ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রোববার বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। প্রথমে বিএনপির সঙ্গে এরপর জামায়াতে ইসলামী এবং সর্বশেষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক হবে।
শনিবার,(৩০ আগস্ট ২০২৫) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চিফ অ্যাডভাইজার বসবেন। ৩টার সময় বিএনপির সঙ্গে এবং বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইলেকশন নিয়ে আলাপ আলোচনা হবে; সাড়ে ৪টায় জামায়াত এবং সন্ধ্যা ৬টায় এনসিপির সঙ্গে।’
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে।
বিবৃতিতে বল হয়, ‘বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেয়া হবে না।’
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রোববার বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। প্রথমে বিএনপির সঙ্গে এরপর জামায়াতে ইসলামী এবং সর্বশেষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক হবে।
শনিবার,(৩০ আগস্ট ২০২৫) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চিফ অ্যাডভাইজার বসবেন। ৩টার সময় বিএনপির সঙ্গে এবং বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইলেকশন নিয়ে আলাপ আলোচনা হবে; সাড়ে ৪টায় জামায়াত এবং সন্ধ্যা ৬টায় এনসিপির সঙ্গে।’
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে।
বিবৃতিতে বল হয়, ‘বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেয়া হবে না।’