ইসরায়েলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরের রামাল্লায় এক সভায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ফাইল ছবি। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ভিসা বাতিল করায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং আরও ৮০ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা আগামী মাসে নিউ ইয়র্কে হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারছেন না। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি নেতারা শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ ও ‘একতরফা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চাওয়ার’ জন্য দোষী। অন্যদিকে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটিকে অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, কারণ জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী সব দেশের কর্মকর্তাদের যাতায়াত সহজ করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর বলেছিলেন, আব্বাস সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন। কিন্তু পরে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ও প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি (পিএ)-র কর্মকর্তাদের ভিসা বাতিলের কারণে আব্বাস ও প্রায় ৮০ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
পিএ পশ্চিম তীর শাসন করলেও ইসরায়েলি বাধার মুখে পড়ছে। পিএলও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে এবং ১৯৭৪ সাল থেকে জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা রয়েছে। এর অর্থ তারা ভোট দিতে না পারলেও বৈঠকে অংশ নিতে পারে।
মার্কো রুবিও বলেন, পিএলও ও পিএকে শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশীদার বিবেচনা করার আগে, তাদেরকে সন্ত্রাসবাদের বিরোধী মনোভাব দেখাতে হবে এবং শিক্ষাব্যবস্থায় উসকানি বন্ধ করতে হবে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানিয়েছেন, ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জাতিসংঘ দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে এবং শিগগিরই সমাধান আশা করা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, “সব সদস্য রাষ্ট্র ও পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ফ্রান্স ও সৌদি আরব দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে বৈঠক আয়োজন করছে।”
এদিকে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আগামী সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে ১৪৭ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
ইসরায়েলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরের রামাল্লায় এক সভায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ফাইল ছবি। ছবি: রয়টার্স
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্র ভিসা বাতিল করায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং আরও ৮০ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা আগামী মাসে নিউ ইয়র্কে হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারছেন না। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি নেতারা শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ ও ‘একতরফা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চাওয়ার’ জন্য দোষী। অন্যদিকে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটিকে অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, কারণ জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী সব দেশের কর্মকর্তাদের যাতায়াত সহজ করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর বলেছিলেন, আব্বাস সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন। কিন্তু পরে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ও প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি (পিএ)-র কর্মকর্তাদের ভিসা বাতিলের কারণে আব্বাস ও প্রায় ৮০ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
পিএ পশ্চিম তীর শাসন করলেও ইসরায়েলি বাধার মুখে পড়ছে। পিএলও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে এবং ১৯৭৪ সাল থেকে জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা রয়েছে। এর অর্থ তারা ভোট দিতে না পারলেও বৈঠকে অংশ নিতে পারে।
মার্কো রুবিও বলেন, পিএলও ও পিএকে শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশীদার বিবেচনা করার আগে, তাদেরকে সন্ত্রাসবাদের বিরোধী মনোভাব দেখাতে হবে এবং শিক্ষাব্যবস্থায় উসকানি বন্ধ করতে হবে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানিয়েছেন, ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জাতিসংঘ দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে এবং শিগগিরই সমাধান আশা করা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, “সব সদস্য রাষ্ট্র ও পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ফ্রান্স ও সৌদি আরব দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে বৈঠক আয়োজন করছে।”
এদিকে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আগামী সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে ১৪৭ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।