alt

সংস্কৃতি

কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : রোববার, ২০ নভেম্বর ২০২২

মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির অনেক প্রগতিশীল আন্দোলনে ভূমিকা পালনকারী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

প্রগতিশীল আন্দোলনের এই অগ্রদূত ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

এ উপলক্ষে আজ (রোববার) বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে কবির স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের শিক্ষা ও অধিকার আদায়ের আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অবদানের জন্য তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবী জানান তিনি । ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন ‘কচি-কাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে। কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

কবির জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। তখন বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

‘সাঁঝের মায়া’, ‘মন ও জীবন, ‘শান্তি ও প্রার্থনা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া ‘সোভিয়েতের দিনগুলি’ এবং ‘একাত্তরের ডায়েরী’ তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

ছবি

কলকাতায় বাংলদেশের বইমেলা উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি

দুদেশের সৌহার্দের নতুন দিগন্ত সূচনার আশা

ছবি

বগুড়ায় কবি সম্মেলনে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে লেখক চক্রের সম্মাননা

ছবি

মাটির তৈজস গড়ে ৬৫ বছর পার করলেন ভালুকার মৃৎ শিল্পী শোভারানী পাল

ছবি

নওগাঁয় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সন্মাননা প্রদান

ছবি

নির্বাচন কেন্দ্রীক অস্থিতিশীলতাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

ছবি

২ বছর ধরে বন্ধ : নষ্ট হচ্ছে মাধবপুর উপজেলা লাইব্রেরী আসবাবপত্র ও মূল্যবান বই

সংস্কৃতির সম্পর্ক সীমান্তের কাঁটাতার, সাত সমুদ্রও চ্ছিন্ন করতে পারেনা

ফরিদপুরে স্বাধীনতার সুবর্ণ-জয়ন্তি চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন

ছবি

আবৃত্তিপ্রেমীর দ্বিতীয় আবৃত্তি উৎসব শুক্রবার

কলকাতায় শুরু হলো চর্তুথ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব

ছবি

নানা আয়োজনে উদীচীর ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

অষ্টম জাতীয় ত্বকী চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী আর্ট গ্যালারি উদ্বোধন

ছবি

দুই বাংলার মিলন উৎসব শুরু

ছবি

সুলতান উৎসবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শিশুদের মিলনমেলা

অবশেষে শুরু কবীর সুমনের গানের আসর

ছবি

রাবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চিহ্নমেলা মুক্তবাঙলা’

ছবি

শান্তির বার্তা নিয়ে রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন শুরু

ছবি

আজ সুমনের গান, ভেন্যু নিয়ে নাটকীয়তা

আগামীকাল শুক্রবার থেকে ঢাকায় শুরু হবে ৩দিনব্যাপী জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন

ছবি

‘ব্যক্তি জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবার আর লুকিয়ে নয়, সবাইকে জানিয়েই করবো’

ছবি

মণিপুরী ভাষায় নজরুলের ৩০টি কবিতা অনুবাদ করলেন যমুনা লরেইঞ্জাম

ছবি

রাজশাহীতে দুই কবি-লেখক পাচ্ছেন ‘কবিকুঞ্জ পদক’ পদক

আত্মদানের নব্বইতম বার্ষির্কীতে বীরকন্যা প্রীতিলতা চলচ্চিত্রের ফার্স্টলুক টিজার প্রকাশ

ছবি

গান-কবিতা-নৃত্যে ঢাবির বকুলতলায় শরৎ উৎসব

ছবি

দুইদফা তারিখ ঘোষণার পরেও কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা স্থগিত

ছবি

সভ্যতার অনুপম নিদর্শন আত্রাইয়ের তিন গুম্বুজ মসজিদ ও মঠ

ছবি

প্রতিকূল পরিবেশে সফল হয়েছেন সংস্কৃতিকর্মীরা, অনুকূল পরিবেশে ব্যর্থ হচ্ছেন

ছবি

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় এডিনবার্গ আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি সম্মেলন

ছবি

খুদে শিল্পীদের রঙতুলি: ১৩০ ফুট ক্যানভাসে ফুটে উঠলো বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও পরিবেশ-প্রকৃতি

ছবি

‘গল্প বলার স্বাধীনতা’ চেয়ে শিল্পী-নির্মাতাদের মতবিনিময় সভা

ছবি

ঢাবির মঞ্চে হ্যামলেট-ম্যাকবেথ-ওথেলো অনুসৃত নতুন নাটক করুণা ও ভীতির গল্প

ছবি

ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মৈত্রীর লক্ষ্যে কবিতা উৎসব মুর্শিদাবাদে

ছবি

লক্ষ্যাপাড়ের বয়ানে ‘দাগ আর্ট স্টেশন’

ছবি

লক্ষ্যাপাড়ের গল্প জানাতে দাগের সপ্তাহব্যাপী চিত্রকর্ম প্রদর্শনী

tab

সংস্কৃতি

কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

রোববার, ২০ নভেম্বর ২০২২

মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির অনেক প্রগতিশীল আন্দোলনে ভূমিকা পালনকারী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

প্রগতিশীল আন্দোলনের এই অগ্রদূত ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

এ উপলক্ষে আজ (রোববার) বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে কবির স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের শিক্ষা ও অধিকার আদায়ের আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অবদানের জন্য তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবী জানান তিনি । ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন ‘কচি-কাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে। কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

কবির জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। তখন বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

‘সাঁঝের মায়া’, ‘মন ও জীবন, ‘শান্তি ও প্রার্থনা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া ‘সোভিয়েতের দিনগুলি’ এবং ‘একাত্তরের ডায়েরী’ তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

back to top