খুলনা, বরগুনা, মৌলভিবাজার, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জসহ দেশের অনেক স্থানে গবাদি পশু লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কোথাও কোথাও গবাদি পশু মারাও গেছে। অনেক খামারি রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এলএসডি রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভুক্তভোগী খামারিদের কপালে দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আসন্ন কোরবানির ঈদে গরু বিক্রির অপেক্ষায় আছেন অনেক খামারি। এই রোগের কারণে তারা গরু-ছাগল বিক্রির লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেন কিনা সেই আশঙ্কায় আছেন। বরং অনেক খামারি বা কৃষক গবাদি পশু হারিয়ে হতে পারেন সর্বস্বান্ত।
এক ধরনের ভাইরাসের কারণে গবাদি পশু এলএসডি রোগে আক্রান্ত হয়। এই রোগে গবাদি পশুর ত্বক ফুলে যায়, ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষত সৃষ্টি হয়। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, এটা সংক্রামক। সংক্রামক এই রোগ গবাদিপশুর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্বস্তির কথা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ ঘটে না। কাজেই এতে খামারি বা কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।
লাম্পি স্কিন ডিজিজকে বলা হয় গরুর খুরা রোগের চেয়ে ভয়াবহ। কোনো একটি খামারে যদি এলএসডি রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে তবে সেখানকার সব গবাদিপশু এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মশা-মাছির মাধ্যমে এক খামার থেকে আরেক খামারে এই রোগের সংক্রমণ ঘটলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যদিও দেশে অতীতে এলএসডি মহমারী আকারে ছড়ায়নি।
গবাদি পশুর এই রোগের চিকিৎসা অর্থাৎ ভ্যাকসিন সহজলভ্য নয়। আবার রোগাক্রান্ত পশুর চিকিৎসা খরচও কম নয়। যেসব এলাকায় এলএসডির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে গবাদি পশুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।
গবাদি পশুরু এই রোগ প্রতিরোধকেই শ্রেয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কোন গরু এই রোগে আক্রান্ত হলে সেটাকে খামারের অন্য পশুর কাছ থেকে সরিয়ে আলাদা রাখতে হবে। কোনো খামারে এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে খামারিরা যেন দ্রুত গবাদি পশুর চিকিৎসায় পদক্ষেপ নেয় সে বিষয়ে তাদের সচেতন করে তোলা জরুরি। আক্রান্ত গুরুকে যেন মশা-মাছি কামড়াতে না পারে সেজন্য মশারি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। খামারের গবাদি পশুগুলোকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার, ২৫ জুন ২০২৩
খুলনা, বরগুনা, মৌলভিবাজার, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জসহ দেশের অনেক স্থানে গবাদি পশু লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কোথাও কোথাও গবাদি পশু মারাও গেছে। অনেক খামারি রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এলএসডি রোগে গবাদি পশু আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভুক্তভোগী খামারিদের কপালে দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আসন্ন কোরবানির ঈদে গরু বিক্রির অপেক্ষায় আছেন অনেক খামারি। এই রোগের কারণে তারা গরু-ছাগল বিক্রির লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেন কিনা সেই আশঙ্কায় আছেন। বরং অনেক খামারি বা কৃষক গবাদি পশু হারিয়ে হতে পারেন সর্বস্বান্ত।
এক ধরনের ভাইরাসের কারণে গবাদি পশু এলএসডি রোগে আক্রান্ত হয়। এই রোগে গবাদি পশুর ত্বক ফুলে যায়, ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষত সৃষ্টি হয়। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, এটা সংক্রামক। সংক্রামক এই রোগ গবাদিপশুর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্বস্তির কথা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ ঘটে না। কাজেই এতে খামারি বা কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।
লাম্পি স্কিন ডিজিজকে বলা হয় গরুর খুরা রোগের চেয়ে ভয়াবহ। কোনো একটি খামারে যদি এলএসডি রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে তবে সেখানকার সব গবাদিপশু এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মশা-মাছির মাধ্যমে এক খামার থেকে আরেক খামারে এই রোগের সংক্রমণ ঘটলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যদিও দেশে অতীতে এলএসডি মহমারী আকারে ছড়ায়নি।
গবাদি পশুর এই রোগের চিকিৎসা অর্থাৎ ভ্যাকসিন সহজলভ্য নয়। আবার রোগাক্রান্ত পশুর চিকিৎসা খরচও কম নয়। যেসব এলাকায় এলএসডির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে গবাদি পশুর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।
গবাদি পশুরু এই রোগ প্রতিরোধকেই শ্রেয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কোন গরু এই রোগে আক্রান্ত হলে সেটাকে খামারের অন্য পশুর কাছ থেকে সরিয়ে আলাদা রাখতে হবে। কোনো খামারে এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে খামারিরা যেন দ্রুত গবাদি পশুর চিকিৎসায় পদক্ষেপ নেয় সে বিষয়ে তাদের সচেতন করে তোলা জরুরি। আক্রান্ত গুরুকে যেন মশা-মাছি কামড়াতে না পারে সেজন্য মশারি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। খামারের গবাদি পশুগুলোকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।