alt

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবি : অনশনরত শিক্ষার্থীদের ১৫ জন অসুস্থ, ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি

শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে দিনভর শিক্ষকদের চেষ্টা

প্রতিনিধি, শাবিপ্রবি : বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২

শাবিপ্রবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে অনশনস্থলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় -সংবাদ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। বর্তমানে অনশনরতদের মধ্যে ১৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি। বাকি ৯ জনকে স্যালাইন পুশ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে অনশনরত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাজল দাস অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে অ্যাম্বুল্যান্সযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে বাংলা বিভাগের মোজাম্মেল হক ও সমাজকর্ম বিভাগের দীপান্বিতা বৃষ্টি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অনশনরত শিক্ষার্থী জাহিদুল হাসান অপূর্ব বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো। কোন প্রতিবন্ধকতাই আমাদের টলাতে পারবে না। শুধু ওয়াশরুমের প্রয়োজন ছাড়া আমরা এই জায়গা থেকে উঠবো না। কোন ধরনের খাবারও গ্রহণ করবো না।’

এদিকে উপাচার্যকে অপসারণে কোন ধরনের তদন্ত কমিটি চান না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় একমাত্র উপাচার্যই দায়ী- এমনটি দাবি করে তদন্ত কমিটির প্রয়োজন মনে করছে না তারা। বৃহস্পতিবার অনশনস্থলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটিই জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের ওপর হামলার ঘটনার জন্য একমাত্র উপাচার্যই দায়ী। তার নির্দেশেই হামলা হয়েছে। পুলিশ হামলা করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল।

উপাচার্যের অপসারণের আগে তার জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন তদন্ত কমিটি গঠন করুক সেটা চান কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষার্র্থীরা বলেন, আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, উপাচার্যের মদদেই পুলিশ আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা তাই উপাচার্যের অপসারণ চাই। উপাচার্যকে অপসারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা রাষ্ট্রপতি কোন তদন্ত কমিটি গঠন করুক তা আমরা চাই না।

অন্যদিকে বেলা ১২টার দিকে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। এ সময় অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, তোমাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য আমরা সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। এ ক্যাম্পাসে যাতে আর এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে আমরা সে পরিবেশ নিশ্চিত করব। এ ব্যাপারে আলোচনা করে সমাধানে যেতে চাই। শিক্ষার্থীরা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এখন আর আলোচনায় বসার সুযোগ নেই। যে উপাচার্য পুলিশকে গুলি করার অনুমতি দেন তিনি আর এই পদে থাকার অধিকার রাখেন না।

এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধিদল দিনভর একাধিকবার চেষ্টা করেও আলোচনার প্রস্তাব দিলেই এতে সাড়া দেয়নি শিক্ষার্থীরা। বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল প্রভোস্ট বডির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রোববার (১৬ জানুয়ারি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করতে হলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

ছবি

ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি ছাত্রলীগের

ছাত্রদল ‘দমনে’ ব্যবহৃত হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

ছাত্রদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতার মামলা

ছবি

কর্মসূচিতে বাধা : ঢাবিতে ফের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল

ছবি

ঢাবিতে ফের ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষে আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

ছবি

সাংবাদিককে পিটিয়ে মোবাইল ছিনতাই করেছে ছাত্রলীগ

ছবি

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঢাবি ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেয়ার পরিকল্পনা ছাত্রলীগের

ছবি

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা ঢাবি প্রশাসনের

ছবি

ঢাবিতে সালাম না দেওয়ায় ছাত্রলীগের থাপ্পড় খেয়ে কানের শ্রবণশক্তি হারালো শিক্ষার্থী

ছবি

ছাত্রদলের দুই নেতাকে ড্রেনে রেখে পেটালো ছাত্রলীগ

ছবি

ঢাবিতে ছাত্রদলের উপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৪০

ছবি

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২

বিএসএমএমইউতে বিশ্বআইবিডি ও নার্স দিবস পালিত

ঢাবিতে সাংবাদিকের ওপর চড়াও হলেন ছাত্রলীগ নেতা

ছবি

ঢাবিতে সাংবাদিকের উপর চড়াও হলেন ছাত্রলীগ নেতা পুতুল

ছবি

বিএসএমএমইউতে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

ছবি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের দুই পক্ষের বাকবিতন্ডা

ছবি

হলের ছাদ থেকে পড়ে জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি

১৭ তম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস: শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নের পথে নিরন্তর স্বপ্নযাত্রা

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৮ মে

ছবি

আগামী শনিবার বিএসএমএমইউ এর ২৫তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

ছবি

‘খন্দকার মোশতাককে শ্রদ্ধা’, ঢাবি অধ্যাপক সহ তিন জনকে রহমত উল্লাহর আইনি নোটিশ

ঢাবির চারুকলায় ছাত্রদের সাথে নিয়ে ছাত্রীদের যৌন হেনস্তার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

ছবি

ক্ষমা চেয়ে বড় শাস্তি থেকে পার পেলেন যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক

টয়লেট ছাড়াই স্কুলভবন

ঢাকা কলেজে র‍্যাব ও ডিবির যৌথ অভিযান, আটক ১

ছবি

ছিনতাইকারীকে ধরতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিলেন শিক্ষার্থী

ছবি

‘আমরা ঘরে বসে থাকলেও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যেতে পারবেন না’

ছবি

নিউমার্কেট সাংবাদিক নির্যাতন-লাঞ্ছনার ঘটনায় ডুজার উদ্বেগ

ছবি

নিউমার্কেটে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে সতিকসাসের মানববন্ধন

বক্তব্যটি অধ্যাপক রহমত উল্লাহর ব্যক্তিগত, ঢাবি শিক্ষক সমিতির নয়

আন্দোলনে ঢাকা কলেজকে সমর্থন ঢাবি শিক্ষার্থীদের

হল ছাড়েনি ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা , অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

রমেক অধ্যক্ষের সরকারি বাস ভবনের মালামাল লুটের অভিযোগ

ছবি

৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঢাকা কলেজ , বিকেলের মধ্যে ছাড়তে হবে ছাত্রাবাস

ছবি

মধ্যরাতে ঢাকা কলেজের সব ক্লাস-পরীক্ষা ‘স্থগিত’

tab

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবি : অনশনরত শিক্ষার্থীদের ১৫ জন অসুস্থ, ৩ জন হাসপাতালে ভর্তি

শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে দিনভর শিক্ষকদের চেষ্টা

প্রতিনিধি, শাবিপ্রবি

শাবিপ্রবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে অনশনস্থলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় -সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। বর্তমানে অনশনরতদের মধ্যে ১৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি। বাকি ৯ জনকে স্যালাইন পুশ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে অনশনরত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাজল দাস অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে অ্যাম্বুল্যান্সযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে বাংলা বিভাগের মোজাম্মেল হক ও সমাজকর্ম বিভাগের দীপান্বিতা বৃষ্টি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অনশনরত শিক্ষার্থী জাহিদুল হাসান অপূর্ব বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো। কোন প্রতিবন্ধকতাই আমাদের টলাতে পারবে না। শুধু ওয়াশরুমের প্রয়োজন ছাড়া আমরা এই জায়গা থেকে উঠবো না। কোন ধরনের খাবারও গ্রহণ করবো না।’

এদিকে উপাচার্যকে অপসারণে কোন ধরনের তদন্ত কমিটি চান না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় একমাত্র উপাচার্যই দায়ী- এমনটি দাবি করে তদন্ত কমিটির প্রয়োজন মনে করছে না তারা। বৃহস্পতিবার অনশনস্থলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটিই জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের ওপর হামলার ঘটনার জন্য একমাত্র উপাচার্যই দায়ী। তার নির্দেশেই হামলা হয়েছে। পুলিশ হামলা করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল।

উপাচার্যের অপসারণের আগে তার জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন তদন্ত কমিটি গঠন করুক সেটা চান কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষার্র্থীরা বলেন, আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, উপাচার্যের মদদেই পুলিশ আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমরা তাই উপাচার্যের অপসারণ চাই। উপাচার্যকে অপসারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা রাষ্ট্রপতি কোন তদন্ত কমিটি গঠন করুক তা আমরা চাই না।

অন্যদিকে বেলা ১২টার দিকে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। এ সময় অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, তোমাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য আমরা সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। এ ক্যাম্পাসে যাতে আর এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে আমরা সে পরিবেশ নিশ্চিত করব। এ ব্যাপারে আলোচনা করে সমাধানে যেতে চাই। শিক্ষার্থীরা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এখন আর আলোচনায় বসার সুযোগ নেই। যে উপাচার্য পুলিশকে গুলি করার অনুমতি দেন তিনি আর এই পদে থাকার অধিকার রাখেন না।

এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধিদল দিনভর একাধিকবার চেষ্টা করেও আলোচনার প্রস্তাব দিলেই এতে সাড়া দেয়নি শিক্ষার্থীরা। বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল প্রভোস্ট বডির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রোববার (১৬ জানুয়ারি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করতে হলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

back to top