর করে বাজারে অবস্থিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিয়ে যান। তাঁরা সবাই তাঁকে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। সোহরাব আলী এ সময় চিৎকার করে গালিবকে বলেন, ‘তোর লিটন (রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র) বাপের কাছে অভিযোগ করিস, এখন তোর বাপকে বল, তোকে বাঁচাতে।’ খবর পেয়ে তাঁকে রক্ষায় আসেন তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিন। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জহুরুল ইসলাম তাঁদের রক্ষার চেষ্টা করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে তাঁরা তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ভুক্তভোগী আসাদুল্লাহ গালিব।

১৯ জুন পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ওই ইউপির নির্বাচনে পরপর দুবার নৌকা নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া প্রার্থী ও ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাহিমা বেগম ওই সম্মেলনের আগে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, পরপর দুবার নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে কাজ করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব আলী। বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তাঁর কাজ করা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আগের কমিটির সহসভাপতি মো. আলাউদ্দিনসহ ৯৫ নেতা-কর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দেন। ওই অভিযোগে সোহরাব আলীসহ ২৪ জন নেতার নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনে তাঁরা নৌকার বিরোধিতা করেছেন। এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের কাছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গালিব আমার গ্রামের ছোট ভাই, দলের ছেলে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে সব উদ্ভট নিউজ করে। এ নিয়ে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। মিথ্যা বলব না। আমি যাওয়ার পর থামিয়ে দিয়েছি।’ তিনি গত নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর বিরোধিতা করার কথা অস্বীকার করেন।

ছবি

পোশাক নিয়ে মন্তব্য: আইনমন্ত্রীর ওপর চটলেন রুমিন ফারহানা

নান্দাইলে ছাত্রলীগের কমিটিতে হত্যা মামলার আসামী

ছবি

পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারীদের মুখে চুনকালি পড়েছে: রওশন

ছবি

স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই

ইভিএম জনপ্রিয় ও সহজ করায় জোর আওয়ামী লীগের

ছবি

ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আ. লীগের প্রতিনিধি দল ইসিতে

ছবি

স্পিড গান-সিসিটিভি বসানোর পর পদ্মা সেতুতে বাইক চলাচলে সিদ্ধান্ত

ছবি

পদ্মার গহীন অতলে নিমজ্জিত বিএনপির রাজনীতি: কাদের

ছবি

৮ মাস পর দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ

ছবি

ভালো আছেন খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল

ছবি

বিকালে বসছে আ’লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড

ছবি

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে ফিরলেন আবুল হোসেন

ছবি

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে এসে নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ মনে করছেন জাফরুল্লাহ

ছবি

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া

ছবি

বিএনপি দুর্গতদের নিয়ে রাজনীতি করে, পাশে দাঁড়ায় না

ছবি

সন্ধ্যায় বাসায় ফিরবেন খালেদা জিয়া

ছবি

বাঙালি জাতির সব অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরে: তথ্যমন্ত্রী

ছবি

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ছবি

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যাবে না বিএনপি

ছবি

অভিযোগ পাওয়ায় চাঁদপুরে ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত তিন কমিটি স্থগিত

ছবি

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পেলেন বিএনপির ৭ নেতা

ছবি

সরকারের তামাকমুক্ত দেশ গড়ার রোডম্যাপ নেই : হারুন

ছবি

মির্জা ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৮ আগস্ট

বাহার প্রসঙ্গ : সিইসির ‘ভিন্ন সুর’

ছবি

যেখানে আর্তমানবতা সেখানেই আওয়ামীলীগ-মতিয়া চৌধুরী

ছবি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যুবলীগ

ছবি

চলতি মাসেই দেশে ফিরতে পারেন রওশন এরশাদ

ছবি

নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করলেন মনিরুল হক

ছবি

বিকেলে বিএনপির ত্রাণ কমিটির যৌথসভা

ছবি

সরকারের ব্যর্থতায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে : রিজভী

ছবি

সুনামগঞ্জে বন্যার্তদের জন্য ৬০০ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

বিদেশে আমাদের কোন প্রভু নেই : আমু

আ’লীগ-বিএনপি কোন জোটে যাবে না বাম গণতান্ত্রিক জোট : কমরেড শাহ আলম

ছবি

জনগণের কষ্টের সময় সরকার উৎসব নিয়ে ব্যস্ত: ফখরুল

কুমিল্লা নির্বাচনের ফল কি হবে আগেই জানতাম : ফখরুল

ফল নিয়ে বিতর্ক এবং ভোটের সমীকরণ

tab

রাজনীতি

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে দলের আরেক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০২২

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে দলের আরেক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়ন সভাপতি মোহরাব আলীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত বুধবার রাতে পারিলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। প্রহৃত বাবা-ছেলেকে রক্ষায় এগিয়ে এসে ছাত্রলীগের এক নেতাও হামলার শিকার হন। ওই হামলায় আহত তিনজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ গালিব, তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিন এবং পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জহুরুল ইসলাম। হেলাল উদ্দিন আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ নেতা। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে তিনি পারিলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বপালন করেন। টানা ১৩ বছর সভাপতি ছিলেন তিনি।

হামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন বলেন, তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, ঘটনার মাত্র তিন দিন আগেই সোহরাব আলী মণ্ডল পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। আগের মেয়াদেও তিনি সভাপতি ছিলেন। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থনকারী এ নেতা যাতে পুনরায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি না হতে পারেন, সে জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। পত্রপত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদও প্রকাশিত হয়। এই ক্ষোভে বুধবার রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ গালিব ও তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিনের ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালান তিনি।

সম্মেলনের আগে ৯৫ নেতা-কর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগে সোহরাব আলীসহ ২৪ জন নেতার নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনে তাঁরা নৌকার বিরোধিতা করেছেন।

হামলার শিকার আসাদুল্লাহ গালিব বলেন, সোহরাবের বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। বুধবার রাতে তিনি পারিলা বাজারে ছিলেন। তখন সোহরাবের ভাই আসাদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম ও ছেলে মাহাতি মাহাফুজ তাঁকে জোর করে বাজারে অবস্থিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিয়ে যান। তাঁরা সবাই তাঁকে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। সোহরাব আলী এ সময় চিৎকার করে গালিবকে বলেন, ‘তোর লিটন (রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র) বাপের কাছে অভিযোগ করিস, এখন তোর বাপকে বল, তোকে বাঁচাতে।’ খবর পেয়ে তাঁকে রক্ষায় আসেন তাঁর বাবা হেলাল উদ্দিন। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জহুরুল ইসলাম তাঁদের রক্ষার চেষ্টা করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে তাঁরা তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ভুক্তভোগী আসাদুল্লাহ গালিব।

১৯ জুন পারিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ওই ইউপির নির্বাচনে পরপর দুবার নৌকা নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া প্রার্থী ও ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাহিমা বেগম ওই সম্মেলনের আগে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, পরপর দুবার নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে কাজ করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব আলী। বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তাঁর কাজ করা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আগের কমিটির সহসভাপতি মো. আলাউদ্দিনসহ ৯৫ নেতা-কর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দেন। ওই অভিযোগে সোহরাব আলীসহ ২৪ জন নেতার নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনে তাঁরা নৌকার বিরোধিতা করেছেন। এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের কাছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গালিব আমার গ্রামের ছোট ভাই, দলের ছেলে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে সব উদ্ভট নিউজ করে। এ নিয়ে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। মিথ্যা বলব না। আমি যাওয়ার পর থামিয়ে দিয়েছি।’ তিনি গত নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর বিরোধিতা করার কথা অস্বীকার করেন।

back to top