স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ লাভে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের বিশেষ দল রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ হলো—ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভের জন্য ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা। তদন্তের অংশ হিসেবে পাওয়া নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
দুদকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রমাণ সংগ্রহের পর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
দুদকের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ গোলাম মোস্তফার ব্যাংক হিসাবে এত টাকা ছিল না। তবে তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদে বসার পর টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় শেখ গোলাম মোস্তফা এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ ও ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন। যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দেওয়া এই গ্রুপের সঙ্গে লেনদেনের মধ্যস্থতা করেন আরিফুল ইসলাম। তিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই পরিচয়ে উপস্থাপন করেন। চেকগুলো সরাসরি শেখ গোলাম মোস্তফার চেম্বার থেকে সংগ্রহ করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে দিয়ে চেকগুলোতে স্বাক্ষর করানো হয়। তার ভাষ্য, চেকগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল এবং সংগ্রহের সময় অভিযুক্তদের হাতে অস্ত্রও থাকতে পারে।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ লাভে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের বিশেষ দল রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ হলো—ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভের জন্য ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা। তদন্তের অংশ হিসেবে পাওয়া নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
দুদকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রমাণ সংগ্রহের পর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
দুদকের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ গোলাম মোস্তফার ব্যাংক হিসাবে এত টাকা ছিল না। তবে তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদে বসার পর টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় শেখ গোলাম মোস্তফা এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ ও ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন। যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দেওয়া এই গ্রুপের সঙ্গে লেনদেনের মধ্যস্থতা করেন আরিফুল ইসলাম। তিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই পরিচয়ে উপস্থাপন করেন। চেকগুলো সরাসরি শেখ গোলাম মোস্তফার চেম্বার থেকে সংগ্রহ করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে দিয়ে চেকগুলোতে স্বাক্ষর করানো হয়। তার ভাষ্য, চেকগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল এবং সংগ্রহের সময় অভিযুক্তদের হাতে অস্ত্রও থাকতে পারে।