চারদিনের ম্যাচ
ব্যর্থতার চক্রেই আছেন মাহমুদুল হাসান জয়
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চারদিনের ম্যাচে একদল টেস্ট ক্রিকেটার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটিং লাইন প্রথম দিনেই মুখ থুবড়ে পড়লো ১১৪ রানে। ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন পেসার এনামুল হক।
বাংলাদেশের হয়ে ১৮ টেস্ট খেলেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিছুদিন আগেও ছিলেন টেস্ট দলের নিয়মিত পছন্দ। ইয়াসির আলি চৌধুরি ও শাহাদাত হোসেনরা খেলেছেন ৬টি করে টেস্ট। নাঈম হাসানের মূল কাজ অফ স্পিন হলেও ব্যাটের হাত মন্দ নয়। টেস্ট খেলেছেন অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের একাদশে টেস্ট ক্রিকেটার ছয় জন।
অস্ট্রেলিয়া সফরে ডারউইনে চার দিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দল প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে পারেনি ৩৫ ওভারও। তাদের দুর্ভোগের শেষ সেখানেই নয়।
সাউথ অস্ট্রেলিয়া দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ২০৪ রান তুলে এগিয়ে গেছে ৯০ রানে।
বাংলাদেশের বিপর্যয়ের শুরু দিনের শুরু থেকে। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ইফতেখার ইফতিকে (০) ফেরান অ্যাগার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি ওয়ানডে খেলা পেসার দুর্দান্ত প্রথম স্পেলে শিকার করেন আরও দুটি উইকেট। জয় ফেরেন ১৩ রানে। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের জোয়ারে অমিত হাসান ফেরেন ২ রানে।
২৩ রানে ৩ উইকেট হারানো দলের হয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন শাহাদাত ও মাহিদুল। ৩০ রানের জুটির পর দু’জন ফেরেন টানা দুই ওভারে। ৪৩ বলে ২৫ করতে পারেন শাহাদাত, ৩১ বলে ৯ মাহিদুল।
এরপর ইয়াসির আলি, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ ও হাসান মাহমুদ ফেরেন অল্প সময়ের মধ্যে। ১৩ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান হয়ে যায় ৯ উইকেটে ৬৬।
৯ নম্বরে নামা রকিবুল হাসান ও ১১ নম্বরে নামা এনামুল হক লড়াই করে দলকে তিন অঙ্কে নিয়ে যান। শেষ উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন দু’জন, ইনিংসের যা সর্বোচ্চ। ২২ রান করে আউট হন রকিবুল, ২৭ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন এনামুল।
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাগার ছাড়াও তিনটি করে উইকেট নেন পেসার হেনরি থর্নটন ও বাঁহাতি স্পিনার জের্সিস ওয়াদিয়া।
ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও খুব ভালো হয়নি। প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় ২৮ রানে। এর মধ্যে আছে অধিনায়ক ম্যাকসুয়েনির উইকেটও। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন টেস্ট খেলা ব্যাটার ফেরেন ৮ রান করেই।
গত শেফিল্ড শিল্ডে চার সেঞ্চুরিতে ৭৫০ রান করা জেইক লিম্যান শুরু করেছিলেন দুটি চার মেরে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ ড্যারেন লিম্যানের ছেলেকে ১১ রানেই ফেরান হাসান মাহমুদ।
তবে বাংলাদেশের মতো ভেঙে পড়েনি সাউথ তাদের ইনিংস। পঞ্চম উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়েন জেসন স্যাঙ্ঘা ও ম্যাকগার্ক।
স্বভাবজাত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৪৭ বলে ৫২ রান করে নাঈম হাসানকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। স্যাঙ্ঘা ও হ্যারি নিলসেন দিন শেষ করেন ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে।
গত শেফিল্ড শিল্ডে সাতশ’র বেশি রান করার পর গত মাসে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করা স্যাঙ্ঘা দিন শেষে অপরাজিত ১০৮ বলে ৮৩ রান করে।
চারদিনের ম্যাচ
ব্যর্থতার চক্রেই আছেন মাহমুদুল হাসান জয়
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চারদিনের ম্যাচে একদল টেস্ট ক্রিকেটার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটিং লাইন প্রথম দিনেই মুখ থুবড়ে পড়লো ১১৪ রানে। ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন পেসার এনামুল হক।
বাংলাদেশের হয়ে ১৮ টেস্ট খেলেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিছুদিন আগেও ছিলেন টেস্ট দলের নিয়মিত পছন্দ। ইয়াসির আলি চৌধুরি ও শাহাদাত হোসেনরা খেলেছেন ৬টি করে টেস্ট। নাঈম হাসানের মূল কাজ অফ স্পিন হলেও ব্যাটের হাত মন্দ নয়। টেস্ট খেলেছেন অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের একাদশে টেস্ট ক্রিকেটার ছয় জন।
অস্ট্রেলিয়া সফরে ডারউইনে চার দিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দল প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে পারেনি ৩৫ ওভারও। তাদের দুর্ভোগের শেষ সেখানেই নয়।
সাউথ অস্ট্রেলিয়া দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ২০৪ রান তুলে এগিয়ে গেছে ৯০ রানে।
বাংলাদেশের বিপর্যয়ের শুরু দিনের শুরু থেকে। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ইফতেখার ইফতিকে (০) ফেরান অ্যাগার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি ওয়ানডে খেলা পেসার দুর্দান্ত প্রথম স্পেলে শিকার করেন আরও দুটি উইকেট। জয় ফেরেন ১৩ রানে। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের জোয়ারে অমিত হাসান ফেরেন ২ রানে।
২৩ রানে ৩ উইকেট হারানো দলের হয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন শাহাদাত ও মাহিদুল। ৩০ রানের জুটির পর দু’জন ফেরেন টানা দুই ওভারে। ৪৩ বলে ২৫ করতে পারেন শাহাদাত, ৩১ বলে ৯ মাহিদুল।
এরপর ইয়াসির আলি, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ ও হাসান মাহমুদ ফেরেন অল্প সময়ের মধ্যে। ১৩ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান হয়ে যায় ৯ উইকেটে ৬৬।
৯ নম্বরে নামা রকিবুল হাসান ও ১১ নম্বরে নামা এনামুল হক লড়াই করে দলকে তিন অঙ্কে নিয়ে যান। শেষ উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন দু’জন, ইনিংসের যা সর্বোচ্চ। ২২ রান করে আউট হন রকিবুল, ২৭ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন এনামুল।
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাগার ছাড়াও তিনটি করে উইকেট নেন পেসার হেনরি থর্নটন ও বাঁহাতি স্পিনার জের্সিস ওয়াদিয়া।
ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও খুব ভালো হয়নি। প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় ২৮ রানে। এর মধ্যে আছে অধিনায়ক ম্যাকসুয়েনির উইকেটও। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন টেস্ট খেলা ব্যাটার ফেরেন ৮ রান করেই।
গত শেফিল্ড শিল্ডে চার সেঞ্চুরিতে ৭৫০ রান করা জেইক লিম্যান শুরু করেছিলেন দুটি চার মেরে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ ড্যারেন লিম্যানের ছেলেকে ১১ রানেই ফেরান হাসান মাহমুদ।
তবে বাংলাদেশের মতো ভেঙে পড়েনি সাউথ তাদের ইনিংস। পঞ্চম উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়েন জেসন স্যাঙ্ঘা ও ম্যাকগার্ক।
স্বভাবজাত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৪৭ বলে ৫২ রান করে নাঈম হাসানকে ফিরতি ক্যাচ দেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। স্যাঙ্ঘা ও হ্যারি নিলসেন দিন শেষ করেন ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে।
গত শেফিল্ড শিল্ডে সাতশ’র বেশি রান করার পর গত মাসে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করা স্যাঙ্ঘা দিন শেষে অপরাজিত ১০৮ বলে ৮৩ রান করে।