ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৃহস্পতিবার যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তাতে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি প্রচার থেকে শুরু করে ভোট আয়োজনের যাবতীয় পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভিতে রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি প্রচার প্রচারিত হবে। দলীয় প্রধানদের বক্তব্যও সম্প্রচার করা হবে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী বেতার ও বিটিভির সেই অনুষ্ঠান অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনও সম্প্রচার করতে পারবে।
এ ছাড়া প্রতীক বরাদ্দের পর আসনভিত্তিক রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে একই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের উপস্থিতিতে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠের সুযোগ থাকবে। জেলা নির্বাচন অফিস এই আয়োজন পরিচালনায় সম্পৃক্ত থাকবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ভোট গ্রহণের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে নির্দেশনা এসেছে রমজানের আগে নির্বাচন করার জন্য। সে অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তফসিল ঘোষণার আভাস মিলছে।
রোডম্যাপে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন হবে, আর নির্বাচনি আইন-বিধি সংস্কার, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও ৩০০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ হবে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
এ ছাড়া ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত ম্যানুয়াল, নির্দেশিকা, পরিচয়পত্র ও পোস্টার মুদ্রণ সম্পন্ন হবে। একই সময়ে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট প্রদানের কাজ শেষ হবে। নভেম্বরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন ভবনে ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ডিজিটাল মনিটর ও যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে।
পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীদের ভোট পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারির মধ্যে।
সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৃহস্পতিবার যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তাতে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি প্রচার থেকে শুরু করে ভোট আয়োজনের যাবতীয় পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভিতে রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি প্রচার প্রচারিত হবে। দলীয় প্রধানদের বক্তব্যও সম্প্রচার করা হবে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী বেতার ও বিটিভির সেই অনুষ্ঠান অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনও সম্প্রচার করতে পারবে।
এ ছাড়া প্রতীক বরাদ্দের পর আসনভিত্তিক রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে একই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের উপস্থিতিতে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠের সুযোগ থাকবে। জেলা নির্বাচন অফিস এই আয়োজন পরিচালনায় সম্পৃক্ত থাকবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ভোট গ্রহণের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে নির্দেশনা এসেছে রমজানের আগে নির্বাচন করার জন্য। সে অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তফসিল ঘোষণার আভাস মিলছে।
রোডম্যাপে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন হবে, আর নির্বাচনি আইন-বিধি সংস্কার, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও ৩০০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ হবে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
এ ছাড়া ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত ম্যানুয়াল, নির্দেশিকা, পরিচয়পত্র ও পোস্টার মুদ্রণ সম্পন্ন হবে। একই সময়ে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট প্রদানের কাজ শেষ হবে। নভেম্বরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন ভবনে ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ডিজিটাল মনিটর ও যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে।
পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীদের ভোট পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারির মধ্যে।
সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।