প্রথম ম্যাচ জয়ের আরেক নায়ক অলরাউন্ডার সাইফ হাসান
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অফ স্পিনে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন সাইফ, পরে রান তাড়ায় চারে নেমে ১৯ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন, এরমধ্যে মেরেছেন তিনটি ছয়। তার খেলার ধরণ, শরীরী ভাষা নজর কেড়েছে আলাদাভাবে।
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী কোচ সালাউদ্দিন সাইফের পরিশ্রম ও ধৈর্যের প্রসঙ্গ তুলেও ধরলেও বাড়তি হাইপ নিয়ে কথা বলেন, ‘আমি আগেও অনুরোধ করেছি যে একবার কাউকে খুব তাড়াতাড়ি আকাশে তুলে ফেলবেন না কাউকে তাড়াতাড়ি নিচেও নামাবেন না। ভালো খেলেছে, কাম ব্যাক করেছে যে এটা আসলে শক্ত মানসিকতার একটা পরিচয়। যে কোনো মানুষের যখন ব্যাকফুটে চলে যাবে সেখান থেকে সবাই আসলে বেরিয়ে আসতে পারে না।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে গড়ে তোলা সহজ নয় মনে করেন সালাউদ্দিন, ‘একটা সময় সে ছিল টেস্ট প্লেয়ার, সেখান থেকে সে বেরিয়ে এসে যে ক্যারেক্টার শো করেছে এটা আসলে সবার ভিতরে থাকে না। উন্নতি তো চালিয়ে নিতে হবে, তার চেষ্টাটা ছিল। এটা আসলে খেলোয়াড় নিজেই চেষ্টা করেছে। সে আসলে নিজেকে অন্য জায়গায় দেখতে চেয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বারবার প্রথম ৬-৭টি ম্যাচে সে ফেইল করেছে। সেখান থেকে মেন্টালি আবার ঘুরে দাঁড়ানো এটা আসলে কঠিন কাজ।’
সালাউদ্দিনের মতে, সাইফের ভিতরে থাকা ধৈর্য আর নিবেদন তাকে এতদূর নিয়ে এসেছে, তার আশা সাইফ আরও বড় কিছুও করবেন, ‘হয়তো আমরা বাইরে থেকে মনে করি এটা অনেক সহজ কাজ। এটা অনেক কঠিন কাজ। সেই কাজটা সে করেছে, সেটা তার ক্যারেক্টারের ভিতরে ছিল। সে নিজে উন্নতি করার চেষ্টা করেছে। এ কারণে তার আসলে ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। রোববার ম্যাচে যে ক্যারেক্টারটা শো করেছে সেটা যেন আরও কন্টিনিউ করতে পারে। আর ওর চেষ্টার কথা বলবো যে, অনেক মানুষই চেষ্টা করে বাট যে ধৈর্যটা আসলে অনেকের হয়তো থাকে এক মাস, দুই মাস বা এক বছর। কিন্তু তার ধৈর্যটা চার বছর ধরে দেখলাম। এটা একটা বড় ধরনের যে, আপনি আসলে কতদিন ধরে ধৈর্যটা ধরে রাখলেন সেটার ফল পাচ্ছেন, ভবিষ্যতে হয়তো সে আরও ভালো করবে।’’
প্রথম ম্যাচ জয়ের আরেক নায়ক অলরাউন্ডার সাইফ হাসান
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অফ স্পিনে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন সাইফ, পরে রান তাড়ায় চারে নেমে ১৯ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন, এরমধ্যে মেরেছেন তিনটি ছয়। তার খেলার ধরণ, শরীরী ভাষা নজর কেড়েছে আলাদাভাবে।
রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী কোচ সালাউদ্দিন সাইফের পরিশ্রম ও ধৈর্যের প্রসঙ্গ তুলেও ধরলেও বাড়তি হাইপ নিয়ে কথা বলেন, ‘আমি আগেও অনুরোধ করেছি যে একবার কাউকে খুব তাড়াতাড়ি আকাশে তুলে ফেলবেন না কাউকে তাড়াতাড়ি নিচেও নামাবেন না। ভালো খেলেছে, কাম ব্যাক করেছে যে এটা আসলে শক্ত মানসিকতার একটা পরিচয়। যে কোনো মানুষের যখন ব্যাকফুটে চলে যাবে সেখান থেকে সবাই আসলে বেরিয়ে আসতে পারে না।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে গড়ে তোলা সহজ নয় মনে করেন সালাউদ্দিন, ‘একটা সময় সে ছিল টেস্ট প্লেয়ার, সেখান থেকে সে বেরিয়ে এসে যে ক্যারেক্টার শো করেছে এটা আসলে সবার ভিতরে থাকে না। উন্নতি তো চালিয়ে নিতে হবে, তার চেষ্টাটা ছিল। এটা আসলে খেলোয়াড় নিজেই চেষ্টা করেছে। সে আসলে নিজেকে অন্য জায়গায় দেখতে চেয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বারবার প্রথম ৬-৭টি ম্যাচে সে ফেইল করেছে। সেখান থেকে মেন্টালি আবার ঘুরে দাঁড়ানো এটা আসলে কঠিন কাজ।’
সালাউদ্দিনের মতে, সাইফের ভিতরে থাকা ধৈর্য আর নিবেদন তাকে এতদূর নিয়ে এসেছে, তার আশা সাইফ আরও বড় কিছুও করবেন, ‘হয়তো আমরা বাইরে থেকে মনে করি এটা অনেক সহজ কাজ। এটা অনেক কঠিন কাজ। সেই কাজটা সে করেছে, সেটা তার ক্যারেক্টারের ভিতরে ছিল। সে নিজে উন্নতি করার চেষ্টা করেছে। এ কারণে তার আসলে ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। রোববার ম্যাচে যে ক্যারেক্টারটা শো করেছে সেটা যেন আরও কন্টিনিউ করতে পারে। আর ওর চেষ্টার কথা বলবো যে, অনেক মানুষই চেষ্টা করে বাট যে ধৈর্যটা আসলে অনেকের হয়তো থাকে এক মাস, দুই মাস বা এক বছর। কিন্তু তার ধৈর্যটা চার বছর ধরে দেখলাম। এটা একটা বড় ধরনের যে, আপনি আসলে কতদিন ধরে ধৈর্যটা ধরে রাখলেন সেটার ফল পাচ্ছেন, ভবিষ্যতে হয়তো সে আরও ভালো করবে।’’