মোশাররফ করিম - কেয়া পায়েল
জুয়েল এলিনের গল্পে ‘মিস্টার অভাগা’ শিরোনামের নাটকটি নির্মাণ করছে রাকেশ বসু। নাটকটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম ও কেয়া পায়েল। গল্পে দেখা যায়, তার জন্মের পরে দাই যখন তার চেহারা মাকে দেখায় তখনই তার মায়ের মৃত্যু ঘটে। প্রথম যেদিন ব্যবসাপ হাল ধরতে বাবা হোসেন আলীর আড়তে পা রাখে সেদিনই লাগে আগুন।
তখন থেকে মানুষ তাকে দেখলে টিটকারী মেরে বলে অভাগা যেদিকে চায় সেদিকেই সাগর শুকায়। কিসমত এর কথা হলো অভাগার জন্য একটা মস্ত সাগর শুকাবে কেন? তাই সে সাগর নামের লোকের সাথে সে কোনোদিন বন্ধুত্ব করেনি। গ্রামে রাস্তায় টং দোকানে কাউকে সাগর কলা খেতে দেখলে উড়াধুরা মাইর দিয়ে সবরি কলা খাওয়ার পরামর্শ দেয়। কোথাও কোনো জায়গায় “নীল সাগর পাড় হয়ে তোমার কাছে এসেছি” এই গানটি শুনলেই সেখানে গিয়ে ভাংচুর করে।
গ্রামের বন্ধুবান্ধবের শত অনুরোধ শর্তেও সাগর দেখতে কখনো কক্সবাজারও যায়নি। সেই কিসমতের আজ বিয়ে। এই বিয়ে নিয়ে সে পড়লো জীবনের আরেক অনিশ্চয়তায় যখন বিয়ের কার্ডটি হাতে পেল। যে মেয়েটির সাথে বিয়ে তার ডাক নাম আঁখি জানলেও কিসমত জানতোনা তার আসল নাম সাগরিকা। তখনই সে নিশ্চিত হয় তার বিয়েটা নিয়েও একটা ঘাপলা হবে।
সে যেদিকে চায় যেহেতু সেদিক পুড়ে খাঁক হয়ে যায় তাই সে মেয়েটিকে হারানোর ভয়ে মিথ্যের আশ্রয় নেয় যে তার বাপ দাদারা কনের মুখ দেখে বিয়ে করেনি। সেই রেওয়াজটা অক্ষুন্ন রাখতে গিয়ে সেও কনের মুখ দেখবেনা। আর এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
মোশাররফ করিম - কেয়া পায়েল
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
জুয়েল এলিনের গল্পে ‘মিস্টার অভাগা’ শিরোনামের নাটকটি নির্মাণ করছে রাকেশ বসু। নাটকটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম ও কেয়া পায়েল। গল্পে দেখা যায়, তার জন্মের পরে দাই যখন তার চেহারা মাকে দেখায় তখনই তার মায়ের মৃত্যু ঘটে। প্রথম যেদিন ব্যবসাপ হাল ধরতে বাবা হোসেন আলীর আড়তে পা রাখে সেদিনই লাগে আগুন।
তখন থেকে মানুষ তাকে দেখলে টিটকারী মেরে বলে অভাগা যেদিকে চায় সেদিকেই সাগর শুকায়। কিসমত এর কথা হলো অভাগার জন্য একটা মস্ত সাগর শুকাবে কেন? তাই সে সাগর নামের লোকের সাথে সে কোনোদিন বন্ধুত্ব করেনি। গ্রামে রাস্তায় টং দোকানে কাউকে সাগর কলা খেতে দেখলে উড়াধুরা মাইর দিয়ে সবরি কলা খাওয়ার পরামর্শ দেয়। কোথাও কোনো জায়গায় “নীল সাগর পাড় হয়ে তোমার কাছে এসেছি” এই গানটি শুনলেই সেখানে গিয়ে ভাংচুর করে।
গ্রামের বন্ধুবান্ধবের শত অনুরোধ শর্তেও সাগর দেখতে কখনো কক্সবাজারও যায়নি। সেই কিসমতের আজ বিয়ে। এই বিয়ে নিয়ে সে পড়লো জীবনের আরেক অনিশ্চয়তায় যখন বিয়ের কার্ডটি হাতে পেল। যে মেয়েটির সাথে বিয়ে তার ডাক নাম আঁখি জানলেও কিসমত জানতোনা তার আসল নাম সাগরিকা। তখনই সে নিশ্চিত হয় তার বিয়েটা নিয়েও একটা ঘাপলা হবে।
সে যেদিকে চায় যেহেতু সেদিক পুড়ে খাঁক হয়ে যায় তাই সে মেয়েটিকে হারানোর ভয়ে মিথ্যের আশ্রয় নেয় যে তার বাপ দাদারা কনের মুখ দেখে বিয়ে করেনি। সেই রেওয়াজটা অক্ষুন্ন রাখতে গিয়ে সেও কনের মুখ দেখবেনা। আর এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।