alt

ক্যাম্পাস

সীমান্তে মিয়ানমারের আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক নীতিমালা অমান্য করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক সীমানা লঙ্ঘন ও হামলায় বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

আজ সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল মিয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা বলেন, আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে মায়ানমার জান্তা সরকারকে বলতে চাই, Myanmar Military Junta, Tack back Rohingya to Myanmar. Stop Violating Bangladeshi border.

বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, We want Bangladeshi Military give perfect replay on Bangladesh -Myanmar border.

তিনি আরো বলেন, আওয়ামিলীগ সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। এটা আমাদের রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। মিয়ানমার থেকে মর্টার শেল ছোড়া হচ্ছে, তাদের ছোড়া শেলে মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যে, এটা একটা গুড নিউজ যে, মর্টার শেল ব্লাস্ট হয় নি। এমন অপদার্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।

বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, বড় বড় দলের বড় বড় নেতারা দেশকে বিভাজনের রাজনীতি করছে। তিনি আরো বলেন, আমরা ছাত্ররা ৭১ এ জাতিকে পথ দেখিয়েছি। আবারো স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের উপর আক্রমণ আসলে আমরা সহ্য করবো না। আমার মায়ের গায়ে আঘাত লাগলে আমি কখনো চুপ থাকতে পারি না। যারা এরপরে ও চুপ হয়ে আছে কোন প্রতিবাদ নেই তারা কখনো দেশপ্রেমিক হতে পারে না। আমরা দেখি ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বড় বড় মিছিল করে ক্যাম্পাসে, তাদের দলের অন্তর্জাতিক অর্জন নিয়ে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নিয়ে। এটা আসলে কি? এটা এওয়ার্ড আর সার্টিফিকেটেই সীমাবদ্ধ। সত্যি হলে রহিঙ্গা সমস্যা থাকত না। সীমান্ত হত্যা হতো না। বানিজ্য বৈষম্য থাকত না। তিস্তা চুক্তি হতো, বাংলাদেশ ও ট্রানজিট পেত।

তিনি আরো বলেন, খুব অশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, যেখানে ছাত্রলীগ আওয়ামিলীগের নেতারা নিজেদের চাদাবাজি করার এরিয়া অন্য কেউ দখলে নিলে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়, লাশ ফেলে দেয় সেখানে দেশ আক্রান্ত হলেও তারা চুপ। তারা আসলে চাদাবাজি আর ভাগাভাগির রাজনীতি করে। এম পি মন্ত্রী হবার রাজনীতি করে। লাশের উপর দিয়ে ক্ষমতায় আসার রাজনীতি করে।

সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, যদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে না দেয়া হয়, সীমান্তে কড়া জবাব না দেয়া হয়, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিয়ানমার দূতাবাস অভিমূখে লংমার্চ করবো।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, দেশের সংকটে সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগনকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে। জনগণের নেতৃত্বে গণপ্রতিরক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।কূটনৈতিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটারবিহীন অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে ফেলছে। যেহেতু সরকার ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আছে ফলে তারা বিদেশি পরাশক্তির সঙ্গে আতাত করে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এই সরকার বিগত ১৪ বছরে নিজেদের মেরুদন্ডহীন পররাষ্ট্রনীতি দ্বারা ভারতের কাছে মথানত করে সব মেনে নেয় এখন মায়ানমারের নিকটও সার্বভৌমত্বের হুমকির মুখে। ছাত্র অধিকার পরিষদ যেকোন পরিস্থিতিতে দেশের জন্য প্রস্তুত আছে।

ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তে মায়ানমার জান্তা বাহিনীর গোলা নিক্ষেপের প্রতিবাদে এখন পর্যন্ত এদেশের সরকারের নিরব ভুমিকা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা বলতে চাই, দেশের সার্বভৌমত্বের উপরে আঘাত আসে আর এসময় এদেশের বাহিনীকে বসিয়ে রেখে তামাশা দেখার জন্য জনগণ ভ্যাট-ট্যাক্স দেয় না। সেনাবাহিনীর ভুমিকা কী? বিজিবির ভুমিকা কী? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভুমিকা কী, সরকারের ভুমিকা কী আমরা জানতে চাই। এই সরকার দেশের গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার, ন্যায়বিচারসহ সব কিছু ধ্বংস করেছে। আমরা বলে দিতে চাই, দেশের ভেতরের সব ধ্বংস করেছেন, যদি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে এমন নতজানু থাকেন, তবে ক্ষমতা ছাড়তে আপনাদেরকে বাধ্য করা হবে। আর এদেশের আপামর ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে আমরা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি নিয়ে সামনে আগাবো।

ইডেন ছাত্রীদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করার সত্যতা পায়নি তদন্ত কমিটি

ছবি

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ৯ নেতার আগাম জামিন

ছবি

জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে স্ক্রাচ প্রোগ্রামিং এবং রোবটিক্স কর্মশালা

ছবি

গ্রামীণফোনের স্কিটো হ্যাকাথনে বিজয়ী ‘সার্কিট ব্রোকার্স’

ছবি

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণাভিত্তিক সংগঠন ‘ইআরডিএফবি’র আত্মপ্রকাশ

ছবি

ছাত্রলীগের দু-পক্ষের অস্ত্র মহড়া: কুবিতে হল বন্ধ, পরীক্ষা স্থগিত

ছবি

এসি-ফ্রিজ নিয়ে রাজার হালে ঢাবির হলে থাকছেন চাকরিজীবী ছাত্রলীগ নেতা

ছবি

৩ বছরেও অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়নি ভূমি জটিলতায় স্থবির নির্মাণকাজ

ছবি

ইডেন ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টা মামলা

শাবিপ্রবিতে পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

উপাচার্যকে ‘চাকরবাকর’ বলার প্রতিবাদ ঢাবি শিক্ষক সমিতির

ইডেনের ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তের নির্দেশ

ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিতের দাবি ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের

ঢাবিতে ছাত্রদলের উপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ঢাবি ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

ছবি

ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ: ঢাবি ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ছবি

ইডেনের ঘটনা তদন্তে কলেজ প্রশাসনের ৪ সদস্যের কমিটি

ছবি

ছাত্রলীগ কর্মীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

ছবি

আমরণ অনশনের ঘোষণা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের

ছবি

সংবাদ সম্মেলনেই ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

ছবি

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা

ছবি

জনরোষে হল ছেড়ে পালাল ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারি

ইডেনে মুখোমুখি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ,রাতভর উত্তেজনা

ছবি

অনিয়মিত ইউরোপফেরতদের প্রতি অপবাদ ও বৈষম্য কমাতে সিফারের মাইগ্র্যান্ট প্রোজেক্ট

চবি ফটকে তালা দিলেই অ্যাকশনে যাবে প্রশাসন

ছবি

ঢাবিতে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই, মূল হোতাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

ছবি

ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড-বাংলাদেশের জাতীয় পর্ব এবছর অফলাইনে

ঢাবির জগন্নাথ হলে ঘুমের মধ্যে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি

ঢাবি সাংবাদিক সমিতির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবি

ইবিতে যুক্ত হলো নতুন ৫ টি গাড়ি

ছবি

ইবিতে ফটোগ্রাফিক সোসাইটির কর্মশালা

ছবি

আগামীতে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রুপান্তর করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জঃ ড. ফরাসউদ্দিন

ঢাবির সিন্ডিকেট নির্বাচনে সব পদে আওয়ামীপন্থীদের নিরঙ্কুশ জয়

ছবি

ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন চলছে

ছবি

সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল

ইবি খালেদা জিয়া হল ডিবেটিং সোসাইটির নতুন কমিটি

tab

ক্যাম্পাস

সীমান্তে মিয়ানমারের আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক নীতিমালা অমান্য করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক সীমানা লঙ্ঘন ও হামলায় বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

আজ সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল মিয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা বলেন, আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে মায়ানমার জান্তা সরকারকে বলতে চাই, Myanmar Military Junta, Tack back Rohingya to Myanmar. Stop Violating Bangladeshi border.

বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, We want Bangladeshi Military give perfect replay on Bangladesh -Myanmar border.

তিনি আরো বলেন, আওয়ামিলীগ সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। এটা আমাদের রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। মিয়ানমার থেকে মর্টার শেল ছোড়া হচ্ছে, তাদের ছোড়া শেলে মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যে, এটা একটা গুড নিউজ যে, মর্টার শেল ব্লাস্ট হয় নি। এমন অপদার্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।

বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, বড় বড় দলের বড় বড় নেতারা দেশকে বিভাজনের রাজনীতি করছে। তিনি আরো বলেন, আমরা ছাত্ররা ৭১ এ জাতিকে পথ দেখিয়েছি। আবারো স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের উপর আক্রমণ আসলে আমরা সহ্য করবো না। আমার মায়ের গায়ে আঘাত লাগলে আমি কখনো চুপ থাকতে পারি না। যারা এরপরে ও চুপ হয়ে আছে কোন প্রতিবাদ নেই তারা কখনো দেশপ্রেমিক হতে পারে না। আমরা দেখি ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বড় বড় মিছিল করে ক্যাম্পাসে, তাদের দলের অন্তর্জাতিক অর্জন নিয়ে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নিয়ে। এটা আসলে কি? এটা এওয়ার্ড আর সার্টিফিকেটেই সীমাবদ্ধ। সত্যি হলে রহিঙ্গা সমস্যা থাকত না। সীমান্ত হত্যা হতো না। বানিজ্য বৈষম্য থাকত না। তিস্তা চুক্তি হতো, বাংলাদেশ ও ট্রানজিট পেত।

তিনি আরো বলেন, খুব অশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, যেখানে ছাত্রলীগ আওয়ামিলীগের নেতারা নিজেদের চাদাবাজি করার এরিয়া অন্য কেউ দখলে নিলে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়, লাশ ফেলে দেয় সেখানে দেশ আক্রান্ত হলেও তারা চুপ। তারা আসলে চাদাবাজি আর ভাগাভাগির রাজনীতি করে। এম পি মন্ত্রী হবার রাজনীতি করে। লাশের উপর দিয়ে ক্ষমতায় আসার রাজনীতি করে।

সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, যদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে না দেয়া হয়, সীমান্তে কড়া জবাব না দেয়া হয়, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিয়ানমার দূতাবাস অভিমূখে লংমার্চ করবো।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, দেশের সংকটে সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগনকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে। জনগণের নেতৃত্বে গণপ্রতিরক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।কূটনৈতিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটারবিহীন অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে ফেলছে। যেহেতু সরকার ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আছে ফলে তারা বিদেশি পরাশক্তির সঙ্গে আতাত করে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এই সরকার বিগত ১৪ বছরে নিজেদের মেরুদন্ডহীন পররাষ্ট্রনীতি দ্বারা ভারতের কাছে মথানত করে সব মেনে নেয় এখন মায়ানমারের নিকটও সার্বভৌমত্বের হুমকির মুখে। ছাত্র অধিকার পরিষদ যেকোন পরিস্থিতিতে দেশের জন্য প্রস্তুত আছে।

ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তে মায়ানমার জান্তা বাহিনীর গোলা নিক্ষেপের প্রতিবাদে এখন পর্যন্ত এদেশের সরকারের নিরব ভুমিকা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা বলতে চাই, দেশের সার্বভৌমত্বের উপরে আঘাত আসে আর এসময় এদেশের বাহিনীকে বসিয়ে রেখে তামাশা দেখার জন্য জনগণ ভ্যাট-ট্যাক্স দেয় না। সেনাবাহিনীর ভুমিকা কী? বিজিবির ভুমিকা কী? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভুমিকা কী, সরকারের ভুমিকা কী আমরা জানতে চাই। এই সরকার দেশের গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার, ন্যায়বিচারসহ সব কিছু ধ্বংস করেছে। আমরা বলে দিতে চাই, দেশের ভেতরের সব ধ্বংস করেছেন, যদি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে এমন নতজানু থাকেন, তবে ক্ষমতা ছাড়তে আপনাদেরকে বাধ্য করা হবে। আর এদেশের আপামর ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে আমরা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি নিয়ে সামনে আগাবো।

back to top