বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর শাহবাগে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনকারীরা।
কমিশনার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমি দুঃখিত।” তিনি এ ঘটনায় তদন্তে বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান।
এর আগে সন্ধ্যায় সরকারের দুই উপদেষ্টার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। দিনের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা, লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
শিক্ষার্থীরা দুপুরে যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। সংঘর্ষের পর তারা শাহবাগে ফিরে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ক্ষমা চাওয়া ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিসি মাসুদ আলমকে বরখাস্তের দাবি ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার আগে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কর্মসূচি থেকে তারা বিরত থাকবেন।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা নিষিদ্ধ এলাকায় বেআইনি সমাবেশ করেছিল। তারা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। তাই আইনগতভাবেই সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর শাহবাগে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনকারীরা।
কমিশনার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমি দুঃখিত।” তিনি এ ঘটনায় তদন্তে বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান।
এর আগে সন্ধ্যায় সরকারের দুই উপদেষ্টার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। দিনের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা, লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
শিক্ষার্থীরা দুপুরে যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। সংঘর্ষের পর তারা শাহবাগে ফিরে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ক্ষমা চাওয়া ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিসি মাসুদ আলমকে বরখাস্তের দাবি ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার আগে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কর্মসূচি থেকে তারা বিরত থাকবেন।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা নিষিদ্ধ এলাকায় বেআইনি সমাবেশ করেছিল। তারা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। তাই আইনগতভাবেই সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে।