ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
দেশের তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা এবং একটি স্থলবন্দরের ‘অপারেশনাল কার্যক্রম’ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার, (২৮ আগস্ট ২০২৫) সকালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রাজনৈতিক নেতাদের নিজস্ব সুবিধার্থে এগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল: প্রেস সচিব
লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত
তিনি জানান, নৌ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা এবং একটি স্থলবন্দরের ‘অপারেশনাল কার্যক্রম’ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে।
বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হওয়া তিনটি স্থলবন্দর হচ্ছে, নীলফামারীর চিলাহাটি স্থলবন্দর, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর ও রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, ‘যে বন্দরগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এগুলো বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিজস্ব সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিপরীত পাশে ভারতের অংশে আরেকটি বন্দর নেই। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো আমদানি রপ্তানির কোনো কাজেই আসছিল না। এসব কারণে বন্দরগুলো বন্ধ করা হয়েছে।’
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে ১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হওয়া তিনটি স্থলবন্দর হচ্ছে, নীলফামারীর চিলাহাটি স্থলবন্দর, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর ও রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
দেশের তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা এবং একটি স্থলবন্দরের ‘অপারেশনাল কার্যক্রম’ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার, (২৮ আগস্ট ২০২৫) সকালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রাজনৈতিক নেতাদের নিজস্ব সুবিধার্থে এগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল: প্রেস সচিব
লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত
তিনি জানান, নৌ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা এবং একটি স্থলবন্দরের ‘অপারেশনাল কার্যক্রম’ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে।
বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হওয়া তিনটি স্থলবন্দর হচ্ছে, নীলফামারীর চিলাহাটি স্থলবন্দর, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর ও রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, ‘যে বন্দরগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এগুলো বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিজস্ব সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিপরীত পাশে ভারতের অংশে আরেকটি বন্দর নেই। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো আমদানি রপ্তানির কোনো কাজেই আসছিল না। এসব কারণে বন্দরগুলো বন্ধ করা হয়েছে।’
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে ১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হওয়া তিনটি স্থলবন্দর হচ্ছে, নীলফামারীর চিলাহাটি স্থলবন্দর, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর ও রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের ‘তিরোধান দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।