চলতি বছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে এক দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বলে জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমন্বয় কমিটির পঞ্চম সভা শেষে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে এক দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব ৭০ কোটি ডলার, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব সাড়ে ৪৬ কোটি ডলার এবং দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
আজাদ মজুমদার জানান, এসব প্রস্তাবের মধ্যে ২৩ কোটি ১০ লাখ ডলার চূড়ান্ত বিনিয়োগে রূপ নিয়েছে, যা মোট প্রস্তাবনার ১৮ শতাংশ। বৈশ্বিক হারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ প্রস্তাবের কনভার্সন হার ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে থাকে। বাংলাদেশের ১৮ শতাংশ হারকে বৈঠকে সন্তোষজনক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ও সমস্যা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যাংকিং ও কনটেইনার জটসহ নানা সমস্যা বিদ্যমান। বর্তমানে বন্দরের সামনে সাড়ে ছয় হাজার কনটেইনার জড়ো হয়ে আছে। এগুলো সরাতে আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত দুই মাসে এক হাজার কনটেইনার নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রতি মাসে গড়ে ৫০০ কনটেইনার নিলামে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় লালদিয়া বন্দর ও বন্দরের অন্যান্য সম্প্রসারিত অংশের নির্মাণকাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে কর আদায়কে আরও সহজ করার উপায় নিয়েও আলাপ হয়।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী সভায় সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বিজিএমইএর প্রতিনিধিসহ ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
চলতি বছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে এক দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বলে জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমন্বয় কমিটির পঞ্চম সভা শেষে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে এক দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব ৭০ কোটি ডলার, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব সাড়ে ৪৬ কোটি ডলার এবং দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
আজাদ মজুমদার জানান, এসব প্রস্তাবের মধ্যে ২৩ কোটি ১০ লাখ ডলার চূড়ান্ত বিনিয়োগে রূপ নিয়েছে, যা মোট প্রস্তাবনার ১৮ শতাংশ। বৈশ্বিক হারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ প্রস্তাবের কনভার্সন হার ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে থাকে। বাংলাদেশের ১৮ শতাংশ হারকে বৈঠকে সন্তোষজনক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ও সমস্যা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যাংকিং ও কনটেইনার জটসহ নানা সমস্যা বিদ্যমান। বর্তমানে বন্দরের সামনে সাড়ে ছয় হাজার কনটেইনার জড়ো হয়ে আছে। এগুলো সরাতে আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত দুই মাসে এক হাজার কনটেইনার নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রতি মাসে গড়ে ৫০০ কনটেইনার নিলামে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় লালদিয়া বন্দর ও বন্দরের অন্যান্য সম্প্রসারিত অংশের নির্মাণকাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে কর আদায়কে আরও সহজ করার উপায় নিয়েও আলাপ হয়।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী সভায় সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বিজিএমইএর প্রতিনিধিসহ ব্যবসায়ীরা।