alt

ক্যাম্পাস

ছাত্রীর অভিযোগে ঢাবি অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষকে অব্যাহতি

ঢাবি প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২২

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি। তাকে বিভাগের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে তার নামে বরাদ্দকৃত কক্ষ বাতিলসহ কয়েকটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বাংলা বিভাগ সূত্র জানায়, গত মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনেন একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী। পরে ওই ছাত্রী বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হকের কাছেও অভিযোগ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ মার্চ বিভাগটির একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়।

বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটির ওই সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়, বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে একজন শিক্ষার্থীর আনা যৌন নিপীড়নের লিখিত অভিযোগের বিষয়টি বিভাগের চেয়ারম্যান একাডেমিক কমিটির সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি ওই ছাত্রীর অভিযোগপত্রটি পড়ে শোনান। কমিটির সদস্যরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশ্বজিৎ ঘোষ ওই ঘটনায় তাঁর ভুল হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি সবার কাছে ‘ক্ষমা প্রার্থনা ও করুণা ভিক্ষা’ করেন। কিন্তু একাডেমিক কমিটির সদস্যরা তাঁর দ্বারা সংঘটিত অতীতের বিভিন্ন যৌন নির্যাতনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রার্থনা গ্রহণ করেননি। বিশ্বজিৎ ঘোষ নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও সভায় উপস্থিত শিক্ষকদের কাছে তা সত্য বলে মনে হয়নি। বরং তাঁর ‘ক্ষমা প্রার্থনা ও করুণা ভিক্ষার’ ঘটনায় তাঁর অপরাধ স্বীকারের বিষয়টিই প্রমাণিত হয়।

পরে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে একাডেমিক কমিটি সর্বসম্মতভাবে চারটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেন।

সেগুলো হলো—

১. সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। (একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে পড়বে সব ধরনের ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষায় প্রত্যবেক্ষণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, এমফিল-পিএইচডি গবেষণা তত্ত্বাবধায়ন, পরীক্ষা কমিটির কাজে অংশগ্রহণ প্রভৃতি)। তাকে ভবিষ্যতে কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে না এবং সিএন্ডডি ও একাডেমিক কমিটির সভায় তাকে ডাকা হবে না। এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতেও কার্যকর থাকবে।

২. তার নামে বরাদ্দকৃত বিভাগীয় কক্ষ বাতিল করা হোক।

৩. আরও বৃহত্তর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে কি না সেটি অভিযোগকারীর সম্মতি সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

৪. তদন্তকালীন সময়েও একাডেমিক কমিটির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজিজুল হকের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি ৷

ছবি

শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

ছবি

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২

বিএসএমএমইউতে বিশ্বআইবিডি ও নার্স দিবস পালিত

ঢাবিতে সাংবাদিকের ওপর চড়াও হলেন ছাত্রলীগ নেতা

ছবি

ঢাবিতে সাংবাদিকের উপর চড়াও হলেন ছাত্রলীগ নেতা পুতুল

ছবি

বিএসএমএমইউতে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

ছবি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের দুই পক্ষের বাকবিতন্ডা

ছবি

হলের ছাদ থেকে পড়ে জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি

১৭ তম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস: শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নের পথে নিরন্তর স্বপ্নযাত্রা

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৮ মে

ছবি

আগামী শনিবার বিএসএমএমইউ এর ২৫তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

ছবি

‘খন্দকার মোশতাককে শ্রদ্ধা’, ঢাবি অধ্যাপক সহ তিন জনকে রহমত উল্লাহর আইনি নোটিশ

ঢাবির চারুকলায় ছাত্রদের সাথে নিয়ে ছাত্রীদের যৌন হেনস্তার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

ছবি

ক্ষমা চেয়ে বড় শাস্তি থেকে পার পেলেন যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত ঢাবি অধ্যাপক

টয়লেট ছাড়াই স্কুলভবন

ঢাকা কলেজে র‍্যাব ও ডিবির যৌথ অভিযান, আটক ১

ছবি

ছিনতাইকারীকে ধরতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিলেন শিক্ষার্থী

ছবি

‘আমরা ঘরে বসে থাকলেও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যেতে পারবেন না’

ছবি

নিউমার্কেট সাংবাদিক নির্যাতন-লাঞ্ছনার ঘটনায় ডুজার উদ্বেগ

ছবি

নিউমার্কেটে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে সতিকসাসের মানববন্ধন

বক্তব্যটি অধ্যাপক রহমত উল্লাহর ব্যক্তিগত, ঢাবি শিক্ষক সমিতির নয়

আন্দোলনে ঢাকা কলেজকে সমর্থন ঢাবি শিক্ষার্থীদের

হল ছাড়েনি ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা , অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

রমেক অধ্যক্ষের সরকারি বাস ভবনের মালামাল লুটের অভিযোগ

ছবি

৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ঢাকা কলেজ , বিকেলের মধ্যে ছাড়তে হবে ছাত্রাবাস

ছবি

মধ্যরাতে ঢাকা কলেজের সব ক্লাস-পরীক্ষা ‘স্থগিত’

ছবি

ঢাবি থেকে অবসর চান সামিয়া রহমান

ছবি

অধ্যাপক রহমত উল্লাহর শাস্তি চেয়েছে ঢাবি ছাত্রলীগ

খন্দকার মোশতাককে শ্রদ্ধাঃ ক্ষমা চেয়েছেন ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি

ছবি

খন্দকার মোশতাককে ঢাবি শিক্ষক নেতার একইসাথে শ্রদ্ধা ও ঘৃণা!

ছবি

বিএসএমএমইউতে হচ্ছে ৫শ শয্যার কার্ডিও ভাস্কুল সাইন্স রিসার্চ

বিক্ষুব্ধ শিক্ষক শিক্ষার্থীর সড়ক অবরোধ

ছবি

বিশ্ব কন্ঠ দিবস পালিত

এমসি কলেজের মাঠ দখলের পাঁয়তারা, মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের অভিযােগ

ঢাবিতে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে

ছবি

বর্ষবরণে প্রতিবন্ধী শিশুদের সাথে ইবি বুননের ইফতার

tab

ক্যাম্পাস

ছাত্রীর অভিযোগে ঢাবি অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষকে অব্যাহতি

ঢাবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২২

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি। তাকে বিভাগের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে তার নামে বরাদ্দকৃত কক্ষ বাতিলসহ কয়েকটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বাংলা বিভাগ সূত্র জানায়, গত মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনেন একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী। পরে ওই ছাত্রী বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হকের কাছেও অভিযোগ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ মার্চ বিভাগটির একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়।

বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটির ওই সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়, বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে একজন শিক্ষার্থীর আনা যৌন নিপীড়নের লিখিত অভিযোগের বিষয়টি বিভাগের চেয়ারম্যান একাডেমিক কমিটির সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি ওই ছাত্রীর অভিযোগপত্রটি পড়ে শোনান। কমিটির সদস্যরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশ্বজিৎ ঘোষ ওই ঘটনায় তাঁর ভুল হয়েছে বলে মনে করেন। তিনি সবার কাছে ‘ক্ষমা প্রার্থনা ও করুণা ভিক্ষা’ করেন। কিন্তু একাডেমিক কমিটির সদস্যরা তাঁর দ্বারা সংঘটিত অতীতের বিভিন্ন যৌন নির্যাতনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রার্থনা গ্রহণ করেননি। বিশ্বজিৎ ঘোষ নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও সভায় উপস্থিত শিক্ষকদের কাছে তা সত্য বলে মনে হয়নি। বরং তাঁর ‘ক্ষমা প্রার্থনা ও করুণা ভিক্ষার’ ঘটনায় তাঁর অপরাধ স্বীকারের বিষয়টিই প্রমাণিত হয়।

পরে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে একাডেমিক কমিটি সর্বসম্মতভাবে চারটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেন।

সেগুলো হলো—

১. সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। (একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে পড়বে সব ধরনের ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষায় প্রত্যবেক্ষণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, এমফিল-পিএইচডি গবেষণা তত্ত্বাবধায়ন, পরীক্ষা কমিটির কাজে অংশগ্রহণ প্রভৃতি)। তাকে ভবিষ্যতে কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে না এবং সিএন্ডডি ও একাডেমিক কমিটির সভায় তাকে ডাকা হবে না। এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতেও কার্যকর থাকবে।

২. তার নামে বরাদ্দকৃত বিভাগীয় কক্ষ বাতিল করা হোক।

৩. আরও বৃহত্তর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে কি না সেটি অভিযোগকারীর সম্মতি সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

৪. তদন্তকালীন সময়েও একাডেমিক কমিটির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজিজুল হকের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি ৷

back to top