alt

news » national

রাজনীতিকে উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার আহ্বান

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

রাজনীতিকে আরও উন্মুক্ত করতে হবে। পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তরুণসহ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী মেনে নেবে না। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থেই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বেঙ্গল ডেলটা কনফারেন্স ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তারা এসব কথা বলেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকস (দায়রা) এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে। দুই দিনের এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘বাংলাদেশ অ্যাট ক্রস রোডস: রিথিংকিং পলিটিকস, ইকোনমিকস, জিওপলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি’।

সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। জুলাই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর দায়রার পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

স্বাগত বক্তৃতায় সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতির অধ্যাপক মুশতাক খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের নেতৃত্বে যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে হতাশার নানা কারণ থাকলেও বাংলাদেশের বড় অর্জন ভুলে যাওয়া যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, নিরস্ত্র জনগণের নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান একটি দমনমূলক সরকারকে হটিয়ে দিয়েছে। তবে ফ্যাসিবাদী কাঠামো পুরোপুরি ভাঙা না গেলেও পুরোনো বন্দোবস্ত টিকিয়ে রাখা আর সম্ভব হবে না। মানুষ কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। তাই রাজনীতিকে উন্মুক্ত করতে হবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নের উৎস নিয়েও ভাবতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। তরুণেরা ২০২৪ সালের আগের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশকে ফিরে যেতে দেবে না। তিনি শিক্ষাগত বৈষম্যকে সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অল্প গোষ্ঠী উন্নত শিক্ষা পায়—এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু না হলে এই সংকট আরও দীর্ঘমেয়াদি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আইএআইএস চেয়ারম্যান মাজলি বিন মালিক বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে। শ্রমিকনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সমুদ্রকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে সম্ভাবনা কাজে লাগানো জরুরি। জলবায়ু ঝুঁকির প্রশ্নে বাংলাদেশের নেতৃত্বকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশ আসিয়ানকে পাশে পাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নেপালের সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী দীপক গিওয়ালি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ওয়েস্ট মিনিস্টার ধাঁচের গণতন্ত্রে ব্যর্থ হয়েছে। গণতন্ত্রের মূল নির্যাস জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় সুশাসন আসেনি। এখন এই অঞ্চলের দেশগুলোর ভাবা উচিত, তারা কী ধরনের গণতন্ত্র চায়। তিনি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার ওপর জোর দেন।

দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, রাজনীতিবিদরা গণতন্ত্রকে সংসদে যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেন। ভবিষ্যতের স্বার্থে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।

ভারতের দ্য ওয়্যার-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সিদ্ধার্থ ভরদ্বারাজন বলেন, বাংলাদেশের অভিযাত্রার প্রভাব বৈশ্বিক। তবে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা অর্থনৈতিক বৈষম্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কনফারেন্স উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্তির প্রধান দ্বার।

দায়রা একটি ঢাকাভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান। তারা বঙ্গীয় বদ্বীপে জ্ঞানের উৎপাদন ও অগ্রগতি নিয়ে কাজ করে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির গতিশীলতা বোঝাপড়ার চর্চায় প্রতিষ্ঠানটি নিবেদিত।

ছবি

ইসির রোডম্যাপ: রাজনৈতিক দলগুলোর মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ছবি

আন্তর্জাতিক গুম দিবস শনিবার: গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার-ক্ষতিপূরণ দাবি আসকের

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধি

ছবি

রোহিঙ্গা সংকট বৈশ্বিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছবি

সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ঝুঁকি ও সতর্কবার্তা তুলে ধরলেন নির্বাচন কমিশনাররা

ছবি

উপদেষ্টা হতে সমন্বয়ককে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক

ছবি

যে কারণে জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী

ছবি

দুর্বল হয়েছে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দর থেকে নামল সংকেত

ছবি

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: নারী ও পোষ্য কোটা বাতিল

ছবি

নির্বাচনের রোডম্যাপ: বিটিভি-বেতারে দলীয় প্রধানের বক্তৃতা, একমঞ্চে ইশতেহার

ছবি

আটকের ১২ ঘন্টা পর মামলা, তারপর কারাগারে লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন

ছবি

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন

ছবি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ৫ সেপ্টেম্বরের বদলে ৬ সেপ্টেম্বর

ছবি

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো আরও ৪২০ টন চাল

ছেলের হত্যা বিচার দেখে যেতে চান আবু সাঈদের বাবা

ছবি

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি ফিরেছে

ছবি

আরাকান আর্মির হেফাজতে ৫১ জেলে: বিজিবি সেক্টর কমান্ডার

ছবি

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম: ফের আপিল শুনবে সর্বোচ্চ আদালত

ছবি

‘জুলাই যোদ্ধা’ নামে মব আক্রমণে পণ্ড মঞ্চ ৭১ এর সভা

ছবি

চিলাহাটিসহ ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার

ছবি

সীমান্ত হত্যা: বিএসএফ প্রধানের ব্যাখ্যা, দ্বিমত বিজিবি ডিজির

ছবি

ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা: ডিসেম্বরে তফসিল, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট

ছবি

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

ছবি

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে ৫৮৫ কোটি টাকা অপচয়, সাবেক মন্ত্রী কাদেরসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ছবি

প্রথম দুই প্রান্তিকে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব

ছবি

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান খসড়ায় অনুমোদন

ছবি

সীমান্তে গুলি চালানো নিয়ে ভিন্নমত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালকের

ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সুযোগ নেই-আইএসপিআর

ছবি

মঞ্চ ৭১ এর অনুষ্ঠানে ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামে কতিপয়ের হট্টগোল, লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাবি শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

ছবি

ভোটের আগে ৯-১০ লাখ জনবলকে প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন

ছবি

যথাযথ ‘নিয়ম মেনেই পুশ ইন’ করা হয়েছে: বিএসএফ প্রধান

ছবি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন বাবা মকবুল হোসেন

ছবি

জুলাই সনদ: দলগুলোর মতামতের ‘প্রতিফলন ঘটাতে চায়’ ঐকমত্য কমিশন

ছবি

দুর্গাপুরে যেখানে সেখানে স মিল, নেই অধিকাংশেরই অনুমোদন

ছবি

ট্রাইব্যুনাল: আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচার শুরু

ছবি

নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৩০ নভেম্বর

tab

news » national

রাজনীতিকে উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার আহ্বান

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

রাজনীতিকে আরও উন্মুক্ত করতে হবে। পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তরুণসহ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী মেনে নেবে না। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থেই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বেঙ্গল ডেলটা কনফারেন্স ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তারা এসব কথা বলেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকস (দায়রা) এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে। দুই দিনের এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘বাংলাদেশ অ্যাট ক্রস রোডস: রিথিংকিং পলিটিকস, ইকোনমিকস, জিওপলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি’।

সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। জুলাই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর দায়রার পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

স্বাগত বক্তৃতায় সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতির অধ্যাপক মুশতাক খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের নেতৃত্বে যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে হতাশার নানা কারণ থাকলেও বাংলাদেশের বড় অর্জন ভুলে যাওয়া যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, নিরস্ত্র জনগণের নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান একটি দমনমূলক সরকারকে হটিয়ে দিয়েছে। তবে ফ্যাসিবাদী কাঠামো পুরোপুরি ভাঙা না গেলেও পুরোনো বন্দোবস্ত টিকিয়ে রাখা আর সম্ভব হবে না। মানুষ কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। তাই রাজনীতিকে উন্মুক্ত করতে হবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নের উৎস নিয়েও ভাবতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। তরুণেরা ২০২৪ সালের আগের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশকে ফিরে যেতে দেবে না। তিনি শিক্ষাগত বৈষম্যকে সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অল্প গোষ্ঠী উন্নত শিক্ষা পায়—এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু না হলে এই সংকট আরও দীর্ঘমেয়াদি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আইএআইএস চেয়ারম্যান মাজলি বিন মালিক বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে। শ্রমিকনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সমুদ্রকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে সম্ভাবনা কাজে লাগানো জরুরি। জলবায়ু ঝুঁকির প্রশ্নে বাংলাদেশের নেতৃত্বকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশ আসিয়ানকে পাশে পাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নেপালের সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী দীপক গিওয়ালি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ওয়েস্ট মিনিস্টার ধাঁচের গণতন্ত্রে ব্যর্থ হয়েছে। গণতন্ত্রের মূল নির্যাস জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় সুশাসন আসেনি। এখন এই অঞ্চলের দেশগুলোর ভাবা উচিত, তারা কী ধরনের গণতন্ত্র চায়। তিনি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার ওপর জোর দেন।

দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, রাজনীতিবিদরা গণতন্ত্রকে সংসদে যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেন। ভবিষ্যতের স্বার্থে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।

ভারতের দ্য ওয়্যার-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সিদ্ধার্থ ভরদ্বারাজন বলেন, বাংলাদেশের অভিযাত্রার প্রভাব বৈশ্বিক। তবে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা অর্থনৈতিক বৈষম্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কনফারেন্স উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্তির প্রধান দ্বার।

দায়রা একটি ঢাকাভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান। তারা বঙ্গীয় বদ্বীপে জ্ঞানের উৎপাদন ও অগ্রগতি নিয়ে কাজ করে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির গতিশীলতা বোঝাপড়ার চর্চায় প্রতিষ্ঠানটি নিবেদিত।

back to top